
সিটিজেন ডেস্ক


ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার তাদের নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা তাংসিরির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইসরায়েল চার দিন আগে তাকে হত্যার দাবি করার পর এই নিশ্চিত করার ঘটনা সামনে এলো।
দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, বাহিনীকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করার সময় তিনি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন এবং পরে আঘাতজনিত কারণে মারা যান। তবে ঠিক কবে তার মৃত্যু হয়েছে বা কী ধরনের আঘাত পেয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
গত সপ্তাহে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল, তারা আইআরজিসির নৌবাহিনীর কমান্ডারকে হত্যা করেছে। হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা ও অবরোধ কার্যক্রমে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর তাংগসিরি আরও বেশি সক্রিয় ও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছিলেন। হরমুজ প্রণালি প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার পেছনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে ধারণা করা হয়।
আইআরজিসি জানিয়েছে, এ ধরনের ক্ষতির সঙ্গে তারা অভ্যস্ত এবং তাংগসিরির মৃত্যুর পরও নৌবাহিনী শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে হামলা চালানো ও প্রণালী নিয়ন্ত্রণের কাজ অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফায় অবস্থিত বাজান তেল শোধনাগারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
খবরে বলা হয়, ইরানের হামলার পর শোধনাগার এলাকায় আগুন দেখা যায় এবং ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে ১৯ মার্চও একই স্থাপনাটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল, যা ছিল ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর উত্তর ইসরায়েলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলার আশঙ্কায় আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যৌথভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রতিশোধ নিতে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে তেহরান।
সূত্র: আল জাজিরা