সিআইএ’র ঘাঁটিতে সামরিক কেন্দ্র চালু চীনের

সিআইএ’র ঘাঁটিতে সামরিক কেন্দ্র চালু চীনের
সিজেডএন ডেস্ক

লাওসের উত্তর-প্রান্তে ভিয়েতনাম যুদ্ধ আমলের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা সিআইএর একটি পুরোনো বিমানঘাঁটিতে সামরিক কেন্দ্র চালু করেছে চীনা সামরিক বাহিনী। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
রাজধানী ভিয়েনতিয়েনের প্রায় ৪০ মাইল উত্তরে এবং থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র ২৫ মাইল দূরে অবস্থিত ঘাঁটিরটির নাম বান কিউন বিমানবন্দর। এখানে চীন-লাওস যৌথ সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং চীন-লাওস মৈত্রী বিমান একাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে।
গোয়েন্দা ও স্যাটেলাইট চিত্র প্ল্যাটফর্ম ভ্যান্টরের সূত্রে সিএনএন জানায়, গত ডিসেম্বর থেকে এই ঘাঁটিতে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে এবং বাইশটি বিমান রাখার উপযোগী হ্যাঙ্গার তৈরি করা হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লাওসের বিমানবাহিনীর পাইলটদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়াতেই এসব স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে এবং দুই দেশ যৌথভাবে এর রক্ষণাবেক্ষণ করবে। বেইজিংয়ের দাবি, এটি কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে হুমকি নয়, বরং দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আফ্রিকার জিবুতিতে ২০১৭ সালে চালু হওয়া ঘাঁটিটিই চীনের একমাত্র আনুষ্ঠানিক বিদেশি সামরিক ঘাঁটি। এর বাইরে থাইল্যান্ড উপসাগরে কম্বোডিয়ার রিয়াম নৌঘাঁটির বড় সম্প্রসারণেও অর্থায়ন করেছে চীন। এটি তারা কম্বোডিয়ার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করে। সেখানে নতুন নির্মিত জেটি এতটাই বড় যে পিএলএ নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরীও অনায়াসে ভিড়তে পারে। এতে এ অঞ্চলে বেইজিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে উদ্বেগ তৈরি হলেও কম্বোডিয়া সরকার বলছে, রিয়াম অন্যদের জন্যও উন্মুক্ত এবং জানুয়ারিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজও সেখানে নোঙর করেছিল।
মজার ব্যাপার হলো, লাওসের বান কিউন ঘাঁটিটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সিআইএ পরিচালিত ‘এয়ার আমেরিকা’ ব্যবহার করত। সে সময় অঞ্চলটিতে গোপন অভিযানের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রসদ ও সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রতীকী দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও লাওসে চীনের এ পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র-চীন ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসছে না।
সিঙ্গাপুরের এস রাজারত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ ফেলো ড্রু থম্পসন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বলেছেন, এ ঘাঁটি থেকে অঞ্চলটিতে মার্কিন বাহিনীর জন্য কোনও হুমকি দেখা কঠিন। তিনি আরও যোগ করেন, এই রানওয়ে কোনও কিছুর কেদ্র বরাবার তাক করা ছুরি নয়। এখান থেকে বিমান অভিযান চালানোর কোনও পরিস্থিতি আমি কল্পনা করতে পারছি না।
সূত্র: সিএনএন

লাওসের উত্তর-প্রান্তে ভিয়েতনাম যুদ্ধ আমলের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা সিআইএর একটি পুরোনো বিমানঘাঁটিতে সামরিক কেন্দ্র চালু করেছে চীনা সামরিক বাহিনী। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
রাজধানী ভিয়েনতিয়েনের প্রায় ৪০ মাইল উত্তরে এবং থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র ২৫ মাইল দূরে অবস্থিত ঘাঁটিরটির নাম বান কিউন বিমানবন্দর। এখানে চীন-লাওস যৌথ সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং চীন-লাওস মৈত্রী বিমান একাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে।
গোয়েন্দা ও স্যাটেলাইট চিত্র প্ল্যাটফর্ম ভ্যান্টরের সূত্রে সিএনএন জানায়, গত ডিসেম্বর থেকে এই ঘাঁটিতে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে এবং বাইশটি বিমান রাখার উপযোগী হ্যাঙ্গার তৈরি করা হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লাওসের বিমানবাহিনীর পাইলটদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়াতেই এসব স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে এবং দুই দেশ যৌথভাবে এর রক্ষণাবেক্ষণ করবে। বেইজিংয়ের দাবি, এটি কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে হুমকি নয়, বরং দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আফ্রিকার জিবুতিতে ২০১৭ সালে চালু হওয়া ঘাঁটিটিই চীনের একমাত্র আনুষ্ঠানিক বিদেশি সামরিক ঘাঁটি। এর বাইরে থাইল্যান্ড উপসাগরে কম্বোডিয়ার রিয়াম নৌঘাঁটির বড় সম্প্রসারণেও অর্থায়ন করেছে চীন। এটি তারা কম্বোডিয়ার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করে। সেখানে নতুন নির্মিত জেটি এতটাই বড় যে পিএলএ নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরীও অনায়াসে ভিড়তে পারে। এতে এ অঞ্চলে বেইজিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে উদ্বেগ তৈরি হলেও কম্বোডিয়া সরকার বলছে, রিয়াম অন্যদের জন্যও উন্মুক্ত এবং জানুয়ারিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজও সেখানে নোঙর করেছিল।
মজার ব্যাপার হলো, লাওসের বান কিউন ঘাঁটিটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সিআইএ পরিচালিত ‘এয়ার আমেরিকা’ ব্যবহার করত। সে সময় অঞ্চলটিতে গোপন অভিযানের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রসদ ও সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রতীকী দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও লাওসে চীনের এ পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র-চীন ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসছে না।
সিঙ্গাপুরের এস রাজারত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ ফেলো ড্রু থম্পসন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বলেছেন, এ ঘাঁটি থেকে অঞ্চলটিতে মার্কিন বাহিনীর জন্য কোনও হুমকি দেখা কঠিন। তিনি আরও যোগ করেন, এই রানওয়ে কোনও কিছুর কেদ্র বরাবার তাক করা ছুরি নয়। এখান থেকে বিমান অভিযান চালানোর কোনও পরিস্থিতি আমি কল্পনা করতে পারছি না।
সূত্র: সিএনএন

সিআইএ’র ঘাঁটিতে সামরিক কেন্দ্র চালু চীনের
সিজেডএন ডেস্ক

লাওসের উত্তর-প্রান্তে ভিয়েতনাম যুদ্ধ আমলের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা সিআইএর একটি পুরোনো বিমানঘাঁটিতে সামরিক কেন্দ্র চালু করেছে চীনা সামরিক বাহিনী। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
রাজধানী ভিয়েনতিয়েনের প্রায় ৪০ মাইল উত্তরে এবং থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র ২৫ মাইল দূরে অবস্থিত ঘাঁটিরটির নাম বান কিউন বিমানবন্দর। এখানে চীন-লাওস যৌথ সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং চীন-লাওস মৈত্রী বিমান একাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে।
গোয়েন্দা ও স্যাটেলাইট চিত্র প্ল্যাটফর্ম ভ্যান্টরের সূত্রে সিএনএন জানায়, গত ডিসেম্বর থেকে এই ঘাঁটিতে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে এবং বাইশটি বিমান রাখার উপযোগী হ্যাঙ্গার তৈরি করা হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লাওসের বিমানবাহিনীর পাইলটদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়াতেই এসব স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে এবং দুই দেশ যৌথভাবে এর রক্ষণাবেক্ষণ করবে। বেইজিংয়ের দাবি, এটি কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে হুমকি নয়, বরং দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আফ্রিকার জিবুতিতে ২০১৭ সালে চালু হওয়া ঘাঁটিটিই চীনের একমাত্র আনুষ্ঠানিক বিদেশি সামরিক ঘাঁটি। এর বাইরে থাইল্যান্ড উপসাগরে কম্বোডিয়ার রিয়াম নৌঘাঁটির বড় সম্প্রসারণেও অর্থায়ন করেছে চীন। এটি তারা কম্বোডিয়ার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করে। সেখানে নতুন নির্মিত জেটি এতটাই বড় যে পিএলএ নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরীও অনায়াসে ভিড়তে পারে। এতে এ অঞ্চলে বেইজিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে উদ্বেগ তৈরি হলেও কম্বোডিয়া সরকার বলছে, রিয়াম অন্যদের জন্যও উন্মুক্ত এবং জানুয়ারিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজও সেখানে নোঙর করেছিল।
মজার ব্যাপার হলো, লাওসের বান কিউন ঘাঁটিটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সিআইএ পরিচালিত ‘এয়ার আমেরিকা’ ব্যবহার করত। সে সময় অঞ্চলটিতে গোপন অভিযানের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রসদ ও সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রতীকী দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও লাওসে চীনের এ পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র-চীন ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসছে না।
সিঙ্গাপুরের এস রাজারত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ ফেলো ড্রু থম্পসন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বলেছেন, এ ঘাঁটি থেকে অঞ্চলটিতে মার্কিন বাহিনীর জন্য কোনও হুমকি দেখা কঠিন। তিনি আরও যোগ করেন, এই রানওয়ে কোনও কিছুর কেদ্র বরাবার তাক করা ছুরি নয়। এখান থেকে বিমান অভিযান চালানোর কোনও পরিস্থিতি আমি কল্পনা করতে পারছি না।
সূত্র: সিএনএন

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প







