নাচের জন্য ক্যাটরিনাকে অপমানিত হতে হয়েছিল

নাচের জন্য ক্যাটরিনাকে অপমানিত হতে হয়েছিল
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচের জন্যও তিনি ব্যাপক পরিচিত। কথিত আছে, তার হাত ধরেই বলিউডে আইটেম গান নতুন করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘শিলা কী জওয়ানি’ গানে তার নাচ ব্যাপক সাড়া ফেলে। এরপর থেকে বলিউডে আইটেম গানের হিড়িক পড়ে যায়।
শিলা কী জওয়ানি ছাড়াও ‘চিকনী চামেলী’, ‘কালা চশমা’সহ একাধিক গানে ক্যাটরিনা কাইফের নাচ দর্শকের নজর কেড়েছে। অথচ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নাচের জন্যই অপমানিত হতে হয়েছিল এই অভিনেত্রীকে। এমনকি এক কোরিওগ্রাফার তাকে বলেছিলেন, ‘নাচে তুমি শূন্য। তোমার এসব ছেড়ে দেওয়া উচিত।’
সম্প্রতি কোরিওগ্রাফার বস্কো মার্টিসের পডকাস্টে অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফারাহ খান। সেখানেই ক্যাটরিনার নাচের ক্যারিয়ার এবং শুরুর দিকের নানা অজানা ঘটনা তুলে ধরেন তারা।
ফারাহ খান জানান, ‘শিলা কী জওয়ানি’ তার কোরিওগ্রাফ করা গানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে তৈরি। মাত্র ১০ জন ছেলে ও ক্যাটরিনাকে নিয়ে গানটির শুটিং করেছিলেন তিনি।
এই গানটিই ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল বলে জানান বস্কো। তবে সেই সময় ক্যাটরিনা যে ভালো নাচতে পারেন, তা তারা জানতেন না বলেই জানান ফারাহ। জনপ্রিয় এই কোরিওগ্রাফারের ভাষ্য, ‘তখন আমরা জানতাম না যে, ক্যাটরিনা নাচতে পারে। ‘টাচ মি’ গানে নাচ করেছিল ঠিকই, কিন্তু নৃত্যশিল্পী হিসাবে তখনও পরিচিত হয়নি।
এরপরই ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি ঘটনা তুলে ধরে বস্কো বলেন, প্রচণ্ড পরিশ্রম করার পরেও এক কোরিওগ্রাফার ক্যাটরিনাকে বলেছিলেন, ‘নাচে তুমি শূন্য। তোমার এ সব ছেড়ে দেওয়া উচিত।
বস্কোর মতে, সেই অপমানের যন্ত্রণা ক্যাটরিনার মধ্যেও ছিল। সেই থেকেই তার মধ্যে নিজেকে প্রমাণ করার জেদ তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
বস্কোর কথা শুনে অনেকটা আকাশ থেকে পড়েন ফারাহ খান। তিনি বলেন, আরে বেচারি! ও তো শূন্য ছিল না। হয়তো ৪ বা ৫ নম্বর দেওয়াই যেত। কিন্তু ‘শীলা কী জওয়ানী’র পর নাচের ক্ষেত্রে ও ৯ বা ১০ হয়ে গেল। তার পর ‘চিকনী চামেলী’, ‘কালা চশমা’-র মতো গান এল ওর জীবনে।”
ফারাহর সঙ্গে একমত পোষণ করেন বস্কোও। তাদের মতে, ‘শিলা কী জওয়ানি’তে ক্যাটরিনার নাচ ছিল দুর্দান্ত।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিনি নাচতে পারেন না বলে খোটা শুনতে হয়েছিল।
সেই কোরিওগ্রাফারের মন্তব্য এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, একটা সময় ক্যাটরিনার মনে হয়েছিল- তিনি কোনদিনই ভালো নৃত্যশিল্পী হতে পারবেন না। পরে বস্কো তাকে বোঝান, তিনি ভালো নাচেন। শুধু নিজেকে আরেকটু তৈরি করতে হবে। সেই পরামর্শেই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান অভিনেত্রী এবং নাচের জন্য আলাদা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচের জন্যও তিনি ব্যাপক পরিচিত। কথিত আছে, তার হাত ধরেই বলিউডে আইটেম গান নতুন করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘শিলা কী জওয়ানি’ গানে তার নাচ ব্যাপক সাড়া ফেলে। এরপর থেকে বলিউডে আইটেম গানের হিড়িক পড়ে যায়।
শিলা কী জওয়ানি ছাড়াও ‘চিকনী চামেলী’, ‘কালা চশমা’সহ একাধিক গানে ক্যাটরিনা কাইফের নাচ দর্শকের নজর কেড়েছে। অথচ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নাচের জন্যই অপমানিত হতে হয়েছিল এই অভিনেত্রীকে। এমনকি এক কোরিওগ্রাফার তাকে বলেছিলেন, ‘নাচে তুমি শূন্য। তোমার এসব ছেড়ে দেওয়া উচিত।’
সম্প্রতি কোরিওগ্রাফার বস্কো মার্টিসের পডকাস্টে অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফারাহ খান। সেখানেই ক্যাটরিনার নাচের ক্যারিয়ার এবং শুরুর দিকের নানা অজানা ঘটনা তুলে ধরেন তারা।
ফারাহ খান জানান, ‘শিলা কী জওয়ানি’ তার কোরিওগ্রাফ করা গানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে তৈরি। মাত্র ১০ জন ছেলে ও ক্যাটরিনাকে নিয়ে গানটির শুটিং করেছিলেন তিনি।
এই গানটিই ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল বলে জানান বস্কো। তবে সেই সময় ক্যাটরিনা যে ভালো নাচতে পারেন, তা তারা জানতেন না বলেই জানান ফারাহ। জনপ্রিয় এই কোরিওগ্রাফারের ভাষ্য, ‘তখন আমরা জানতাম না যে, ক্যাটরিনা নাচতে পারে। ‘টাচ মি’ গানে নাচ করেছিল ঠিকই, কিন্তু নৃত্যশিল্পী হিসাবে তখনও পরিচিত হয়নি।
এরপরই ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি ঘটনা তুলে ধরে বস্কো বলেন, প্রচণ্ড পরিশ্রম করার পরেও এক কোরিওগ্রাফার ক্যাটরিনাকে বলেছিলেন, ‘নাচে তুমি শূন্য। তোমার এ সব ছেড়ে দেওয়া উচিত।
বস্কোর মতে, সেই অপমানের যন্ত্রণা ক্যাটরিনার মধ্যেও ছিল। সেই থেকেই তার মধ্যে নিজেকে প্রমাণ করার জেদ তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
বস্কোর কথা শুনে অনেকটা আকাশ থেকে পড়েন ফারাহ খান। তিনি বলেন, আরে বেচারি! ও তো শূন্য ছিল না। হয়তো ৪ বা ৫ নম্বর দেওয়াই যেত। কিন্তু ‘শীলা কী জওয়ানী’র পর নাচের ক্ষেত্রে ও ৯ বা ১০ হয়ে গেল। তার পর ‘চিকনী চামেলী’, ‘কালা চশমা’-র মতো গান এল ওর জীবনে।”
ফারাহর সঙ্গে একমত পোষণ করেন বস্কোও। তাদের মতে, ‘শিলা কী জওয়ানি’তে ক্যাটরিনার নাচ ছিল দুর্দান্ত।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিনি নাচতে পারেন না বলে খোটা শুনতে হয়েছিল।
সেই কোরিওগ্রাফারের মন্তব্য এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, একটা সময় ক্যাটরিনার মনে হয়েছিল- তিনি কোনদিনই ভালো নৃত্যশিল্পী হতে পারবেন না। পরে বস্কো তাকে বোঝান, তিনি ভালো নাচেন। শুধু নিজেকে আরেকটু তৈরি করতে হবে। সেই পরামর্শেই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান অভিনেত্রী এবং নাচের জন্য আলাদা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

নাচের জন্য ক্যাটরিনাকে অপমানিত হতে হয়েছিল
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচের জন্যও তিনি ব্যাপক পরিচিত। কথিত আছে, তার হাত ধরেই বলিউডে আইটেম গান নতুন করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘শিলা কী জওয়ানি’ গানে তার নাচ ব্যাপক সাড়া ফেলে। এরপর থেকে বলিউডে আইটেম গানের হিড়িক পড়ে যায়।
শিলা কী জওয়ানি ছাড়াও ‘চিকনী চামেলী’, ‘কালা চশমা’সহ একাধিক গানে ক্যাটরিনা কাইফের নাচ দর্শকের নজর কেড়েছে। অথচ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নাচের জন্যই অপমানিত হতে হয়েছিল এই অভিনেত্রীকে। এমনকি এক কোরিওগ্রাফার তাকে বলেছিলেন, ‘নাচে তুমি শূন্য। তোমার এসব ছেড়ে দেওয়া উচিত।’
সম্প্রতি কোরিওগ্রাফার বস্কো মার্টিসের পডকাস্টে অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফারাহ খান। সেখানেই ক্যাটরিনার নাচের ক্যারিয়ার এবং শুরুর দিকের নানা অজানা ঘটনা তুলে ধরেন তারা।
ফারাহ খান জানান, ‘শিলা কী জওয়ানি’ তার কোরিওগ্রাফ করা গানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে তৈরি। মাত্র ১০ জন ছেলে ও ক্যাটরিনাকে নিয়ে গানটির শুটিং করেছিলেন তিনি।
এই গানটিই ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল বলে জানান বস্কো। তবে সেই সময় ক্যাটরিনা যে ভালো নাচতে পারেন, তা তারা জানতেন না বলেই জানান ফারাহ। জনপ্রিয় এই কোরিওগ্রাফারের ভাষ্য, ‘তখন আমরা জানতাম না যে, ক্যাটরিনা নাচতে পারে। ‘টাচ মি’ গানে নাচ করেছিল ঠিকই, কিন্তু নৃত্যশিল্পী হিসাবে তখনও পরিচিত হয়নি।
এরপরই ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি ঘটনা তুলে ধরে বস্কো বলেন, প্রচণ্ড পরিশ্রম করার পরেও এক কোরিওগ্রাফার ক্যাটরিনাকে বলেছিলেন, ‘নাচে তুমি শূন্য। তোমার এ সব ছেড়ে দেওয়া উচিত।
বস্কোর মতে, সেই অপমানের যন্ত্রণা ক্যাটরিনার মধ্যেও ছিল। সেই থেকেই তার মধ্যে নিজেকে প্রমাণ করার জেদ তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
বস্কোর কথা শুনে অনেকটা আকাশ থেকে পড়েন ফারাহ খান। তিনি বলেন, আরে বেচারি! ও তো শূন্য ছিল না। হয়তো ৪ বা ৫ নম্বর দেওয়াই যেত। কিন্তু ‘শীলা কী জওয়ানী’র পর নাচের ক্ষেত্রে ও ৯ বা ১০ হয়ে গেল। তার পর ‘চিকনী চামেলী’, ‘কালা চশমা’-র মতো গান এল ওর জীবনে।”
ফারাহর সঙ্গে একমত পোষণ করেন বস্কোও। তাদের মতে, ‘শিলা কী জওয়ানি’তে ক্যাটরিনার নাচ ছিল দুর্দান্ত।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিনি নাচতে পারেন না বলে খোটা শুনতে হয়েছিল।
সেই কোরিওগ্রাফারের মন্তব্য এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, একটা সময় ক্যাটরিনার মনে হয়েছিল- তিনি কোনদিনই ভালো নৃত্যশিল্পী হতে পারবেন না। পরে বস্কো তাকে বোঝান, তিনি ভালো নাচেন। শুধু নিজেকে আরেকটু তৈরি করতে হবে। সেই পরামর্শেই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান অভিনেত্রী এবং নাচের জন্য আলাদা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

'তোমাকে মিস করছি, ক্যাটরিনা'—নস্টালজিয়ায় অক্ষয় কুমার







-CznNewsLab-5d5b56.jpg)