মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এর আগে ইরানে হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমরা কোনো সময়েই ইরানে হামলা চালাব না।’
তবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল রয়েছে বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল প্রবাহিত হচ্ছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর ইসরায়েল যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেও ট্রাম্প প্রশাসন হামলা ও অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। এ সংঘাত ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তায় চাপ তৈরি করেছে। নভেম্বরে কংগ্রেসের নির্বাচনে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টায় থাকা রিপাবলিকানদের জন্যও যুদ্ধটি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ মানুষ ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি অসন্তোষ জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, তাদের মধ্যে প্রতি চারজন রিপাবলিকানের একজনও রয়েছেন। সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এদিকে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের বিষয় জীবনযাত্রার ব্যয়।
ট্রাম্প বারবার বলেছেন, নির্বাচনের পর তেলের দাম কমবে। তবে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো পরিকল্পনা তিনি দিতে পারেননি।
সূত্র: রয়টার্স, মিডল ইস্ট আই

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এর আগে ইরানে হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমরা কোনো সময়েই ইরানে হামলা চালাব না।’
তবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল রয়েছে বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল প্রবাহিত হচ্ছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর ইসরায়েল যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেও ট্রাম্প প্রশাসন হামলা ও অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। এ সংঘাত ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তায় চাপ তৈরি করেছে। নভেম্বরে কংগ্রেসের নির্বাচনে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টায় থাকা রিপাবলিকানদের জন্যও যুদ্ধটি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ মানুষ ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি অসন্তোষ জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, তাদের মধ্যে প্রতি চারজন রিপাবলিকানের একজনও রয়েছেন। সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এদিকে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের বিষয় জীবনযাত্রার ব্যয়।
ট্রাম্প বারবার বলেছেন, নির্বাচনের পর তেলের দাম কমবে। তবে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো পরিকল্পনা তিনি দিতে পারেননি।
সূত্র: রয়টার্স, মিডল ইস্ট আই

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এর আগে ইরানে হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমরা কোনো সময়েই ইরানে হামলা চালাব না।’
তবে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল রয়েছে বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল প্রবাহিত হচ্ছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর ইসরায়েল যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেও ট্রাম্প প্রশাসন হামলা ও অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। এ সংঘাত ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তায় চাপ তৈরি করেছে। নভেম্বরে কংগ্রেসের নির্বাচনে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টায় থাকা রিপাবলিকানদের জন্যও যুদ্ধটি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ মানুষ ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি অসন্তোষ জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, তাদের মধ্যে প্রতি চারজন রিপাবলিকানের একজনও রয়েছেন। সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এদিকে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগের বিষয় জীবনযাত্রার ব্যয়।
ট্রাম্প বারবার বলেছেন, নির্বাচনের পর তেলের দাম কমবে। তবে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো পরিকল্পনা তিনি দিতে পারেননি।
সূত্র: রয়টার্স, মিডল ইস্ট আই

ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কার আমার পাওয়া উচিত: ট্রাম্প







