যে কারণে ব্যর্থ হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা

যে কারণে ব্যর্থ হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা
মোসাদ্দেকুর রহমান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিরসনে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি করেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কিছু অগ্রগতির আভাস মিললেও মূল বিরোধের জায়গাগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রধান দাবি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করা। তবে ইরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কেবল সামরিক সক্ষমতার প্রতীক নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ। সে কারণে ইউরেনিয়াম ইস্যুতে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিলেও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে তারা অনাগ্রহী।
ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পুরোপুরি মেনে নেওয়া হলে তা দেশের নিরাপত্তার জন্য ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত হবে। তাদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র– দুটিই কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এদিকে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় পরিস্থিতি সামরিক উত্তেজনার দিকে গড়াতে পারে– এমন আশঙ্কাও সামনে এসেছে। ইসরায়েল যে কোনো সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পাবলিক ব্রডকাস্টার কান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সবুজ সংকেত পেলেই হামলা চালানো হতে পারে এমন ধারণা সামনে রেখে ইসরায়েলি সেনারা প্রস্তুত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক পদক্ষেপের অনুমতি দেবেন কি না– তা নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি শুধু প্রতিরক্ষামূলক নয়; মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তেহরান এই প্রযুক্তিকে আঞ্চলিক প্রভাব ও ক্ষমতার প্রতীক হিসেবেও দেখে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চাপকে ইরান তাদের কৌশলগত সক্ষমতা খর্ব করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। ফলে আলোচনায় পারস্পরিক অবিশ্বাস আরও গভীর হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, আলোচনাকে সফল করতে হলে উভয় পক্ষকেই নিজেদের কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসতে হবে। ইরানের নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো সীমিত আকারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি মেনে নিতে হতে পারে। একইভাবে ইরানকেও তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে নমনীয় হতে হবে।
তবে আপসের মনোভাব না থাকলে এই আলোচনার ব্যর্থতা শুধু সময়ের ব্যাপার এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: রয়টার্স, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিরসনে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি করেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কিছু অগ্রগতির আভাস মিললেও মূল বিরোধের জায়গাগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রধান দাবি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করা। তবে ইরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কেবল সামরিক সক্ষমতার প্রতীক নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ। সে কারণে ইউরেনিয়াম ইস্যুতে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিলেও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে তারা অনাগ্রহী।
ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পুরোপুরি মেনে নেওয়া হলে তা দেশের নিরাপত্তার জন্য ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত হবে। তাদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র– দুটিই কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এদিকে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় পরিস্থিতি সামরিক উত্তেজনার দিকে গড়াতে পারে– এমন আশঙ্কাও সামনে এসেছে। ইসরায়েল যে কোনো সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পাবলিক ব্রডকাস্টার কান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সবুজ সংকেত পেলেই হামলা চালানো হতে পারে এমন ধারণা সামনে রেখে ইসরায়েলি সেনারা প্রস্তুত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক পদক্ষেপের অনুমতি দেবেন কি না– তা নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি শুধু প্রতিরক্ষামূলক নয়; মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তেহরান এই প্রযুক্তিকে আঞ্চলিক প্রভাব ও ক্ষমতার প্রতীক হিসেবেও দেখে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চাপকে ইরান তাদের কৌশলগত সক্ষমতা খর্ব করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। ফলে আলোচনায় পারস্পরিক অবিশ্বাস আরও গভীর হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, আলোচনাকে সফল করতে হলে উভয় পক্ষকেই নিজেদের কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসতে হবে। ইরানের নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো সীমিত আকারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি মেনে নিতে হতে পারে। একইভাবে ইরানকেও তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে নমনীয় হতে হবে।
তবে আপসের মনোভাব না থাকলে এই আলোচনার ব্যর্থতা শুধু সময়ের ব্যাপার এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: রয়টার্স, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

যে কারণে ব্যর্থ হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা
মোসাদ্দেকুর রহমান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিরসনে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি করেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কিছু অগ্রগতির আভাস মিললেও মূল বিরোধের জায়গাগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রধান দাবি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করা। তবে ইরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কেবল সামরিক সক্ষমতার প্রতীক নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ। সে কারণে ইউরেনিয়াম ইস্যুতে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিলেও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতে তারা অনাগ্রহী।
ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পুরোপুরি মেনে নেওয়া হলে তা দেশের নিরাপত্তার জন্য ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত হবে। তাদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র– দুটিই কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এদিকে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় পরিস্থিতি সামরিক উত্তেজনার দিকে গড়াতে পারে– এমন আশঙ্কাও সামনে এসেছে। ইসরায়েল যে কোনো সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পাবলিক ব্রডকাস্টার কান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সবুজ সংকেত পেলেই হামলা চালানো হতে পারে এমন ধারণা সামনে রেখে ইসরায়েলি সেনারা প্রস্তুত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক পদক্ষেপের অনুমতি দেবেন কি না– তা নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি শুধু প্রতিরক্ষামূলক নয়; মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তেহরান এই প্রযুক্তিকে আঞ্চলিক প্রভাব ও ক্ষমতার প্রতীক হিসেবেও দেখে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চাপকে ইরান তাদের কৌশলগত সক্ষমতা খর্ব করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। ফলে আলোচনায় পারস্পরিক অবিশ্বাস আরও গভীর হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের অভিমত, আলোচনাকে সফল করতে হলে উভয় পক্ষকেই নিজেদের কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসতে হবে। ইরানের নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো সীমিত আকারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি মেনে নিতে হতে পারে। একইভাবে ইরানকেও তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে নমনীয় হতে হবে।
তবে আপসের মনোভাব না থাকলে এই আলোচনার ব্যর্থতা শুধু সময়ের ব্যাপার এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: রয়টার্স, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস




