হ্যালোইনে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সহিংসতায় নিহত ২৪

হ্যালোইনে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সহিংসতায় নিহত ২৪
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন উদ্যাপনের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একের পর এক এলোপাতাড়ি গুলি ও সহিংতার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৪ জন। এসব হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও ৯৪ জন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বরের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে শুরু করে ডেলাওয়ার পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের নৈশক্লাব, পোশাকের দোকান, স্টেডিয়াম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় এসব রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।
সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে টেক্সাসের ডালাস শহরের ডিপ এলাম এলাকায়। সেখানে পরপর তিনটি পৃথক স্থানে বন্দুকধারীদের হামলায় প্রাণ হারান ৪ জন, আর গুলিবিদ্ধ হন ১৫ জন। উৎসবের আনন্দের মাঝে মুহূর্তেই সেখানে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলে দুটি আলাদা গোলাগুলির ঘটনায় ১৩ জন গুলিবিদ্ধ হন, যার মধ্যে দুজন মারা গেছেন। একই রাতে মিসিসিপির জ্যাকসন শহরের একটি নৈশক্লাবে হঠাৎ শুরু হওয়া গুলিবর্ষণে আরও দুইজনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন চারজন।
নর্থ ক্যালিফোর্নিয়ায় এক পোশাকের দোকানে এক বন্দুকধারী অতর্কিতে হামলা চালালে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী করুণ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। অন্যদিকে, উৎসবের রাতে আলাবামার বার্মিংহামে একটি স্টেডিয়ামের বাইরে চলে গুলি। সেখানে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হন আটজন।
এছাড়া ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা, ডেলাওয়ার ও আরকানসাসের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতেও একাধিক সহিংসতার খবর মিলেছে। বিশেষ করে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকায় গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন হতাহত হন। এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে শনাক্ত ও আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অপরাধবিজ্ঞান ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্যালোইনের মতো বড় উৎসবে অতিরিক্ত ভিড়, মদ্যপান ও নেশার প্রভাবের সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্রের অবাধ সহজলভ্যতাই এ ধরণের সহিংসতার মূল কারণ। তবে উৎসবের দিনগুলোতে দেশের এত বিপুলসংখ্যক মানুষ এক জায়গায় জড়ো হন যে, সব মোড়ে মোড়ে পুলিশের পাহারা নিশ্চিত করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন উদ্যাপনের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একের পর এক এলোপাতাড়ি গুলি ও সহিংতার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৪ জন। এসব হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও ৯৪ জন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বরের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে শুরু করে ডেলাওয়ার পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের নৈশক্লাব, পোশাকের দোকান, স্টেডিয়াম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় এসব রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।
সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে টেক্সাসের ডালাস শহরের ডিপ এলাম এলাকায়। সেখানে পরপর তিনটি পৃথক স্থানে বন্দুকধারীদের হামলায় প্রাণ হারান ৪ জন, আর গুলিবিদ্ধ হন ১৫ জন। উৎসবের আনন্দের মাঝে মুহূর্তেই সেখানে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলে দুটি আলাদা গোলাগুলির ঘটনায় ১৩ জন গুলিবিদ্ধ হন, যার মধ্যে দুজন মারা গেছেন। একই রাতে মিসিসিপির জ্যাকসন শহরের একটি নৈশক্লাবে হঠাৎ শুরু হওয়া গুলিবর্ষণে আরও দুইজনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন চারজন।
নর্থ ক্যালিফোর্নিয়ায় এক পোশাকের দোকানে এক বন্দুকধারী অতর্কিতে হামলা চালালে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী করুণ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। অন্যদিকে, উৎসবের রাতে আলাবামার বার্মিংহামে একটি স্টেডিয়ামের বাইরে চলে গুলি। সেখানে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হন আটজন।
এছাড়া ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা, ডেলাওয়ার ও আরকানসাসের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতেও একাধিক সহিংসতার খবর মিলেছে। বিশেষ করে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকায় গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন হতাহত হন। এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে শনাক্ত ও আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অপরাধবিজ্ঞান ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্যালোইনের মতো বড় উৎসবে অতিরিক্ত ভিড়, মদ্যপান ও নেশার প্রভাবের সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্রের অবাধ সহজলভ্যতাই এ ধরণের সহিংসতার মূল কারণ। তবে উৎসবের দিনগুলোতে দেশের এত বিপুলসংখ্যক মানুষ এক জায়গায় জড়ো হন যে, সব মোড়ে মোড়ে পুলিশের পাহারা নিশ্চিত করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

হ্যালোইনে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সহিংসতায় নিহত ২৪
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন উদ্যাপনের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একের পর এক এলোপাতাড়ি গুলি ও সহিংতার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৪ জন। এসব হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও ৯৪ জন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বরের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে শুরু করে ডেলাওয়ার পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের নৈশক্লাব, পোশাকের দোকান, স্টেডিয়াম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় এসব রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।
সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে টেক্সাসের ডালাস শহরের ডিপ এলাম এলাকায়। সেখানে পরপর তিনটি পৃথক স্থানে বন্দুকধারীদের হামলায় প্রাণ হারান ৪ জন, আর গুলিবিদ্ধ হন ১৫ জন। উৎসবের আনন্দের মাঝে মুহূর্তেই সেখানে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলে দুটি আলাদা গোলাগুলির ঘটনায় ১৩ জন গুলিবিদ্ধ হন, যার মধ্যে দুজন মারা গেছেন। একই রাতে মিসিসিপির জ্যাকসন শহরের একটি নৈশক্লাবে হঠাৎ শুরু হওয়া গুলিবর্ষণে আরও দুইজনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন চারজন।
নর্থ ক্যালিফোর্নিয়ায় এক পোশাকের দোকানে এক বন্দুকধারী অতর্কিতে হামলা চালালে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী করুণ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। অন্যদিকে, উৎসবের রাতে আলাবামার বার্মিংহামে একটি স্টেডিয়ামের বাইরে চলে গুলি। সেখানে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হন আটজন।
এছাড়া ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা, ডেলাওয়ার ও আরকানসাসের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতেও একাধিক সহিংসতার খবর মিলেছে। বিশেষ করে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকায় গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন হতাহত হন। এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে শনাক্ত ও আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অপরাধবিজ্ঞান ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্যালোইনের মতো বড় উৎসবে অতিরিক্ত ভিড়, মদ্যপান ও নেশার প্রভাবের সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্রের অবাধ সহজলভ্যতাই এ ধরণের সহিংসতার মূল কারণ। তবে উৎসবের দিনগুলোতে দেশের এত বিপুলসংখ্যক মানুষ এক জায়গায় জড়ো হন যে, সব মোড়ে মোড়ে পুলিশের পাহারা নিশ্চিত করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

হ্যালোইনে বিক্ষোভের আশঙ্কায় ফ্রান্সজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন







