এল সালভাদরে ৪৮৬ গ্যাং সদস্যের গণবিচার শুরু
সিটিজেন ডেস্ক

এল সালভাদরে ৪৮৬ গ্যাং সদস্যের গণবিচার শুরু
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৫৭

ছবি: সংগৃহীত
এল সালভাদরের একটি আদালতে কুখ্যাত ‘এমএস-১৩’ গ্যাংয়ের ৪৮৬ জন অভিযুক্ত সদস্যের এক নজিরবিহীন গণবিচার শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলে ঘোষিত বিতর্কিত জরুরি অবস্থার অধীনে গ্যাং সহিংসতা দমনে নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এটি দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বড় বিচারিক কার্যক্রম।
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এ আসামিরা হত্যা, নারী হত্যা, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র পাচারসহ অন্তত ৪৭ হাজার অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। বিশেষ করে দেশটির গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী অপরাধগুলোও এ বিচারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে দফায় দফায় বৃদ্ধি করা জরুরি অবস্থার অধীনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী এখন পর্যন্ত প্রায় ৯১ হাজার ৫০০ জনকে আটক করেছে এবং কংগ্রেস একটি ডিক্রির মাধ্যমে এ ধরনের গণবিচারের অনুমতি দিয়েছে।
তবে এ গণবিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইন্টার-আমেরিকান কমিশন অন হিউম্যান রাইটস (আইএসিএইচআর) পুনরায় সতর্ক করে বলেছে, দীর্ঘস্থায়ী জরুরি অবস্থা আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার এবং আইনি পরামর্শ পাওয়ার সুযোগকে খর্ব করছে।
সংস্থাটির মতে, এ শাসনের ফলে যোগাযোগ রক্ষা ও প্রশাসনিক আটকের আইনি সীমারেখা লঙ্ঘিত হচ্ছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে দেশটির সেকট নামক কুখ্যাত ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন কারাগারসহ মোট পাঁচটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। মামলার শুনানিতে প্রসিকিউটররা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, ব্যালিস্টিক বিশ্লেষণ এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে একেকজন আসামির সর্বোচ্চ ২৪৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। উল্লেখ্য, এ আসামিদের মধ্যে এমন অনেক গ্যাং নেতা রয়েছেন যারা ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে সরকারের সাথে করা বিতর্কিত যুদ্ধবিরতিতে অংশ নিয়েছিলেন। বুকেলে সরকারের দাবি, এ কঠোর দমন অভিযানের ফলে দেশটিতে হত্যাকাণ্ডের হার নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে। ২০১৭ সালে যেখানে প্রতি লাখে হত্যাকাণ্ডের হার ছিল অনেক বেশি, সেখানে গত বছর তা কমে ১.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এল সালভাদরের একটি আদালতে কুখ্যাত ‘এমএস-১৩’ গ্যাংয়ের ৪৮৬ জন অভিযুক্ত সদস্যের এক নজিরবিহীন গণবিচার শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলে ঘোষিত বিতর্কিত জরুরি অবস্থার অধীনে গ্যাং সহিংসতা দমনে নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এটি দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বড় বিচারিক কার্যক্রম।
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এ আসামিরা হত্যা, নারী হত্যা, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র পাচারসহ অন্তত ৪৭ হাজার অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। বিশেষ করে দেশটির গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী অপরাধগুলোও এ বিচারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে দফায় দফায় বৃদ্ধি করা জরুরি অবস্থার অধীনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী এখন পর্যন্ত প্রায় ৯১ হাজার ৫০০ জনকে আটক করেছে এবং কংগ্রেস একটি ডিক্রির মাধ্যমে এ ধরনের গণবিচারের অনুমতি দিয়েছে।
তবে এ গণবিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইন্টার-আমেরিকান কমিশন অন হিউম্যান রাইটস (আইএসিএইচআর) পুনরায় সতর্ক করে বলেছে, দীর্ঘস্থায়ী জরুরি অবস্থা আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার এবং আইনি পরামর্শ পাওয়ার সুযোগকে খর্ব করছে।
সংস্থাটির মতে, এ শাসনের ফলে যোগাযোগ রক্ষা ও প্রশাসনিক আটকের আইনি সীমারেখা লঙ্ঘিত হচ্ছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে দেশটির সেকট নামক কুখ্যাত ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন কারাগারসহ মোট পাঁচটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। মামলার শুনানিতে প্রসিকিউটররা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, ব্যালিস্টিক বিশ্লেষণ এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে একেকজন আসামির সর্বোচ্চ ২৪৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। উল্লেখ্য, এ আসামিদের মধ্যে এমন অনেক গ্যাং নেতা রয়েছেন যারা ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে সরকারের সাথে করা বিতর্কিত যুদ্ধবিরতিতে অংশ নিয়েছিলেন। বুকেলে সরকারের দাবি, এ কঠোর দমন অভিযানের ফলে দেশটিতে হত্যাকাণ্ডের হার নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে। ২০১৭ সালে যেখানে প্রতি লাখে হত্যাকাণ্ডের হার ছিল অনেক বেশি, সেখানে গত বছর তা কমে ১.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এল সালভাদরে ৪৮৬ গ্যাং সদস্যের গণবিচার শুরু
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৫৭

ছবি: সংগৃহীত
এল সালভাদরের একটি আদালতে কুখ্যাত ‘এমএস-১৩’ গ্যাংয়ের ৪৮৬ জন অভিযুক্ত সদস্যের এক নজিরবিহীন গণবিচার শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলে ঘোষিত বিতর্কিত জরুরি অবস্থার অধীনে গ্যাং সহিংসতা দমনে নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এটি দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বড় বিচারিক কার্যক্রম।
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এ আসামিরা হত্যা, নারী হত্যা, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র পাচারসহ অন্তত ৪৭ হাজার অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। বিশেষ করে দেশটির গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী অপরাধগুলোও এ বিচারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে দফায় দফায় বৃদ্ধি করা জরুরি অবস্থার অধীনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী এখন পর্যন্ত প্রায় ৯১ হাজার ৫০০ জনকে আটক করেছে এবং কংগ্রেস একটি ডিক্রির মাধ্যমে এ ধরনের গণবিচারের অনুমতি দিয়েছে।
তবে এ গণবিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইন্টার-আমেরিকান কমিশন অন হিউম্যান রাইটস (আইএসিএইচআর) পুনরায় সতর্ক করে বলেছে, দীর্ঘস্থায়ী জরুরি অবস্থা আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার এবং আইনি পরামর্শ পাওয়ার সুযোগকে খর্ব করছে।
সংস্থাটির মতে, এ শাসনের ফলে যোগাযোগ রক্ষা ও প্রশাসনিক আটকের আইনি সীমারেখা লঙ্ঘিত হচ্ছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে দেশটির সেকট নামক কুখ্যাত ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন কারাগারসহ মোট পাঁচটি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। মামলার শুনানিতে প্রসিকিউটররা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, ব্যালিস্টিক বিশ্লেষণ এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে একেকজন আসামির সর্বোচ্চ ২৪৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। উল্লেখ্য, এ আসামিদের মধ্যে এমন অনেক গ্যাং নেতা রয়েছেন যারা ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে সরকারের সাথে করা বিতর্কিত যুদ্ধবিরতিতে অংশ নিয়েছিলেন। বুকেলে সরকারের দাবি, এ কঠোর দমন অভিযানের ফলে দেশটিতে হত্যাকাণ্ডের হার নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে। ২০১৭ সালে যেখানে প্রতি লাখে হত্যাকাণ্ডের হার ছিল অনেক বেশি, সেখানে গত বছর তা কমে ১.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
/এমএকে/




