লোডশেডিংয়ে কপাল পুড়ছে কৃষকদের

লোডশেডিংয়ে কপাল পুড়ছে কৃষকদের
তামজিদ হাসান তুরাগ, কুড়িগ্রাম

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের কৃষকরা স্বস্তিতে নেই। বিদ্যুৎ সংকটে কপাল পুড়ছে তাদের। লোডশেডিংয়ের কারণে ধান খেতে ঠিক মতো পানিও দেওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া, অনাবাদী জমি চাষ দিতে পারছে না কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, কুড়িগ্রামে মোট আবাদি জমির পরিমাণ ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৩ হেক্টর। কৃষক প্রতি মৌসুমে কোনো না কোনো ফসল আবাদ করছে এসব জমিতে।
জেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা ফজল মিয়া। ৪০ বছর ধরে কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, ডিজেলের স্বল্পতা আর মূল্যবৃদ্ধি নতুন করে ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ হয়ে গেছে। জমি ফেটে গেলেও পর্যাপ্ত পানি দিতে পারছি না। বিরক্তির সুরে তিনি আরও বলেন, ক্ষতি হলেও কৃষি কাজ করতে হবে। অন্য কোনো উপায় নেই।
ফজলের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশে এসে দাঁড়ালেন কৃষক গফুর মিয়া। তিনি ধান খেতে পানি দেন বিদ্যুৎচালিত পাম্প দিয়ে। তিনি বলেন, পেট চালানোর জন্য কৃষি কাজ করি। বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিক মতো জমিতে পানি দিতে পারছি না।

দুপুরের তীব্র রোধে নিজের পাট খেতে নিড়ানি দিচ্ছেলেন রহমত মিয়া। এবার ৩৫ শতক জমিতে পাট চাষ করছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বীজের দাম বেশি, সারের দাম বেশি, কীটনাশকের দাম বেশি, এবার বাড়লো ডিজেলের দাম। আমরা কই যামো। কৃষক তো কোনো লাভে নেই।
তবে ডিজেলের দাম বাড়ায় ক্ষোভ নেই সদর উপজেলার কৃষক সানাউল মিয়ার। তিনি বলেন, দাম বাড়ছে মানছি, কিন্তু ডিজেল তো পাচ্ছি না।
লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করেছেন কুড়িগ্রাম-লালমিনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যবস্থাপক শামীম পারভেজ। তিনি বলেন, আমাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৭২ হাজার। দৈনিক গড় চাহিদা ৭৫ থেকে ৮০ মেগাওয়াট। কুড়িগ্রামে গড়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পযন্ত লোডশেডিং হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ( খামারবাড়ি) উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, কৃষকরা যেন প্রয়োজন মতো ডিজেল পায় সেই জন্য জেলার সব উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি কোনো কৃষক ডিজেল না পায় তাহলে কৃষি কর্মকর্তা প্রত্যয়ন ( স্লিপ) দিবে, সেই প্রত্যয়ন দিয়ে কৃষক পাম্প থেকে ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবে।

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের কৃষকরা স্বস্তিতে নেই। বিদ্যুৎ সংকটে কপাল পুড়ছে তাদের। লোডশেডিংয়ের কারণে ধান খেতে ঠিক মতো পানিও দেওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া, অনাবাদী জমি চাষ দিতে পারছে না কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, কুড়িগ্রামে মোট আবাদি জমির পরিমাণ ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৩ হেক্টর। কৃষক প্রতি মৌসুমে কোনো না কোনো ফসল আবাদ করছে এসব জমিতে।
জেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা ফজল মিয়া। ৪০ বছর ধরে কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, ডিজেলের স্বল্পতা আর মূল্যবৃদ্ধি নতুন করে ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ হয়ে গেছে। জমি ফেটে গেলেও পর্যাপ্ত পানি দিতে পারছি না। বিরক্তির সুরে তিনি আরও বলেন, ক্ষতি হলেও কৃষি কাজ করতে হবে। অন্য কোনো উপায় নেই।
ফজলের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশে এসে দাঁড়ালেন কৃষক গফুর মিয়া। তিনি ধান খেতে পানি দেন বিদ্যুৎচালিত পাম্প দিয়ে। তিনি বলেন, পেট চালানোর জন্য কৃষি কাজ করি। বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিক মতো জমিতে পানি দিতে পারছি না।

দুপুরের তীব্র রোধে নিজের পাট খেতে নিড়ানি দিচ্ছেলেন রহমত মিয়া। এবার ৩৫ শতক জমিতে পাট চাষ করছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বীজের দাম বেশি, সারের দাম বেশি, কীটনাশকের দাম বেশি, এবার বাড়লো ডিজেলের দাম। আমরা কই যামো। কৃষক তো কোনো লাভে নেই।
তবে ডিজেলের দাম বাড়ায় ক্ষোভ নেই সদর উপজেলার কৃষক সানাউল মিয়ার। তিনি বলেন, দাম বাড়ছে মানছি, কিন্তু ডিজেল তো পাচ্ছি না।
লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করেছেন কুড়িগ্রাম-লালমিনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যবস্থাপক শামীম পারভেজ। তিনি বলেন, আমাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৭২ হাজার। দৈনিক গড় চাহিদা ৭৫ থেকে ৮০ মেগাওয়াট। কুড়িগ্রামে গড়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পযন্ত লোডশেডিং হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ( খামারবাড়ি) উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, কৃষকরা যেন প্রয়োজন মতো ডিজেল পায় সেই জন্য জেলার সব উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি কোনো কৃষক ডিজেল না পায় তাহলে কৃষি কর্মকর্তা প্রত্যয়ন ( স্লিপ) দিবে, সেই প্রত্যয়ন দিয়ে কৃষক পাম্প থেকে ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবে।

লোডশেডিংয়ে কপাল পুড়ছে কৃষকদের
তামজিদ হাসান তুরাগ, কুড়িগ্রাম

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের কৃষকরা স্বস্তিতে নেই। বিদ্যুৎ সংকটে কপাল পুড়ছে তাদের। লোডশেডিংয়ের কারণে ধান খেতে ঠিক মতো পানিও দেওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া, অনাবাদী জমি চাষ দিতে পারছে না কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, কুড়িগ্রামে মোট আবাদি জমির পরিমাণ ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৩ হেক্টর। কৃষক প্রতি মৌসুমে কোনো না কোনো ফসল আবাদ করছে এসব জমিতে।
জেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা ফজল মিয়া। ৪০ বছর ধরে কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, ডিজেলের স্বল্পতা আর মূল্যবৃদ্ধি নতুন করে ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ হয়ে গেছে। জমি ফেটে গেলেও পর্যাপ্ত পানি দিতে পারছি না। বিরক্তির সুরে তিনি আরও বলেন, ক্ষতি হলেও কৃষি কাজ করতে হবে। অন্য কোনো উপায় নেই।
ফজলের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশে এসে দাঁড়ালেন কৃষক গফুর মিয়া। তিনি ধান খেতে পানি দেন বিদ্যুৎচালিত পাম্প দিয়ে। তিনি বলেন, পেট চালানোর জন্য কৃষি কাজ করি। বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিক মতো জমিতে পানি দিতে পারছি না।

দুপুরের তীব্র রোধে নিজের পাট খেতে নিড়ানি দিচ্ছেলেন রহমত মিয়া। এবার ৩৫ শতক জমিতে পাট চাষ করছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বীজের দাম বেশি, সারের দাম বেশি, কীটনাশকের দাম বেশি, এবার বাড়লো ডিজেলের দাম। আমরা কই যামো। কৃষক তো কোনো লাভে নেই।
তবে ডিজেলের দাম বাড়ায় ক্ষোভ নেই সদর উপজেলার কৃষক সানাউল মিয়ার। তিনি বলেন, দাম বাড়ছে মানছি, কিন্তু ডিজেল তো পাচ্ছি না।
লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করেছেন কুড়িগ্রাম-লালমিনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যবস্থাপক শামীম পারভেজ। তিনি বলেন, আমাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৭২ হাজার। দৈনিক গড় চাহিদা ৭৫ থেকে ৮০ মেগাওয়াট। কুড়িগ্রামে গড়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পযন্ত লোডশেডিং হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ( খামারবাড়ি) উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, কৃষকরা যেন প্রয়োজন মতো ডিজেল পায় সেই জন্য জেলার সব উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি কোনো কৃষক ডিজেল না পায় তাহলে কৃষি কর্মকর্তা প্রত্যয়ন ( স্লিপ) দিবে, সেই প্রত্যয়ন দিয়ে কৃষক পাম্প থেকে ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবে।




