যে সময়ে ধূমপান করলে মৃত্যু নিশ্চিত

যে সময়ে ধূমপান করলে মৃত্যু নিশ্চিত
সিটিজেন ডেস্ক

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর—এই সতর্কবার্তা সিগারেটের প্যাকেটে লেখা থাকলেও অনেকেই তা আমলে নেন না। তবে সাম্প্রতিক চিকিৎসা গবেষণা এক ভয়াবহ তথ্য সামনে এসেছে। সারা দিন ধূমপান করা যতটা ক্ষতিকর, সকালে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরেই ধূমপান করা তার চেয়ে বহুগুণ বেশি বিপজ্জনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘ ঘুমের পর মানুষের শরীর যখন জেগে ওঠে, তখন সেটি একটি ‘রিসেট মোডে’ থাকে। ওই সময়ে ফুসফুস অত্যন্ত স্পর্শকাতর থাকে এবং শরীরে হরমোনের মাত্রা বেশি থাকে। এই অবস্থায় তামাকের বিষাক্ত ধোঁয়া সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করলে তা অন্য সময়ের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং কার্যকরভাবে টক্সিন শোষণ করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, একজন নিয়মিত ‘চেইন স্মোকার’ সারা দিনে যে পরিমাণ ক্ষতির শিকার হন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই সিগারেট পানকারী ব্যক্তি তার চেয়েও বেশি শারীরিক ঝুঁকিতে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতে এই অভ্যাসটি মূলত নিচের তিনটি বড় বিপর্যয় ডেকে আনে-
দ্রুত ক্যান্সার সংক্রমণ: রক্তে কার্সিনোজেনের (ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান) মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। যা ফুসফুসের ক্যান্সারের পথ প্রশস্ত করে।
রক্তনালীর স্থায়ী ক্ষতি: নিকোটিনের প্রভাবে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
চা-কফির মারণ সংমিশ্রণ: অনেকে সকালে ধূমপানের পাশাপাশি চা বা কফি পান করেন। এই সংমিশ্রণ শরীরের ভেতর বিষক্রিয়া আরও তীব্রতর করে।
চিকিৎসকদের মতে, শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ঘুমের সময় রিসেট মোডে থেকে। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই বিষাক্ত ধোঁয়া সেই প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেয় এবং সরাসরি সংবেদনশীল কোষে আঘাত করে। তাই সুস্থ থাকতে ধূমপান সম্পূর্ণ বর্জনের বিকল্প নেই।

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর—এই সতর্কবার্তা সিগারেটের প্যাকেটে লেখা থাকলেও অনেকেই তা আমলে নেন না। তবে সাম্প্রতিক চিকিৎসা গবেষণা এক ভয়াবহ তথ্য সামনে এসেছে। সারা দিন ধূমপান করা যতটা ক্ষতিকর, সকালে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরেই ধূমপান করা তার চেয়ে বহুগুণ বেশি বিপজ্জনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘ ঘুমের পর মানুষের শরীর যখন জেগে ওঠে, তখন সেটি একটি ‘রিসেট মোডে’ থাকে। ওই সময়ে ফুসফুস অত্যন্ত স্পর্শকাতর থাকে এবং শরীরে হরমোনের মাত্রা বেশি থাকে। এই অবস্থায় তামাকের বিষাক্ত ধোঁয়া সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করলে তা অন্য সময়ের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং কার্যকরভাবে টক্সিন শোষণ করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, একজন নিয়মিত ‘চেইন স্মোকার’ সারা দিনে যে পরিমাণ ক্ষতির শিকার হন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই সিগারেট পানকারী ব্যক্তি তার চেয়েও বেশি শারীরিক ঝুঁকিতে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতে এই অভ্যাসটি মূলত নিচের তিনটি বড় বিপর্যয় ডেকে আনে-
দ্রুত ক্যান্সার সংক্রমণ: রক্তে কার্সিনোজেনের (ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান) মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। যা ফুসফুসের ক্যান্সারের পথ প্রশস্ত করে।
রক্তনালীর স্থায়ী ক্ষতি: নিকোটিনের প্রভাবে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
চা-কফির মারণ সংমিশ্রণ: অনেকে সকালে ধূমপানের পাশাপাশি চা বা কফি পান করেন। এই সংমিশ্রণ শরীরের ভেতর বিষক্রিয়া আরও তীব্রতর করে।
চিকিৎসকদের মতে, শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ঘুমের সময় রিসেট মোডে থেকে। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই বিষাক্ত ধোঁয়া সেই প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেয় এবং সরাসরি সংবেদনশীল কোষে আঘাত করে। তাই সুস্থ থাকতে ধূমপান সম্পূর্ণ বর্জনের বিকল্প নেই।

যে সময়ে ধূমপান করলে মৃত্যু নিশ্চিত
সিটিজেন ডেস্ক

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর—এই সতর্কবার্তা সিগারেটের প্যাকেটে লেখা থাকলেও অনেকেই তা আমলে নেন না। তবে সাম্প্রতিক চিকিৎসা গবেষণা এক ভয়াবহ তথ্য সামনে এসেছে। সারা দিন ধূমপান করা যতটা ক্ষতিকর, সকালে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরেই ধূমপান করা তার চেয়ে বহুগুণ বেশি বিপজ্জনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘ ঘুমের পর মানুষের শরীর যখন জেগে ওঠে, তখন সেটি একটি ‘রিসেট মোডে’ থাকে। ওই সময়ে ফুসফুস অত্যন্ত স্পর্শকাতর থাকে এবং শরীরে হরমোনের মাত্রা বেশি থাকে। এই অবস্থায় তামাকের বিষাক্ত ধোঁয়া সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করলে তা অন্য সময়ের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং কার্যকরভাবে টক্সিন শোষণ করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, একজন নিয়মিত ‘চেইন স্মোকার’ সারা দিনে যে পরিমাণ ক্ষতির শিকার হন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই সিগারেট পানকারী ব্যক্তি তার চেয়েও বেশি শারীরিক ঝুঁকিতে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতে এই অভ্যাসটি মূলত নিচের তিনটি বড় বিপর্যয় ডেকে আনে-
দ্রুত ক্যান্সার সংক্রমণ: রক্তে কার্সিনোজেনের (ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান) মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। যা ফুসফুসের ক্যান্সারের পথ প্রশস্ত করে।
রক্তনালীর স্থায়ী ক্ষতি: নিকোটিনের প্রভাবে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
চা-কফির মারণ সংমিশ্রণ: অনেকে সকালে ধূমপানের পাশাপাশি চা বা কফি পান করেন। এই সংমিশ্রণ শরীরের ভেতর বিষক্রিয়া আরও তীব্রতর করে।
চিকিৎসকদের মতে, শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ঘুমের সময় রিসেট মোডে থেকে। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই বিষাক্ত ধোঁয়া সেই প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেয় এবং সরাসরি সংবেদনশীল কোষে আঘাত করে। তাই সুস্থ থাকতে ধূমপান সম্পূর্ণ বর্জনের বিকল্প নেই।




