হাসপাতালে রোগীদের খাবার সরবরাহে অনিয়ম

হাসপাতালে রোগীদের খাবার সরবরাহে অনিয়ম
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য নির্ধারিত খাদ্য সরবরাহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি তালিকায় প্রতিদিন রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার থাকলেও বাস্তবে তেমনটা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তালিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন রোগীদের নির্ধারিত খাবারের মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের চাল, ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, সবজি, দুধ ও ফলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। সকালের নাশতা, দুপুর ও রাতের খাবার মিলিয়ে প্রতিজনের জন্য দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্য সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে তা ভিন্ন।
ভুক্তভোগী রোগীরা জানান, সকালে দেওয়া হয় এক পিস পাউরুটি, একটি সিদ্ধ ডিম, সামান্য চিনি ও ছোট আকারের চিনিচাম্পা কলা। তালিকায় নির্ধারিত মান ও পরিমাণ বজায় রাখা হচ্ছে না। দুপুরে মাছ দেওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ দিন দেওয়া হয় মুরগির মাংস, তাও নির্ধারিত ওজনের কম। দেওয়া হয় নামমাত্র পাতলা ডাল।
চিকিৎসাধীন রোগী হয়রত আলী, আজিজুল, মিম ও ফিরোজা বেগম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর খাবার ঠিক মতো পাচ্ছি না। মাছ ছোট ও সবজি প্রায়ই দেওয়া হয় না। অনেক সময় রাতে ১০ থেকে ১৫ জন রোগী খাবারই পান না।
হাসপাতালের রান্নার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাবুর্চি মজনু ফকির বলেন, আজকে রুই মাছ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলভার কার্প মাছ দিয়েছে। ঠিকাদার সবকিছুই কম দেন।
সিনিয়র স্টাফ নার্স (ইনচার্জ) মিল্টন রাকসাম বলেন, খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সোহরাব হোসাইন লিংকন বলেন, ঠিকাদার মের্সাস চৌধুরী সিন্ডিকেটকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার মের্সাস চৌধুরী সিন্ডিকেটের মালিক আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, আমি সরাসরি ঠিকাদারি করি না। আমার লাইসেন্স শোয়েব নামে একজন ব্যবহার করছেন। অনিয়মের বিষয়ে আমার জানা নেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি রোগীদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৭৫ টাকার খাবার বরাদ্দ রয়েছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাত, মাছ, মাংস ও ডিম দেওয়ার কথা। বিশেষ দিনগুলোতে উন্নতমানের খাবার যেমন পোলাও ও খাসির মাংস দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে এসবের অনেক কিছুই মিলছে না।
এ বিষয়ে নেত্রকোনার সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মাওলা বলেন, এর আগে কেউ আমাকে বিষয়টি জানায়নি। দ্রুত খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কলমাকান্দা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শেখ শামীম বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকারও।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য নির্ধারিত খাদ্য সরবরাহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি তালিকায় প্রতিদিন রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার থাকলেও বাস্তবে তেমনটা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তালিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন রোগীদের নির্ধারিত খাবারের মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের চাল, ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, সবজি, দুধ ও ফলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। সকালের নাশতা, দুপুর ও রাতের খাবার মিলিয়ে প্রতিজনের জন্য দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্য সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে তা ভিন্ন।
ভুক্তভোগী রোগীরা জানান, সকালে দেওয়া হয় এক পিস পাউরুটি, একটি সিদ্ধ ডিম, সামান্য চিনি ও ছোট আকারের চিনিচাম্পা কলা। তালিকায় নির্ধারিত মান ও পরিমাণ বজায় রাখা হচ্ছে না। দুপুরে মাছ দেওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ দিন দেওয়া হয় মুরগির মাংস, তাও নির্ধারিত ওজনের কম। দেওয়া হয় নামমাত্র পাতলা ডাল।
চিকিৎসাধীন রোগী হয়রত আলী, আজিজুল, মিম ও ফিরোজা বেগম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর খাবার ঠিক মতো পাচ্ছি না। মাছ ছোট ও সবজি প্রায়ই দেওয়া হয় না। অনেক সময় রাতে ১০ থেকে ১৫ জন রোগী খাবারই পান না।
হাসপাতালের রান্নার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাবুর্চি মজনু ফকির বলেন, আজকে রুই মাছ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলভার কার্প মাছ দিয়েছে। ঠিকাদার সবকিছুই কম দেন।
সিনিয়র স্টাফ নার্স (ইনচার্জ) মিল্টন রাকসাম বলেন, খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সোহরাব হোসাইন লিংকন বলেন, ঠিকাদার মের্সাস চৌধুরী সিন্ডিকেটকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার মের্সাস চৌধুরী সিন্ডিকেটের মালিক আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, আমি সরাসরি ঠিকাদারি করি না। আমার লাইসেন্স শোয়েব নামে একজন ব্যবহার করছেন। অনিয়মের বিষয়ে আমার জানা নেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি রোগীদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৭৫ টাকার খাবার বরাদ্দ রয়েছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাত, মাছ, মাংস ও ডিম দেওয়ার কথা। বিশেষ দিনগুলোতে উন্নতমানের খাবার যেমন পোলাও ও খাসির মাংস দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে এসবের অনেক কিছুই মিলছে না।
এ বিষয়ে নেত্রকোনার সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মাওলা বলেন, এর আগে কেউ আমাকে বিষয়টি জানায়নি। দ্রুত খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কলমাকান্দা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শেখ শামীম বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকারও।

হাসপাতালে রোগীদের খাবার সরবরাহে অনিয়ম
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য নির্ধারিত খাদ্য সরবরাহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি তালিকায় প্রতিদিন রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার থাকলেও বাস্তবে তেমনটা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তালিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন রোগীদের নির্ধারিত খাবারের মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের চাল, ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, সবজি, দুধ ও ফলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। সকালের নাশতা, দুপুর ও রাতের খাবার মিলিয়ে প্রতিজনের জন্য দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্য সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে তা ভিন্ন।
ভুক্তভোগী রোগীরা জানান, সকালে দেওয়া হয় এক পিস পাউরুটি, একটি সিদ্ধ ডিম, সামান্য চিনি ও ছোট আকারের চিনিচাম্পা কলা। তালিকায় নির্ধারিত মান ও পরিমাণ বজায় রাখা হচ্ছে না। দুপুরে মাছ দেওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ দিন দেওয়া হয় মুরগির মাংস, তাও নির্ধারিত ওজনের কম। দেওয়া হয় নামমাত্র পাতলা ডাল।
চিকিৎসাধীন রোগী হয়রত আলী, আজিজুল, মিম ও ফিরোজা বেগম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর খাবার ঠিক মতো পাচ্ছি না। মাছ ছোট ও সবজি প্রায়ই দেওয়া হয় না। অনেক সময় রাতে ১০ থেকে ১৫ জন রোগী খাবারই পান না।
হাসপাতালের রান্নার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাবুর্চি মজনু ফকির বলেন, আজকে রুই মাছ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলভার কার্প মাছ দিয়েছে। ঠিকাদার সবকিছুই কম দেন।
সিনিয়র স্টাফ নার্স (ইনচার্জ) মিল্টন রাকসাম বলেন, খাবারের মান ও পরিমাণ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সোহরাব হোসাইন লিংকন বলেন, ঠিকাদার মের্সাস চৌধুরী সিন্ডিকেটকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার মের্সাস চৌধুরী সিন্ডিকেটের মালিক আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, আমি সরাসরি ঠিকাদারি করি না। আমার লাইসেন্স শোয়েব নামে একজন ব্যবহার করছেন। অনিয়মের বিষয়ে আমার জানা নেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি রোগীদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৭৫ টাকার খাবার বরাদ্দ রয়েছে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাত, মাছ, মাংস ও ডিম দেওয়ার কথা। বিশেষ দিনগুলোতে উন্নতমানের খাবার যেমন পোলাও ও খাসির মাংস দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে এসবের অনেক কিছুই মিলছে না।
এ বিষয়ে নেত্রকোনার সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মাওলা বলেন, এর আগে কেউ আমাকে বিষয়টি জানায়নি। দ্রুত খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কলমাকান্দা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শেখ শামীম বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকারও।




