পশ্চিম আফ্রিকায় মাদক আতঙ্ক, নেপথ্যে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিম আফ্রিকায় মাদক আতঙ্ক, নেপথ্যে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৯: ৪৫

ছবি: সংগৃহীত
ভারত থেকে পাচার হওয়া অনুমোদনহীন সিনথেটিক ওপিওয়েড ট্যাবলেট ট্যাপেন্টাডল পশ্চিম আফ্রিকায় এক ভয়াবহ মানবিক ও স্বাস্থ্য বিপর্যয় ডেকে এনেছে। শক্তিশালী এ ব্যথানাশকটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত কুখ্যাত জম্বি ড্রাগ কুশের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করায় নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওন ও ঘানার মতো দেশগুলোতে মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে বলে সংবাদ সংস্থা এএফপির এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাপী কোনো স্বীকৃত ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন না থাকলেও প্রতি মাসে কোটি কোটি ডলারের এ মাদক অবৈধ পথে পশ্চিম আফ্রিকার বাজারগুলোতে প্রবেশ করছে, যা ইতোমধ্যে জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করেছে।
তদন্তে দেখা গেছে, সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউনে গত তিন মাসে এই মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় অন্তত ৪০০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারকারীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এসব ওপিওয়েড চালানের গায়ে ক্ষতিহীন পণ্য হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করছে, অথচ বাস্তবে এগুলো উচ্চমাত্রার ওপিওয়েড যা অনেক দেশেই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অভিযোগ উঠেছে, ভারতের কিছু ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি নিয়মিতভাবে এ প্রাণঘাতী পণ্য রপ্তানি করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক, খনি শ্রমিক এবং বাজারের কুলিদের মতো দরিদ্র শ্রেণির কঠোর পরিশ্রমী মানুষ দীর্ঘক্ষণ কাজ করার শক্তি পেতে এ ওষুধ ব্যবহার করছেন, যা তাদের অজান্তেই চরম আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
নাইজেরিয়ার মাদকবিরোধী সংস্থার তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে গাজার পর ওপিওয়েড এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত মাদক এবং গত ২ বছরে সেখানে রেকর্ড পরিমাণ বড়ি জব্দ করা হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যরাও এখন এ মাদক ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গবেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বাজারে অনেক সময় এই ট্যাবলেটকে ট্রামাডল হিসেবে বিক্রি করা হলেও এটি সাধারণ ট্রামাডলের তুলনায় অন্তত দুই থেকে তিন গুণ বেশি শক্তিশালী।
বর্তমানে এ মাদকের নীল থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোমলমতি শিশুরাও। সিয়েরা লিওনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড়ি ভেঙে এনার্জি ড্রিংকের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। যদিও ভারত সরকার অবৈধ মাদক বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে রপ্তানি ও পাচার বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বল নজরদারি ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণেই এ আন্তঃদেশীয় মাদক সংকট দিন দিন আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সূত্র: ডন

ভারত থেকে পাচার হওয়া অনুমোদনহীন সিনথেটিক ওপিওয়েড ট্যাবলেট ট্যাপেন্টাডল পশ্চিম আফ্রিকায় এক ভয়াবহ মানবিক ও স্বাস্থ্য বিপর্যয় ডেকে এনেছে। শক্তিশালী এ ব্যথানাশকটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত কুখ্যাত জম্বি ড্রাগ কুশের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করায় নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওন ও ঘানার মতো দেশগুলোতে মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে বলে সংবাদ সংস্থা এএফপির এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাপী কোনো স্বীকৃত ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন না থাকলেও প্রতি মাসে কোটি কোটি ডলারের এ মাদক অবৈধ পথে পশ্চিম আফ্রিকার বাজারগুলোতে প্রবেশ করছে, যা ইতোমধ্যে জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করেছে।
তদন্তে দেখা গেছে, সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউনে গত তিন মাসে এই মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় অন্তত ৪০০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারকারীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এসব ওপিওয়েড চালানের গায়ে ক্ষতিহীন পণ্য হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করছে, অথচ বাস্তবে এগুলো উচ্চমাত্রার ওপিওয়েড যা অনেক দেশেই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অভিযোগ উঠেছে, ভারতের কিছু ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি নিয়মিতভাবে এ প্রাণঘাতী পণ্য রপ্তানি করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক, খনি শ্রমিক এবং বাজারের কুলিদের মতো দরিদ্র শ্রেণির কঠোর পরিশ্রমী মানুষ দীর্ঘক্ষণ কাজ করার শক্তি পেতে এ ওষুধ ব্যবহার করছেন, যা তাদের অজান্তেই চরম আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
নাইজেরিয়ার মাদকবিরোধী সংস্থার তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে গাজার পর ওপিওয়েড এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত মাদক এবং গত ২ বছরে সেখানে রেকর্ড পরিমাণ বড়ি জব্দ করা হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যরাও এখন এ মাদক ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গবেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বাজারে অনেক সময় এই ট্যাবলেটকে ট্রামাডল হিসেবে বিক্রি করা হলেও এটি সাধারণ ট্রামাডলের তুলনায় অন্তত দুই থেকে তিন গুণ বেশি শক্তিশালী।
বর্তমানে এ মাদকের নীল থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোমলমতি শিশুরাও। সিয়েরা লিওনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড়ি ভেঙে এনার্জি ড্রিংকের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। যদিও ভারত সরকার অবৈধ মাদক বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে রপ্তানি ও পাচার বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বল নজরদারি ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণেই এ আন্তঃদেশীয় মাদক সংকট দিন দিন আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সূত্র: ডন

পশ্চিম আফ্রিকায় মাদক আতঙ্ক, নেপথ্যে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৯: ৪৫

ছবি: সংগৃহীত
ভারত থেকে পাচার হওয়া অনুমোদনহীন সিনথেটিক ওপিওয়েড ট্যাবলেট ট্যাপেন্টাডল পশ্চিম আফ্রিকায় এক ভয়াবহ মানবিক ও স্বাস্থ্য বিপর্যয় ডেকে এনেছে। শক্তিশালী এ ব্যথানাশকটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত কুখ্যাত জম্বি ড্রাগ কুশের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করায় নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওন ও ঘানার মতো দেশগুলোতে মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে বলে সংবাদ সংস্থা এএফপির এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাপী কোনো স্বীকৃত ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন না থাকলেও প্রতি মাসে কোটি কোটি ডলারের এ মাদক অবৈধ পথে পশ্চিম আফ্রিকার বাজারগুলোতে প্রবেশ করছে, যা ইতোমধ্যে জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করেছে।
তদন্তে দেখা গেছে, সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউনে গত তিন মাসে এই মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় অন্তত ৪০০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারকারীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এসব ওপিওয়েড চালানের গায়ে ক্ষতিহীন পণ্য হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করছে, অথচ বাস্তবে এগুলো উচ্চমাত্রার ওপিওয়েড যা অনেক দেশেই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অভিযোগ উঠেছে, ভারতের কিছু ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি নিয়মিতভাবে এ প্রাণঘাতী পণ্য রপ্তানি করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক, খনি শ্রমিক এবং বাজারের কুলিদের মতো দরিদ্র শ্রেণির কঠোর পরিশ্রমী মানুষ দীর্ঘক্ষণ কাজ করার শক্তি পেতে এ ওষুধ ব্যবহার করছেন, যা তাদের অজান্তেই চরম আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
নাইজেরিয়ার মাদকবিরোধী সংস্থার তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে গাজার পর ওপিওয়েড এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত মাদক এবং গত ২ বছরে সেখানে রেকর্ড পরিমাণ বড়ি জব্দ করা হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যরাও এখন এ মাদক ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গবেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বাজারে অনেক সময় এই ট্যাবলেটকে ট্রামাডল হিসেবে বিক্রি করা হলেও এটি সাধারণ ট্রামাডলের তুলনায় অন্তত দুই থেকে তিন গুণ বেশি শক্তিশালী।
বর্তমানে এ মাদকের নীল থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোমলমতি শিশুরাও। সিয়েরা লিওনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড়ি ভেঙে এনার্জি ড্রিংকের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। যদিও ভারত সরকার অবৈধ মাদক বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে রপ্তানি ও পাচার বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বল নজরদারি ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির কারণেই এ আন্তঃদেশীয় মাদক সংকট দিন দিন আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সূত্র: ডন
/এমএকে/

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে যাত্রীবাহী ফেরিডুবি; নিহত ৫৮


