রূপপুর গ্রীন সিটি- আধুনিক ও পরিকল্পিত আঞ্চলিক শহর

রূপপুর গ্রীন সিটি- আধুনিক ও পরিকল্পিত আঞ্চলিক শহর
সেলিনা আক্তার

একসময় পদ্মা তীরের নিভৃত গ্রাম। চারদিকে ছিল কৃষিজমি আর জনবসতির ছাপ। সেই অজপাড়া গাঁয়ের চিত্রই বদলে দিয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে ওঠা আবাসন প্রকল্প ‘গ্রিন সিটি’। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের অধিকাংশ নির্মাণকাজ শেষ করে নতুন এক আধুনিক নগরায়ণের উদাহরণ তৈরি করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৩৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে এই আবাসন প্রকল্প। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল প্রকল্প এলাকা পাবনার পদ্মা নদীর তীরঘেঁষা রূপপুর গ্রামে হলেও পাশের দিয়াড় সাহাপুর গ্রাম এখন সবার কাছে পরিচিত ‘গ্রিন সিটি’ নামে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের নকশায় ৩ হাজার ২৮৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বেশিরভাগ অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ২১টি সুউচ্চ ভবন। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি ২০ তলা ভবন, যেখানে প্রতিটি তলায় ৮৫০ বর্গফুটের ছয়টি করে ইউনিট রয়েছে। এছাড়া আটটি ১৬ তলা ভবনে প্রতিটি তলায় ১ হাজার ২৫০ বর্গফুটের ছয়টি করে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। একই আয়তনের ফ্ল্যাট সুবিধাসহ আরও আটটি ২০ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ১ হাজার ৫০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটসমৃদ্ধ দুটি ১৬ তলা ভবনের নির্মাণকাজও শেষ হয়েছে। এসব ভবনের ৭২টি ফ্ল্যাট ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, শুধু আবাসন নয়, নাগরিক সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। একটি পর্যটন বার কাম রেস্টুরেন্ট নির্মাণ শেষে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। অফিস কাম ১০০ শয্যার গেস্ট হাউস, নিরাপত্তা ব্যারাক এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এসটিপির কাজও শেষ হয়েছে। ছয় একর এলাকাজুড়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে পাঁচটি ডিপ টিউবওয়েল। সবুজায়ন নিশ্চিত করতে চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাল্টিপারপাস বা কমার্শিয়াল ভবন, মসজিদ এবং ১ হাজার ৮০০ ও ২ হাজার ৫০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ তৃতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
গ্রিন সিটির নির্মাণযজ্ঞের শুরু থেকেই ছিল ব্যতিক্রমী গতি। মাত্র ১৩ মাসে সম্পূর্ণ করে দুটি ২০ তলা ভবন হস্তান্তর করে পাবনা গণপূর্ত বিভাগ। প্রতিটি ভবনে দিন-রাত মিলিয়ে প্রায় ৫০০ শ্রমিক কাজ করেছেন বলে জানা যায়।

জানা গেছে, বর্তমানে এই আবাসন নগরীতে প্রায় ৬ হাজার দেশি-বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন। প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ হলে ১০ হাজারের বেশি মানুষের আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আধুনিক ও মানসম্মত স্থাপনা নির্মাণে বিশেষ দক্ষ জনবল ও কারিগরি সক্ষমতা প্রয়োজন হয়, যা গণপূর্ত অধিদপ্তরের রয়েছে। রূপপুর গ্রিন সিটি প্রকল্পটি শুরু থেকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। যার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।’
পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবির সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প। এই প্রকল্পের প্রায় ৫ হাজার রাশিয়ান নাগরিকসহ অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের বসবাসের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর ২১টি বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে। সেই সাথে বাসিন্দাদের জন্য বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।’

একসময় পদ্মা তীরের নিভৃত গ্রাম। চারদিকে ছিল কৃষিজমি আর জনবসতির ছাপ। সেই অজপাড়া গাঁয়ের চিত্রই বদলে দিয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে ওঠা আবাসন প্রকল্প ‘গ্রিন সিটি’। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের অধিকাংশ নির্মাণকাজ শেষ করে নতুন এক আধুনিক নগরায়ণের উদাহরণ তৈরি করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৩৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে এই আবাসন প্রকল্প। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল প্রকল্প এলাকা পাবনার পদ্মা নদীর তীরঘেঁষা রূপপুর গ্রামে হলেও পাশের দিয়াড় সাহাপুর গ্রাম এখন সবার কাছে পরিচিত ‘গ্রিন সিটি’ নামে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের নকশায় ৩ হাজার ২৮৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বেশিরভাগ অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ২১টি সুউচ্চ ভবন। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি ২০ তলা ভবন, যেখানে প্রতিটি তলায় ৮৫০ বর্গফুটের ছয়টি করে ইউনিট রয়েছে। এছাড়া আটটি ১৬ তলা ভবনে প্রতিটি তলায় ১ হাজার ২৫০ বর্গফুটের ছয়টি করে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। একই আয়তনের ফ্ল্যাট সুবিধাসহ আরও আটটি ২০ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ১ হাজার ৫০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটসমৃদ্ধ দুটি ১৬ তলা ভবনের নির্মাণকাজও শেষ হয়েছে। এসব ভবনের ৭২টি ফ্ল্যাট ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, শুধু আবাসন নয়, নাগরিক সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। একটি পর্যটন বার কাম রেস্টুরেন্ট নির্মাণ শেষে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। অফিস কাম ১০০ শয্যার গেস্ট হাউস, নিরাপত্তা ব্যারাক এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এসটিপির কাজও শেষ হয়েছে। ছয় একর এলাকাজুড়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে পাঁচটি ডিপ টিউবওয়েল। সবুজায়ন নিশ্চিত করতে চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাল্টিপারপাস বা কমার্শিয়াল ভবন, মসজিদ এবং ১ হাজার ৮০০ ও ২ হাজার ৫০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ তৃতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
গ্রিন সিটির নির্মাণযজ্ঞের শুরু থেকেই ছিল ব্যতিক্রমী গতি। মাত্র ১৩ মাসে সম্পূর্ণ করে দুটি ২০ তলা ভবন হস্তান্তর করে পাবনা গণপূর্ত বিভাগ। প্রতিটি ভবনে দিন-রাত মিলিয়ে প্রায় ৫০০ শ্রমিক কাজ করেছেন বলে জানা যায়।

জানা গেছে, বর্তমানে এই আবাসন নগরীতে প্রায় ৬ হাজার দেশি-বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন। প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ হলে ১০ হাজারের বেশি মানুষের আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আধুনিক ও মানসম্মত স্থাপনা নির্মাণে বিশেষ দক্ষ জনবল ও কারিগরি সক্ষমতা প্রয়োজন হয়, যা গণপূর্ত অধিদপ্তরের রয়েছে। রূপপুর গ্রিন সিটি প্রকল্পটি শুরু থেকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। যার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।’
পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবির সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প। এই প্রকল্পের প্রায় ৫ হাজার রাশিয়ান নাগরিকসহ অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের বসবাসের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর ২১টি বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে। সেই সাথে বাসিন্দাদের জন্য বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।’

রূপপুর গ্রীন সিটি- আধুনিক ও পরিকল্পিত আঞ্চলিক শহর
সেলিনা আক্তার

একসময় পদ্মা তীরের নিভৃত গ্রাম। চারদিকে ছিল কৃষিজমি আর জনবসতির ছাপ। সেই অজপাড়া গাঁয়ের চিত্রই বদলে দিয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে ওঠা আবাসন প্রকল্প ‘গ্রিন সিটি’। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের অধিকাংশ নির্মাণকাজ শেষ করে নতুন এক আধুনিক নগরায়ণের উদাহরণ তৈরি করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৩৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে এই আবাসন প্রকল্প। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল প্রকল্প এলাকা পাবনার পদ্মা নদীর তীরঘেঁষা রূপপুর গ্রামে হলেও পাশের দিয়াড় সাহাপুর গ্রাম এখন সবার কাছে পরিচিত ‘গ্রিন সিটি’ নামে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের নকশায় ৩ হাজার ২৮৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বেশিরভাগ অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ২১টি সুউচ্চ ভবন। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি ২০ তলা ভবন, যেখানে প্রতিটি তলায় ৮৫০ বর্গফুটের ছয়টি করে ইউনিট রয়েছে। এছাড়া আটটি ১৬ তলা ভবনে প্রতিটি তলায় ১ হাজার ২৫০ বর্গফুটের ছয়টি করে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। একই আয়তনের ফ্ল্যাট সুবিধাসহ আরও আটটি ২০ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ১ হাজার ৫০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটসমৃদ্ধ দুটি ১৬ তলা ভবনের নির্মাণকাজও শেষ হয়েছে। এসব ভবনের ৭২টি ফ্ল্যাট ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, শুধু আবাসন নয়, নাগরিক সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। একটি পর্যটন বার কাম রেস্টুরেন্ট নির্মাণ শেষে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। অফিস কাম ১০০ শয্যার গেস্ট হাউস, নিরাপত্তা ব্যারাক এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এসটিপির কাজও শেষ হয়েছে। ছয় একর এলাকাজুড়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে পাঁচটি ডিপ টিউবওয়েল। সবুজায়ন নিশ্চিত করতে চলতি বর্ষা মৌসুমে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাল্টিপারপাস বা কমার্শিয়াল ভবন, মসজিদ এবং ১ হাজার ৮০০ ও ২ হাজার ৫০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ তৃতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
গ্রিন সিটির নির্মাণযজ্ঞের শুরু থেকেই ছিল ব্যতিক্রমী গতি। মাত্র ১৩ মাসে সম্পূর্ণ করে দুটি ২০ তলা ভবন হস্তান্তর করে পাবনা গণপূর্ত বিভাগ। প্রতিটি ভবনে দিন-রাত মিলিয়ে প্রায় ৫০০ শ্রমিক কাজ করেছেন বলে জানা যায়।

জানা গেছে, বর্তমানে এই আবাসন নগরীতে প্রায় ৬ হাজার দেশি-বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন। প্রকল্পের বাকি কাজ শেষ হলে ১০ হাজারের বেশি মানুষের আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আধুনিক ও মানসম্মত স্থাপনা নির্মাণে বিশেষ দক্ষ জনবল ও কারিগরি সক্ষমতা প্রয়োজন হয়, যা গণপূর্ত অধিদপ্তরের রয়েছে। রূপপুর গ্রিন সিটি প্রকল্পটি শুরু থেকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। যার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।’
পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবির সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প। এই প্রকল্পের প্রায় ৫ হাজার রাশিয়ান নাগরিকসহ অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের বসবাসের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর ২১টি বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে। সেই সাথে বাসিন্দাদের জন্য বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।’




