সুদানে স্বর্ণের খনি ধসে নিহত ৭০, আটকা পড়েছে অনেকে

সুদানে স্বর্ণের খনি ধসে নিহত ৭০, আটকা পড়েছে অনেকে
সিজেডএন ডেস্ক

সুদানের পশ্চিম কর্ডোফান রাজ্যে এক স্বর্ণের খনি ধসে অন্তত ৭০ জন শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আল-নুহুদ শহরের কাছাকাছি আল-জারা খনিতে পাশাপাশি অবস্থিত একাধিক খনি খাদ হঠাৎ ধসে পড়ায় এ বিপর্যয় ঘটে। এতে বহু শ্রমিক ভেতরে আটকা পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলে কোনো পেশাদার উদ্ধারকারী দল না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা জীবিতদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা খায়ের আল-সায়েদ জাবারা বলেন, তিনি ও তার সহকর্মীরা ভেতরে থাকা মানুষগুলোর কাছে পৌঁছানোর জন্য সারা রাত নিজেদের সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে মাটি খুঁড়ে গেছেন, অথচ সেখানে ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, ‘ভেতরে আরও কতজন আছে তা আমরা জানি না।’ অপর খনি শ্রমিক আমিন সুলেইমান জানান, খনিমুখগুলো এতটাই কাছাকাছি ছিল যে একটি ধসে পড়লে সেটি তার পাশেরটিকেও নামিয়ে ফেলত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব এবং উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জামের ঘাটতিই এতগুলো মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। খার্তুমভিত্তিক চিকিৎসা গোষ্ঠী সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তারা আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কর্মীদের জন্য মৌলিক সুরক্ষাব্যবস্থার মারাত্মক অভাব ছিল।
বর্তমানে পশ্চিম কর্ডোফান এলাকাটি আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বা আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্বর্ণ চোরাচালানই গোষ্ঠীটির আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। এই পরিস্থিতি নিয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে আরএসএফ-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় খনির কার্যক্রম বেসামরিক নাগরিকদের জীবনের জন্য বড় হুমকি।
দুর্যোগের পর অবিলম্বে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা এবং আহতদের জন্য চিকিৎসা ও লজিস্টিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এলাকার নিয়ন্ত্রণকারীদের কাছে অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে খনি খনন অবিলম্বে বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সুদান আফ্রিকার অন্যতম প্রধান স্বর্ণ উৎপাদনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও এর বেশিরভাগ মূল্যবান ধাতু নিষ্কাশন করা হয় কোনো ধরনের নিয়মকানুন ও পরিকল্পনা ছাড়া, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনানুষ্ঠানিক উপায়ে পরিচালিত হয়ে থাকে।
সূত্র: আল জাজিরা

সুদানের পশ্চিম কর্ডোফান রাজ্যে এক স্বর্ণের খনি ধসে অন্তত ৭০ জন শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আল-নুহুদ শহরের কাছাকাছি আল-জারা খনিতে পাশাপাশি অবস্থিত একাধিক খনি খাদ হঠাৎ ধসে পড়ায় এ বিপর্যয় ঘটে। এতে বহু শ্রমিক ভেতরে আটকা পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলে কোনো পেশাদার উদ্ধারকারী দল না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা জীবিতদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা খায়ের আল-সায়েদ জাবারা বলেন, তিনি ও তার সহকর্মীরা ভেতরে থাকা মানুষগুলোর কাছে পৌঁছানোর জন্য সারা রাত নিজেদের সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে মাটি খুঁড়ে গেছেন, অথচ সেখানে ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, ‘ভেতরে আরও কতজন আছে তা আমরা জানি না।’ অপর খনি শ্রমিক আমিন সুলেইমান জানান, খনিমুখগুলো এতটাই কাছাকাছি ছিল যে একটি ধসে পড়লে সেটি তার পাশেরটিকেও নামিয়ে ফেলত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব এবং উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জামের ঘাটতিই এতগুলো মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। খার্তুমভিত্তিক চিকিৎসা গোষ্ঠী সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তারা আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কর্মীদের জন্য মৌলিক সুরক্ষাব্যবস্থার মারাত্মক অভাব ছিল।
বর্তমানে পশ্চিম কর্ডোফান এলাকাটি আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বা আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্বর্ণ চোরাচালানই গোষ্ঠীটির আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। এই পরিস্থিতি নিয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে আরএসএফ-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় খনির কার্যক্রম বেসামরিক নাগরিকদের জীবনের জন্য বড় হুমকি।
দুর্যোগের পর অবিলম্বে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা এবং আহতদের জন্য চিকিৎসা ও লজিস্টিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এলাকার নিয়ন্ত্রণকারীদের কাছে অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে খনি খনন অবিলম্বে বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সুদান আফ্রিকার অন্যতম প্রধান স্বর্ণ উৎপাদনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও এর বেশিরভাগ মূল্যবান ধাতু নিষ্কাশন করা হয় কোনো ধরনের নিয়মকানুন ও পরিকল্পনা ছাড়া, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনানুষ্ঠানিক উপায়ে পরিচালিত হয়ে থাকে।
সূত্র: আল জাজিরা

সুদানে স্বর্ণের খনি ধসে নিহত ৭০, আটকা পড়েছে অনেকে
সিজেডএন ডেস্ক

সুদানের পশ্চিম কর্ডোফান রাজ্যে এক স্বর্ণের খনি ধসে অন্তত ৭০ জন শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আল-নুহুদ শহরের কাছাকাছি আল-জারা খনিতে পাশাপাশি অবস্থিত একাধিক খনি খাদ হঠাৎ ধসে পড়ায় এ বিপর্যয় ঘটে। এতে বহু শ্রমিক ভেতরে আটকা পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলে কোনো পেশাদার উদ্ধারকারী দল না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা জীবিতদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা খায়ের আল-সায়েদ জাবারা বলেন, তিনি ও তার সহকর্মীরা ভেতরে থাকা মানুষগুলোর কাছে পৌঁছানোর জন্য সারা রাত নিজেদের সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে মাটি খুঁড়ে গেছেন, অথচ সেখানে ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, ‘ভেতরে আরও কতজন আছে তা আমরা জানি না।’ অপর খনি শ্রমিক আমিন সুলেইমান জানান, খনিমুখগুলো এতটাই কাছাকাছি ছিল যে একটি ধসে পড়লে সেটি তার পাশেরটিকেও নামিয়ে ফেলত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ন্যূনতম নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব এবং উদ্ধারকাজের জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জামের ঘাটতিই এতগুলো মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। খার্তুমভিত্তিক চিকিৎসা গোষ্ঠী সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তারা আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কর্মীদের জন্য মৌলিক সুরক্ষাব্যবস্থার মারাত্মক অভাব ছিল।
বর্তমানে পশ্চিম কর্ডোফান এলাকাটি আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বা আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্বর্ণ চোরাচালানই গোষ্ঠীটির আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। এই পরিস্থিতি নিয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে আরএসএফ-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় খনির কার্যক্রম বেসামরিক নাগরিকদের জীবনের জন্য বড় হুমকি।
দুর্যোগের পর অবিলম্বে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা এবং আহতদের জন্য চিকিৎসা ও লজিস্টিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এলাকার নিয়ন্ত্রণকারীদের কাছে অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে খনি খনন অবিলম্বে বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সুদান আফ্রিকার অন্যতম প্রধান স্বর্ণ উৎপাদনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও এর বেশিরভাগ মূল্যবান ধাতু নিষ্কাশন করা হয় কোনো ধরনের নিয়মকানুন ও পরিকল্পনা ছাড়া, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনানুষ্ঠানিক উপায়ে পরিচালিত হয়ে থাকে।
সূত্র: আল জাজিরা

সুদানের উত্তর কর্ডোফানে ড্রোন হামলায় নিহত ১১







