হাম প্রতিরোধে ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে সরকার

হাম প্রতিরোধে ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে সরকার
বিশেষ প্রতিনিধি

হাম ও রাতকানাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে তিন লাখ আন্তর্জাতিক ইউনিট (আই ইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কিনছে সরকার। আজ শনিবার (২৩ মে) অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহের জন্য আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল–ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তিন লাখ ইউনিট ক্যাপসুল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখানে টাকার অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী জুন মাসে সরকার শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে। এ জন্য ইউনিসেফের সহায়তায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কিনছে। বিশেষ করে শিশুদের বয়স বিবেচনায় লাল ও নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তারই অংশ হিসেবে সরকার তিন লাখ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে।
জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (ক্রয় ও সংগ্রহ শাখা) মোহাম্মদ সফিউল আলম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ১৪ কোটি ৭১ লাখ টাকার বিনিময়ে সরকার ইউনিসেফের সহায়তায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে। আগামী জুন মাসে দেশব্যাপী ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ক্যাপসুল কেনা ও সরবরাহ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের নীল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হয়। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস (১ থেকে ৫ বছর) বয়সি শিশুদের জন্য লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
জানা গেছে, এই ক্যাপসুল মূলত শরীরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতি পূরণে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রোগ ও জটিল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষ করে রাতকানা রোগ, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অন্ধত্বের ঝুঁকি, হাম হলে জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং শিশুদের অপুষ্টিজনিত কিছু জটিলতা কমায়।

হাম ও রাতকানাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে তিন লাখ আন্তর্জাতিক ইউনিট (আই ইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কিনছে সরকার। আজ শনিবার (২৩ মে) অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহের জন্য আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল–ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তিন লাখ ইউনিট ক্যাপসুল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখানে টাকার অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী জুন মাসে সরকার শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে। এ জন্য ইউনিসেফের সহায়তায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কিনছে। বিশেষ করে শিশুদের বয়স বিবেচনায় লাল ও নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তারই অংশ হিসেবে সরকার তিন লাখ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে।
জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (ক্রয় ও সংগ্রহ শাখা) মোহাম্মদ সফিউল আলম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ১৪ কোটি ৭১ লাখ টাকার বিনিময়ে সরকার ইউনিসেফের সহায়তায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে। আগামী জুন মাসে দেশব্যাপী ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ক্যাপসুল কেনা ও সরবরাহ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের নীল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হয়। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস (১ থেকে ৫ বছর) বয়সি শিশুদের জন্য লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
জানা গেছে, এই ক্যাপসুল মূলত শরীরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতি পূরণে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রোগ ও জটিল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষ করে রাতকানা রোগ, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অন্ধত্বের ঝুঁকি, হাম হলে জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং শিশুদের অপুষ্টিজনিত কিছু জটিলতা কমায়।

হাম প্রতিরোধে ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে সরকার
বিশেষ প্রতিনিধি

হাম ও রাতকানাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে তিন লাখ আন্তর্জাতিক ইউনিট (আই ইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কিনছে সরকার। আজ শনিবার (২৩ মে) অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহের জন্য আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল–ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তিন লাখ ইউনিট ক্যাপসুল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখানে টাকার অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী জুন মাসে সরকার শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে। এ জন্য ইউনিসেফের সহায়তায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কিনছে। বিশেষ করে শিশুদের বয়স বিবেচনায় লাল ও নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তারই অংশ হিসেবে সরকার তিন লাখ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে।
জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (ক্রয় ও সংগ্রহ শাখা) মোহাম্মদ সফিউল আলম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ১৪ কোটি ৭১ লাখ টাকার বিনিময়ে সরকার ইউনিসেফের সহায়তায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিনছে। আগামী জুন মাসে দেশব্যাপী ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ক্যাপসুল কেনা ও সরবরাহ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের নীল রঙের একটি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হয়। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস (১ থেকে ৫ বছর) বয়সি শিশুদের জন্য লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
জানা গেছে, এই ক্যাপসুল মূলত শরীরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতি পূরণে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রোগ ও জটিল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষ করে রাতকানা রোগ, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অন্ধত্বের ঝুঁকি, হাম হলে জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং শিশুদের অপুষ্টিজনিত কিছু জটিলতা কমায়।




