নারায়ণগঞ্জে চালু হচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স

নারায়ণগঞ্জে চালু হচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স
বিনোদন ডেস্ক

যত দিন যাচ্ছে, ততই বদলাচ্ছে সিনেমার ধরণ। তেমনিভাবে বদলে যাচ্ছে সিনেমা দেখার মাধ্যমও। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন দর্শকদের হাতে নানা প্ল্যাটফর্ম থাকলেও বড় পর্দায় সিনেমা দেখার আকর্ষণ এখনো অটুট। নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি পেলেই টিকিটের জন্য দর্শকদের ভিড়, কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন কিংবা অনলাইনে অগ্রিম বুকিংয়ের চাপ বড় পর্দার জনপ্রিয়তা প্রমাণ মেলে।
গত প্রায় দুই দশকে বাংলাদেশে সিনেমা দেখার মাধ্যমেও বড় পরিবর্তন এসেছে। সিনেমার বিষয়বস্তু ও নির্মাণে যেমন নতুনত্ব এসেছে, তেমনি পরিবর্তন এসেছে সিনেমা হলের ধরনেও। নানা সংকটের কারণে অনেক পুরনো সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেলেও এর বিপরীতে দেশে দ্রুত বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্সের সংখ্যা। আধুনিক পরিবেশে বন্ধু, স্বজন বা পরিবারের সঙ্গে সিনেমা দেখার সংস্কৃতিও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

দর্শকদের এই চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শহরেও ছড়িয়ে পড়ছে এই মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল ফিতরে আরও একটি নতুন শাখা চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকার নিকটবর্তী শহর নারায়ণগঞ্জে যাত্রা শুরু করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ঈদের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই শাখার উদ্বোধন করা হবে।

নারায়ণগঞ্জের জালকুঁড়ি এলাকায় অবস্থিত সীমান্ত টাওয়ারে স্থাপিত হয়েছে এই মাল্টিপ্লেক্সটি। এখানে মোট তিনটি হল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হলে প্রতিটিতে ১৭৮টি করে আসন এবং একটি হলে রয়েছে ৭৫টি আসন।
স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বরাবরের মতো নান্দনিক পরিবেশ, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের বিভিন্ন সুবিধা রেখেই হলগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য এটি আমাদের ঈদের উপহার। বিশেষ করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের জন্য এবারের ঈদে এটি বাড়তি আনন্দ যোগ করবে বলে আমরা মনে করি। এখানকার দর্শকদের দীর্ঘদিনের চাহিদা ছিল একটি আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শাখাটি চালু করতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট।’

নতুন শাখা চালু প্রসঙ্গে মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশে যেমন ভালো মানের সিনেমা প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন মানসম্মত সিনেমা হল। তার মতে, সময়ের সঙ্গে দর্শকদের রুচিতেও পরিবর্তন এসেছে। এখন দর্শকরা পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশের পাশাপাশি নিরাপত্তা এবং উন্নত মানের স্ক্রিন ও সাউন্ড সিস্টেম প্রত্যাশা করেন, যা সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
তিনি বলেন, শুরু থেকেই স্টার সিনেপ্লেক্স এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের মধ্যেই আরও কয়েকটি নতুন শাখা চালুর প্রস্তুতি চলছে। বড় শহরগুলোর পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্টার সিনেপ্লেক্স সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

যত দিন যাচ্ছে, ততই বদলাচ্ছে সিনেমার ধরণ। তেমনিভাবে বদলে যাচ্ছে সিনেমা দেখার মাধ্যমও। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন দর্শকদের হাতে নানা প্ল্যাটফর্ম থাকলেও বড় পর্দায় সিনেমা দেখার আকর্ষণ এখনো অটুট। নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি পেলেই টিকিটের জন্য দর্শকদের ভিড়, কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন কিংবা অনলাইনে অগ্রিম বুকিংয়ের চাপ বড় পর্দার জনপ্রিয়তা প্রমাণ মেলে।
গত প্রায় দুই দশকে বাংলাদেশে সিনেমা দেখার মাধ্যমেও বড় পরিবর্তন এসেছে। সিনেমার বিষয়বস্তু ও নির্মাণে যেমন নতুনত্ব এসেছে, তেমনি পরিবর্তন এসেছে সিনেমা হলের ধরনেও। নানা সংকটের কারণে অনেক পুরনো সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেলেও এর বিপরীতে দেশে দ্রুত বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্সের সংখ্যা। আধুনিক পরিবেশে বন্ধু, স্বজন বা পরিবারের সঙ্গে সিনেমা দেখার সংস্কৃতিও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

দর্শকদের এই চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শহরেও ছড়িয়ে পড়ছে এই মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল ফিতরে আরও একটি নতুন শাখা চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকার নিকটবর্তী শহর নারায়ণগঞ্জে যাত্রা শুরু করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ঈদের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই শাখার উদ্বোধন করা হবে।

নারায়ণগঞ্জের জালকুঁড়ি এলাকায় অবস্থিত সীমান্ত টাওয়ারে স্থাপিত হয়েছে এই মাল্টিপ্লেক্সটি। এখানে মোট তিনটি হল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হলে প্রতিটিতে ১৭৮টি করে আসন এবং একটি হলে রয়েছে ৭৫টি আসন।
স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বরাবরের মতো নান্দনিক পরিবেশ, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের বিভিন্ন সুবিধা রেখেই হলগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য এটি আমাদের ঈদের উপহার। বিশেষ করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের জন্য এবারের ঈদে এটি বাড়তি আনন্দ যোগ করবে বলে আমরা মনে করি। এখানকার দর্শকদের দীর্ঘদিনের চাহিদা ছিল একটি আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শাখাটি চালু করতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট।’

নতুন শাখা চালু প্রসঙ্গে মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশে যেমন ভালো মানের সিনেমা প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন মানসম্মত সিনেমা হল। তার মতে, সময়ের সঙ্গে দর্শকদের রুচিতেও পরিবর্তন এসেছে। এখন দর্শকরা পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশের পাশাপাশি নিরাপত্তা এবং উন্নত মানের স্ক্রিন ও সাউন্ড সিস্টেম প্রত্যাশা করেন, যা সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
তিনি বলেন, শুরু থেকেই স্টার সিনেপ্লেক্স এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের মধ্যেই আরও কয়েকটি নতুন শাখা চালুর প্রস্তুতি চলছে। বড় শহরগুলোর পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্টার সিনেপ্লেক্স সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে চালু হচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স
বিনোদন ডেস্ক

যত দিন যাচ্ছে, ততই বদলাচ্ছে সিনেমার ধরণ। তেমনিভাবে বদলে যাচ্ছে সিনেমা দেখার মাধ্যমও। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন দর্শকদের হাতে নানা প্ল্যাটফর্ম থাকলেও বড় পর্দায় সিনেমা দেখার আকর্ষণ এখনো অটুট। নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি পেলেই টিকিটের জন্য দর্শকদের ভিড়, কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন কিংবা অনলাইনে অগ্রিম বুকিংয়ের চাপ বড় পর্দার জনপ্রিয়তা প্রমাণ মেলে।
গত প্রায় দুই দশকে বাংলাদেশে সিনেমা দেখার মাধ্যমেও বড় পরিবর্তন এসেছে। সিনেমার বিষয়বস্তু ও নির্মাণে যেমন নতুনত্ব এসেছে, তেমনি পরিবর্তন এসেছে সিনেমা হলের ধরনেও। নানা সংকটের কারণে অনেক পুরনো সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেলেও এর বিপরীতে দেশে দ্রুত বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্সের সংখ্যা। আধুনিক পরিবেশে বন্ধু, স্বজন বা পরিবারের সঙ্গে সিনেমা দেখার সংস্কৃতিও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

দর্শকদের এই চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শহরেও ছড়িয়ে পড়ছে এই মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল ফিতরে আরও একটি নতুন শাখা চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকার নিকটবর্তী শহর নারায়ণগঞ্জে যাত্রা শুরু করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ঈদের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই শাখার উদ্বোধন করা হবে।

নারায়ণগঞ্জের জালকুঁড়ি এলাকায় অবস্থিত সীমান্ত টাওয়ারে স্থাপিত হয়েছে এই মাল্টিপ্লেক্সটি। এখানে মোট তিনটি হল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হলে প্রতিটিতে ১৭৮টি করে আসন এবং একটি হলে রয়েছে ৭৫টি আসন।
স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বরাবরের মতো নান্দনিক পরিবেশ, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সাউন্ড সিস্টেম, জায়ান্ট স্ক্রিনসহ বিশ্বমানের সিনেমা হলের বিভিন্ন সুবিধা রেখেই হলগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য এটি আমাদের ঈদের উপহার। বিশেষ করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের জন্য এবারের ঈদে এটি বাড়তি আনন্দ যোগ করবে বলে আমরা মনে করি। এখানকার দর্শকদের দীর্ঘদিনের চাহিদা ছিল একটি আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শাখাটি চালু করতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট।’

নতুন শাখা চালু প্রসঙ্গে মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশে যেমন ভালো মানের সিনেমা প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন মানসম্মত সিনেমা হল। তার মতে, সময়ের সঙ্গে দর্শকদের রুচিতেও পরিবর্তন এসেছে। এখন দর্শকরা পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশের পাশাপাশি নিরাপত্তা এবং উন্নত মানের স্ক্রিন ও সাউন্ড সিস্টেম প্রত্যাশা করেন, যা সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
তিনি বলেন, শুরু থেকেই স্টার সিনেপ্লেক্স এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের মধ্যেই আরও কয়েকটি নতুন শাখা চালুর প্রস্তুতি চলছে। বড় শহরগুলোর পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্টার সিনেপ্লেক্স সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।




