ইরান যুদ্ধের কারণে ছেলের বিয়েতে যেতে পারছেন না ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধের কারণে ছেলের বিয়েতে যেতে পারছেন না ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

হোয়াইট হাউসের ব্যস্ততা এবং রাজনৈতিক নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় নিজের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বিয়েতে অংশ নাও নিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মেমোরিয়াল ডে-র উইকএন্ডে বাহামাসে একটি একান্ত পারিবারিক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জুনিয়রের এ বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই সংশয়ের কথা জানিয়েছেন, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বেশ গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ওভাল অফিসে এই মুহূর্তে ইরান সংকটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ফাইল তার টেবিলে জমা হয়ে আছে। সময়টা তার অনুকূলে নয় বলেই তিনি ছেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত নন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রেসিডেন্টকে ফ্লোরিডায় গলফ খেলতে কিংবা মিয়ামিতে আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের (ইউএফসি) মতো বিনোদনমূলক আয়োজনে অংশ নিতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের সাধারণ মানুষ যখন ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যে ভুগছে, তখন বাহামাসের বিলাসবহুল দ্বীপে প্রেসিডেন্টের নৈশপার্টিতে অংশ নেওয়া রাজনৈতিকভাবে ভুল বার্তা দিতে পারে। ট্রাম্প নিজেও উভয়সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে বিয়েতে গেলেও সংবাদমাধ্যমগুলো তাকে ছেড়ে কথা বলবে না, আবার না গেলেও সমালোচনা হবে।
উল্লেখ্য, ৪৮ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০০৫ সালে মডেল ভ্যানেসা হেইডনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিচ্ছেদ ঘটে। ২০২০ সালে কিমবার্লি গিলফয়েলের সঙ্গে তার বাগদান হলেও ২০২৪ সালে সেই সম্পর্কের অবসান ঘটে। ট্রাম্প জুনিয়রের হবু স্ত্রী ৩৯ বছর বয়সী বেটিনা অ্যান্ডারসন পাম বিচের একটি প্রভাবশালী ব্যাংকার পরিবারের সন্তান এবং পেশায় একজন মডেল। গত বছর জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে এই জুটিকে প্রথমবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল। রাজনৈতিকভাবে বর্তমানে কিছুটা ব্যাকফুটে থাকা ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তবে বড় ছেলের বিয়েতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের এ অনীহা, অতীতে মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের বিয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত। ২০০৯ সালে জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে ইভাঙ্কার জমকালো বিয়েতে ট্রাম্প অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে একজন গর্বিত বাবা হিসেবে প্রকাশ করেছিলেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

হোয়াইট হাউসের ব্যস্ততা এবং রাজনৈতিক নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় নিজের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বিয়েতে অংশ নাও নিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মেমোরিয়াল ডে-র উইকএন্ডে বাহামাসে একটি একান্ত পারিবারিক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জুনিয়রের এ বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই সংশয়ের কথা জানিয়েছেন, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বেশ গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ওভাল অফিসে এই মুহূর্তে ইরান সংকটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ফাইল তার টেবিলে জমা হয়ে আছে। সময়টা তার অনুকূলে নয় বলেই তিনি ছেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত নন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রেসিডেন্টকে ফ্লোরিডায় গলফ খেলতে কিংবা মিয়ামিতে আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের (ইউএফসি) মতো বিনোদনমূলক আয়োজনে অংশ নিতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের সাধারণ মানুষ যখন ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যে ভুগছে, তখন বাহামাসের বিলাসবহুল দ্বীপে প্রেসিডেন্টের নৈশপার্টিতে অংশ নেওয়া রাজনৈতিকভাবে ভুল বার্তা দিতে পারে। ট্রাম্প নিজেও উভয়সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে বিয়েতে গেলেও সংবাদমাধ্যমগুলো তাকে ছেড়ে কথা বলবে না, আবার না গেলেও সমালোচনা হবে।
উল্লেখ্য, ৪৮ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০০৫ সালে মডেল ভ্যানেসা হেইডনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিচ্ছেদ ঘটে। ২০২০ সালে কিমবার্লি গিলফয়েলের সঙ্গে তার বাগদান হলেও ২০২৪ সালে সেই সম্পর্কের অবসান ঘটে। ট্রাম্প জুনিয়রের হবু স্ত্রী ৩৯ বছর বয়সী বেটিনা অ্যান্ডারসন পাম বিচের একটি প্রভাবশালী ব্যাংকার পরিবারের সন্তান এবং পেশায় একজন মডেল। গত বছর জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে এই জুটিকে প্রথমবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল। রাজনৈতিকভাবে বর্তমানে কিছুটা ব্যাকফুটে থাকা ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তবে বড় ছেলের বিয়েতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের এ অনীহা, অতীতে মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের বিয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত। ২০০৯ সালে জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে ইভাঙ্কার জমকালো বিয়েতে ট্রাম্প অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে একজন গর্বিত বাবা হিসেবে প্রকাশ করেছিলেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইরান যুদ্ধের কারণে ছেলের বিয়েতে যেতে পারছেন না ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

হোয়াইট হাউসের ব্যস্ততা এবং রাজনৈতিক নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় নিজের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বিয়েতে অংশ নাও নিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মেমোরিয়াল ডে-র উইকএন্ডে বাহামাসে একটি একান্ত পারিবারিক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জুনিয়রের এ বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই সংশয়ের কথা জানিয়েছেন, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বেশ গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ওভাল অফিসে এই মুহূর্তে ইরান সংকটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ফাইল তার টেবিলে জমা হয়ে আছে। সময়টা তার অনুকূলে নয় বলেই তিনি ছেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত নন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রেসিডেন্টকে ফ্লোরিডায় গলফ খেলতে কিংবা মিয়ামিতে আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের (ইউএফসি) মতো বিনোদনমূলক আয়োজনে অংশ নিতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের সাধারণ মানুষ যখন ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যে ভুগছে, তখন বাহামাসের বিলাসবহুল দ্বীপে প্রেসিডেন্টের নৈশপার্টিতে অংশ নেওয়া রাজনৈতিকভাবে ভুল বার্তা দিতে পারে। ট্রাম্প নিজেও উভয়সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে বিয়েতে গেলেও সংবাদমাধ্যমগুলো তাকে ছেড়ে কথা বলবে না, আবার না গেলেও সমালোচনা হবে।
উল্লেখ্য, ৪৮ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০০৫ সালে মডেল ভ্যানেসা হেইডনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিচ্ছেদ ঘটে। ২০২০ সালে কিমবার্লি গিলফয়েলের সঙ্গে তার বাগদান হলেও ২০২৪ সালে সেই সম্পর্কের অবসান ঘটে। ট্রাম্প জুনিয়রের হবু স্ত্রী ৩৯ বছর বয়সী বেটিনা অ্যান্ডারসন পাম বিচের একটি প্রভাবশালী ব্যাংকার পরিবারের সন্তান এবং পেশায় একজন মডেল। গত বছর জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে এই জুটিকে প্রথমবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল। রাজনৈতিকভাবে বর্তমানে কিছুটা ব্যাকফুটে থাকা ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। তবে বড় ছেলের বিয়েতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের এ অনীহা, অতীতে মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের বিয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত। ২০০৯ সালে জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে ইভাঙ্কার জমকালো বিয়েতে ট্রাম্প অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে একজন গর্বিত বাবা হিসেবে প্রকাশ করেছিলেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি সাময়িক স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র

