পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণে কি বিড়াল বেশি ডাকে

পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণে কি বিড়াল বেশি ডাকে
সিটিজেন জার্নাল

বিড়াল মানেই কি গম্ভীর, আত্মকেন্দ্রিক আর একা থাকতে ভালোবাসা এক প্রাণী? যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা এই ধারণাকে এবার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিড়ালরা কেবল আবেগহীন নয়, বরং তারা অত্যন্ত কৌশলী এবং বুদ্ধিমান। বিশেষ করে, নারী মালিকের তুলনায় পুরুষ মালিকদের মনোযোগ আকর্ষণে বিড়ালরা অনেক বেশি ‘মিউ’ শব্দ বা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে।
তুরস্কের বিলকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত এই গবেষণাটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ইথোলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় মোট ৪০ জন বিড়াল মালিকের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। মালিকরা যখন বাইরে থেকে ঘরে ফেরেন, প্রথম ১০০ সেকেন্ডে বিড়ালের সাথে তাদের আচরণ কেমন থাকে, তা ছোট ক্যামেরার মাধ্যমে রেকর্ড করা হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে ৩১ জনের ভিডিও বিশ্লেষণ করে এক অবাক করা মিল খুঁজে পান গবেষকরা।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘরে ফেরার পর বিড়ালরা নারীদের তুলনায় পুরুষ মালিকদের উদ্দেশ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ডাকাডাকি করে। গবেষণায় বিড়ালের বয়স, লিঙ্গ বা সংখ্যা কোনো প্রভাব ফেলেনি। প্রধান প্রভাবক ছিল মালিকের লিঙ্গ। এর পেছনে গবেষকরা দুটি সম্ভাব্য কারণ দেখিয়েছেন তা হলো:
সহজ বোঝাপড়া: সাধারণত নারীরা বিড়ালের সাথে বেশি কথা বলেন এবং তাদের প্রয়োজন দ্রুত বুঝতে পারেন। ফলে তাদের সামনে বিড়ালকে খুব একটা ডাকাডাকি করতে হয় না।
দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল: পুরুষ মালিকদের মনোযোগ পেতে বা তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে বিড়ালদের হয়তো বেশি ‘কণ্ঠশ্রম’ করতে হয়। অর্থাৎ, এটি বিড়ালের একটি বিশেষ সামাজিক কৌশল।
গবেষণা দলের প্রধান কান কেরমান বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে বিড়ালরা যান্ত্রিক কোনো প্রাণী নয়। তারা মানুষকে আলাদাভাবে চিনতে পারে এবং ব্যক্তিভেদে নিজেদের আচরণ পরিবর্তন করতে সক্ষম।
সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত প্রাণী আচরণ বিশেষজ্ঞ ডেনিস টার্নার এই গবেষণার সাথে যুক্ত না থাকলেও ফলাফলের প্রশংসা করেছেন।
তার মতে, পুরুষদের বেশি মিউ করা মানে এই নয় যে বিড়ালরা পুরুষদের বেশি পছন্দ করে। বরং এটি তাদের সামাজিক বুদ্ধিমত্তা ও অভিযোজন ক্ষমতার প্রমাণ। বিড়ালরা পরিস্থিতি বুঝে নিজেকে মানিয়ে নিতে জানে।

বিড়াল মানেই কি গম্ভীর, আত্মকেন্দ্রিক আর একা থাকতে ভালোবাসা এক প্রাণী? যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা এই ধারণাকে এবার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিড়ালরা কেবল আবেগহীন নয়, বরং তারা অত্যন্ত কৌশলী এবং বুদ্ধিমান। বিশেষ করে, নারী মালিকের তুলনায় পুরুষ মালিকদের মনোযোগ আকর্ষণে বিড়ালরা অনেক বেশি ‘মিউ’ শব্দ বা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে।
তুরস্কের বিলকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত এই গবেষণাটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ইথোলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় মোট ৪০ জন বিড়াল মালিকের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। মালিকরা যখন বাইরে থেকে ঘরে ফেরেন, প্রথম ১০০ সেকেন্ডে বিড়ালের সাথে তাদের আচরণ কেমন থাকে, তা ছোট ক্যামেরার মাধ্যমে রেকর্ড করা হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে ৩১ জনের ভিডিও বিশ্লেষণ করে এক অবাক করা মিল খুঁজে পান গবেষকরা।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘরে ফেরার পর বিড়ালরা নারীদের তুলনায় পুরুষ মালিকদের উদ্দেশ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ডাকাডাকি করে। গবেষণায় বিড়ালের বয়স, লিঙ্গ বা সংখ্যা কোনো প্রভাব ফেলেনি। প্রধান প্রভাবক ছিল মালিকের লিঙ্গ। এর পেছনে গবেষকরা দুটি সম্ভাব্য কারণ দেখিয়েছেন তা হলো:
সহজ বোঝাপড়া: সাধারণত নারীরা বিড়ালের সাথে বেশি কথা বলেন এবং তাদের প্রয়োজন দ্রুত বুঝতে পারেন। ফলে তাদের সামনে বিড়ালকে খুব একটা ডাকাডাকি করতে হয় না।
দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল: পুরুষ মালিকদের মনোযোগ পেতে বা তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে বিড়ালদের হয়তো বেশি ‘কণ্ঠশ্রম’ করতে হয়। অর্থাৎ, এটি বিড়ালের একটি বিশেষ সামাজিক কৌশল।
গবেষণা দলের প্রধান কান কেরমান বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে বিড়ালরা যান্ত্রিক কোনো প্রাণী নয়। তারা মানুষকে আলাদাভাবে চিনতে পারে এবং ব্যক্তিভেদে নিজেদের আচরণ পরিবর্তন করতে সক্ষম।
সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত প্রাণী আচরণ বিশেষজ্ঞ ডেনিস টার্নার এই গবেষণার সাথে যুক্ত না থাকলেও ফলাফলের প্রশংসা করেছেন।
তার মতে, পুরুষদের বেশি মিউ করা মানে এই নয় যে বিড়ালরা পুরুষদের বেশি পছন্দ করে। বরং এটি তাদের সামাজিক বুদ্ধিমত্তা ও অভিযোজন ক্ষমতার প্রমাণ। বিড়ালরা পরিস্থিতি বুঝে নিজেকে মানিয়ে নিতে জানে।

পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণে কি বিড়াল বেশি ডাকে
সিটিজেন জার্নাল

বিড়াল মানেই কি গম্ভীর, আত্মকেন্দ্রিক আর একা থাকতে ভালোবাসা এক প্রাণী? যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা এই ধারণাকে এবার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিড়ালরা কেবল আবেগহীন নয়, বরং তারা অত্যন্ত কৌশলী এবং বুদ্ধিমান। বিশেষ করে, নারী মালিকের তুলনায় পুরুষ মালিকদের মনোযোগ আকর্ষণে বিড়ালরা অনেক বেশি ‘মিউ’ শব্দ বা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে।
তুরস্কের বিলকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত এই গবেষণাটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ইথোলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় মোট ৪০ জন বিড়াল মালিকের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। মালিকরা যখন বাইরে থেকে ঘরে ফেরেন, প্রথম ১০০ সেকেন্ডে বিড়ালের সাথে তাদের আচরণ কেমন থাকে, তা ছোট ক্যামেরার মাধ্যমে রেকর্ড করা হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে ৩১ জনের ভিডিও বিশ্লেষণ করে এক অবাক করা মিল খুঁজে পান গবেষকরা।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘরে ফেরার পর বিড়ালরা নারীদের তুলনায় পুরুষ মালিকদের উদ্দেশ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ডাকাডাকি করে। গবেষণায় বিড়ালের বয়স, লিঙ্গ বা সংখ্যা কোনো প্রভাব ফেলেনি। প্রধান প্রভাবক ছিল মালিকের লিঙ্গ। এর পেছনে গবেষকরা দুটি সম্ভাব্য কারণ দেখিয়েছেন তা হলো:
সহজ বোঝাপড়া: সাধারণত নারীরা বিড়ালের সাথে বেশি কথা বলেন এবং তাদের প্রয়োজন দ্রুত বুঝতে পারেন। ফলে তাদের সামনে বিড়ালকে খুব একটা ডাকাডাকি করতে হয় না।
দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল: পুরুষ মালিকদের মনোযোগ পেতে বা তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে বিড়ালদের হয়তো বেশি ‘কণ্ঠশ্রম’ করতে হয়। অর্থাৎ, এটি বিড়ালের একটি বিশেষ সামাজিক কৌশল।
গবেষণা দলের প্রধান কান কেরমান বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে বিড়ালরা যান্ত্রিক কোনো প্রাণী নয়। তারা মানুষকে আলাদাভাবে চিনতে পারে এবং ব্যক্তিভেদে নিজেদের আচরণ পরিবর্তন করতে সক্ষম।
সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত প্রাণী আচরণ বিশেষজ্ঞ ডেনিস টার্নার এই গবেষণার সাথে যুক্ত না থাকলেও ফলাফলের প্রশংসা করেছেন।
তার মতে, পুরুষদের বেশি মিউ করা মানে এই নয় যে বিড়ালরা পুরুষদের বেশি পছন্দ করে। বরং এটি তাদের সামাজিক বুদ্ধিমত্তা ও অভিযোজন ক্ষমতার প্রমাণ। বিড়ালরা পরিস্থিতি বুঝে নিজেকে মানিয়ে নিতে জানে।

হজমশক্তি বাড়াতে মাটি খাচ্ছে বানর


