থাইরয়েডের সমস্যায় যা করনীয়
সিটিজেন ডেস্ক

থাইরয়েডের সমস্যায় যা করনীয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ১৭

থাইরয়েড সমস্যা হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। ছবি: সংগৃহীত
দেশে দিন দিন বাড়ছে থাইরয়েডজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসের অসচেতনতা এবং মানসিক চাপের কারণে এই সমস্যা এখন সব বয়সী মানুষের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
থাইরয়েড হলো গলার সামনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাইপোথাইরয়েডিজম বা হাইপারথাইরয়েডিজমসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে।
থাইরয়েড হলো গলার সামনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাইপোথাইরয়েডিজম বা হাইপারথাইরয়েডিজমসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, হাইপোথাইরয়েডিজমে রোগীরা সাধারণত অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা এবং চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। অন্যদিকে, হাইপারথাইরয়েডিজমে ওজন দ্রুত কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম ও উদ্বেগের মতো লক্ষণ দেখা যায়।
চিকিৎসকদের মতে, আয়োডিনের ঘাটতি, বংশগত কারণ, অটোইমিউন রোগ এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাইরয়েড সমস্যার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে নারীরা এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সীরা এ রোগে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড শনাক্ত করা গেলে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু অবহেলা করলে হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বসহ নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।”
থাইরয়েড নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা ( টিএসএইচ, টি৩, টি৪) সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি বলে জানান চিকিৎসকরা। প্রয়োজনে আল্ট্রাসনোগ্রাম বা বায়োপসিও করা হয়।
চিকিৎসা হিসেবে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে ওষুধ দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে রেডিওআইডিন থেরাপি বা অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহবান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহবান জানানো হয়েছে।
থাইরয়েড সমস্যা এখন আর অবহেলার বিষয় নয়। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করলেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

দেশে দিন দিন বাড়ছে থাইরয়েডজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসের অসচেতনতা এবং মানসিক চাপের কারণে এই সমস্যা এখন সব বয়সী মানুষের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
থাইরয়েড হলো গলার সামনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাইপোথাইরয়েডিজম বা হাইপারথাইরয়েডিজমসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে।
থাইরয়েড হলো গলার সামনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাইপোথাইরয়েডিজম বা হাইপারথাইরয়েডিজমসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, হাইপোথাইরয়েডিজমে রোগীরা সাধারণত অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা এবং চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। অন্যদিকে, হাইপারথাইরয়েডিজমে ওজন দ্রুত কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম ও উদ্বেগের মতো লক্ষণ দেখা যায়।
চিকিৎসকদের মতে, আয়োডিনের ঘাটতি, বংশগত কারণ, অটোইমিউন রোগ এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাইরয়েড সমস্যার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে নারীরা এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সীরা এ রোগে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড শনাক্ত করা গেলে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু অবহেলা করলে হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বসহ নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।”
থাইরয়েড নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা ( টিএসএইচ, টি৩, টি৪) সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি বলে জানান চিকিৎসকরা। প্রয়োজনে আল্ট্রাসনোগ্রাম বা বায়োপসিও করা হয়।
চিকিৎসা হিসেবে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে ওষুধ দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে রেডিওআইডিন থেরাপি বা অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহবান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহবান জানানো হয়েছে।
থাইরয়েড সমস্যা এখন আর অবহেলার বিষয় নয়। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করলেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

থাইরয়েডের সমস্যায় যা করনীয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ১৭

থাইরয়েড সমস্যা হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। ছবি: সংগৃহীত
দেশে দিন দিন বাড়ছে থাইরয়েডজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসের অসচেতনতা এবং মানসিক চাপের কারণে এই সমস্যা এখন সব বয়সী মানুষের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
থাইরয়েড হলো গলার সামনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাইপোথাইরয়েডিজম বা হাইপারথাইরয়েডিজমসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে।
থাইরয়েড হলো গলার সামনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে হাইপোথাইরয়েডিজম বা হাইপারথাইরয়েডিজমসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, হাইপোথাইরয়েডিজমে রোগীরা সাধারণত অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা এবং চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন। অন্যদিকে, হাইপারথাইরয়েডিজমে ওজন দ্রুত কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম ও উদ্বেগের মতো লক্ষণ দেখা যায়।
চিকিৎসকদের মতে, আয়োডিনের ঘাটতি, বংশগত কারণ, অটোইমিউন রোগ এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাইরয়েড সমস্যার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে নারীরা এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সীরা এ রোগে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড শনাক্ত করা গেলে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু অবহেলা করলে হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বসহ নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।”
থাইরয়েড নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা ( টিএসএইচ, টি৩, টি৪) সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি বলে জানান চিকিৎসকরা। প্রয়োজনে আল্ট্রাসনোগ্রাম বা বায়োপসিও করা হয়।
চিকিৎসা হিসেবে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে ওষুধ দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে রেডিওআইডিন থেরাপি বা অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহবান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার আহবান জানানো হয়েছে।
থাইরয়েড সমস্যা এখন আর অবহেলার বিষয় নয়। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করলেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
/এসএনআর/




