ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর প্রস্তাব ট্রাম্পের, ‘নো থ্যাংকস’ বললো গ্রিনল্যান্ড

ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর প্রস্তাব ট্রাম্পের, ‘নো থ্যাংকস’ বললো গ্রিনল্যান্ড

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইন্স-ফ্রেদেরিক নিলসেন। ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন এই স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপের পক্ষ থেকে তিনি প্রস্তাবটিকে ‘নো থ্যাংকস’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিলসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, গ্রিনল্যান্ডে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নাগরিকরা বিনামূল্যে চিকিৎসা পান। তাই ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর প্রস্তাবটি তারা সচেতনভাবেই গ্রহণ করেননি।
তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ সবার সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতার দ্বার খোলা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্য না করে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানান গ্রিনল্যান্ডের এই প্রধানমন্ত্রী।
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই দ্বীপটি কেনার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন তিনি। ডেনমার্ক ও ইউরোপের দেশগুলোর আপত্তির মুখে সাম্প্রতিক সময়ে সে অবস্থান কিছুটা নমনীয় হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যেই খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ দ্বীপটিতে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর উদ্যোগের কথা জানান তিনি।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তিনি জেফ লেন্ড্রি লুইজিয়ানার গভর্নর ও গ্রিনল্যান্ডে বিশেষ দূতের সঙ্গে মিলে এ বিষয়ে কাজ করছেন।
গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে কয়েক দিন আগে দ্বীপটি সফর করেন ফ্রেদেরিক এক্স। এক বছরের মধ্যে এটি ছিল আর্কটিক অঞ্চলের এই স্বায়ত্তশাসিত এলাকায় তার দ্বিতীয় সফর।
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ভেতরেও মতভেদ তৈরি করেছিল। কয়েক মাসের উত্তেজনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক আলোচনায় বসে।
এদিকে ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগে ডেনমার্কের জয়েন্ট আর্কটিক কমান্ড জানিয়েছিল, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক থেকে প্রায় ৭ নটিক্যাল মাইল দূরে জলসীমায় অবস্থানরত একটি মার্কিন ডুবোজাহাজ থেকে জরুরি চিকিৎসাসেবার প্রয়োজন এমন এক ক্রুকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইন্স-ফ্রেদেরিক নিলসেন। ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন এই স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপের পক্ষ থেকে তিনি প্রস্তাবটিকে ‘নো থ্যাংকস’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিলসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, গ্রিনল্যান্ডে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নাগরিকরা বিনামূল্যে চিকিৎসা পান। তাই ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর প্রস্তাবটি তারা সচেতনভাবেই গ্রহণ করেননি।
তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ সবার সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতার দ্বার খোলা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্য না করে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানান গ্রিনল্যান্ডের এই প্রধানমন্ত্রী।
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই দ্বীপটি কেনার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন তিনি। ডেনমার্ক ও ইউরোপের দেশগুলোর আপত্তির মুখে সাম্প্রতিক সময়ে সে অবস্থান কিছুটা নমনীয় হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যেই খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ দ্বীপটিতে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর উদ্যোগের কথা জানান তিনি।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তিনি জেফ লেন্ড্রি লুইজিয়ানার গভর্নর ও গ্রিনল্যান্ডে বিশেষ দূতের সঙ্গে মিলে এ বিষয়ে কাজ করছেন।
গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে কয়েক দিন আগে দ্বীপটি সফর করেন ফ্রেদেরিক এক্স। এক বছরের মধ্যে এটি ছিল আর্কটিক অঞ্চলের এই স্বায়ত্তশাসিত এলাকায় তার দ্বিতীয় সফর।
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ভেতরেও মতভেদ তৈরি করেছিল। কয়েক মাসের উত্তেজনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক আলোচনায় বসে।
এদিকে ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগে ডেনমার্কের জয়েন্ট আর্কটিক কমান্ড জানিয়েছিল, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক থেকে প্রায় ৭ নটিক্যাল মাইল দূরে জলসীমায় অবস্থানরত একটি মার্কিন ডুবোজাহাজ থেকে জরুরি চিকিৎসাসেবার প্রয়োজন এমন এক ক্রুকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর প্রস্তাব ট্রাম্পের, ‘নো থ্যাংকস’ বললো গ্রিনল্যান্ড

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইন্স-ফ্রেদেরিক নিলসেন। ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন এই স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপের পক্ষ থেকে তিনি প্রস্তাবটিকে ‘নো থ্যাংকস’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিলসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, গ্রিনল্যান্ডে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নাগরিকরা বিনামূল্যে চিকিৎসা পান। তাই ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর প্রস্তাবটি তারা সচেতনভাবেই গ্রহণ করেননি।
তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ সবার সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতার দ্বার খোলা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্য না করে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানান গ্রিনল্যান্ডের এই প্রধানমন্ত্রী।
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই দ্বীপটি কেনার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন তিনি। ডেনমার্ক ও ইউরোপের দেশগুলোর আপত্তির মুখে সাম্প্রতিক সময়ে সে অবস্থান কিছুটা নমনীয় হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যেই খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ দ্বীপটিতে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর উদ্যোগের কথা জানান তিনি।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তিনি জেফ লেন্ড্রি লুইজিয়ানার গভর্নর ও গ্রিনল্যান্ডে বিশেষ দূতের সঙ্গে মিলে এ বিষয়ে কাজ করছেন।
গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে কয়েক দিন আগে দ্বীপটি সফর করেন ফ্রেদেরিক এক্স। এক বছরের মধ্যে এটি ছিল আর্কটিক অঞ্চলের এই স্বায়ত্তশাসিত এলাকায় তার দ্বিতীয় সফর।
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ভেতরেও মতভেদ তৈরি করেছিল। কয়েক মাসের উত্তেজনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক আলোচনায় বসে।
এদিকে ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগে ডেনমার্কের জয়েন্ট আর্কটিক কমান্ড জানিয়েছিল, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক থেকে প্রায় ৭ নটিক্যাল মাইল দূরে জলসীমায় অবস্থানরত একটি মার্কিন ডুবোজাহাজ থেকে জরুরি চিকিৎসাসেবার প্রয়োজন এমন এক ক্রুকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।




