৩৫ রুপি বেতনে পোস্টার আঁকতেন, পরে এক সিনেমাতেই ৩ কোটি

৩৫ রুপি বেতনে পোস্টার আঁকতেন, পরে এক সিনেমাতেই ৩ কোটি
বিনোদন ডেস্ক

স্কুল শেষ করে প্রায় ৮ কিলোমিটার হেঁটে মুম্বাইয়ের চুনাভাট্টিতে যেতেন। সেখানে সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। সে সময় মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন এবং দিনে একবার খাবার পেতেন। বলছিলাম ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা নানা পাটেকরের কথা।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ভারতের গোয়ায় মারা গেছেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
এক সাক্ষাৎকারে পাটেকার বলেছিলেন, স্কুল শেষে তিনি প্রায় আট কিলোমিটার হেঁটে মুম্বাইয়ের চুনাভাট্টিতে যেতেন, যেখানে তিনি সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। সে সময় তিনি মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন এবং দিনে একবার খাবার পেতেন। মৃত্যুর আগে প্রতিটি সিনেমার জন্য তিনি ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেন।
পাটেকর বলেন, বাবার সম্পত্তি হারানোর পর তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার খুব খারাপ হয়ে যায়। ক্ষুধা এবং আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার অভিজ্ঞতা বছরের পর বছর ধরে তার সঙ্গে ছিল। সেই প্রথম দিকের সংগ্রাম শেষ হয় হিন্দি ও মারাঠি সিনেমা জুড়ে বিস্তৃত ক্যারিয়ারের মাধ্যমে। বর্তমানে অভিনেতার সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি থেকে ৮০ কোটি রুপি বলে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নানা পাটেকর জানান, জীবিকার তাগিদে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি কাজ শুরু করেন। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সিনেমার পোস্টার আঁকতেন এবং মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন।
ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো যোগাযোগ না থাকা এই অভিনেতা নিছক নিজের প্রতিভার জোরে এক সাধারণ জায়গা থেকে উঠে এসেছিলেন।। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ ছবির মাধ্যমে তিনি বলিউডে প্রথম ব্রেক পান। বছরের পর বছর ধরে দুর্দান্ত সব সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যতম শ্রদ্ধেয় অভিনেতা হয়ে ওঠেন। ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নি সাক্ষী’, ‘আব তক ছাপ্পান’, ‘নটসম্রাট’ এবং ‘ওয়েলকাম’-এর মতো ছবিগুলো তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।
ক্যারিয়ারের সঙ্গে সঙ্গে তার আয়ও বেড়েছিল। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শেষ জীবনে তিনি একটি ছবির জন্য প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন। অন্যান্য উপস্থিতি এবং ব্র্যান্ড-সম্পর্কিত কাজের মাধ্যমেও তিনি আয় করতেন।
সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের জন্য পরিচিত ছিলেন পাটেকর। বছরের পর বছর ধরে তিনি মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতে একটি ৭৫০ বর্গফুটের এক বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন। সম্পত্তিটি কয়েক দশক আগে প্রায় ১.১ লাখ রুপিতে কিনেছিলেন। বর্তমানে এর মূল্য প্রায় ৩ কোটি রুপি বলে ধারণা করা হয়।
গোয়ায় তার একটি বাড়ি ছিল। পাটেকারের আরেকটি বড় সম্পত্তি ছিল পুনের খাদকওয়াসলার কাছে। এটি একটি খামারবাড়ি। যার আয়তন প্রায় ২৭ একর। এটি কৃষিকাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। সেখানে যেখানে গম এবং ধানের মতো ফসল ফলানো হতো।
অনেক বলিউড তারকার তুলনায় পাটেকারের গাড়ির সংগ্রহও তুলনামূলকভাবে কম ও সাধারণ ছিল। তার একটি মাহিন্দ্রা জিপ সিজে৪, একটি মাহিন্দ্রা স্করপিও এবং একটি অডি কিউ-সেভেন গাড়ি ছিল।
বিলাসিতা পাটেকরকে কখনই কাবু করতে পারেনি। জানা যায়, তিনি একবার একটি বিলাসবহুল গাড়ির পেছনে দেড় কোটি রুপি খরচ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। বরং ওই অর্থ কৃষকদের সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করবেন বলে জানান।
সূত্র: এনডিটিভি

স্কুল শেষ করে প্রায় ৮ কিলোমিটার হেঁটে মুম্বাইয়ের চুনাভাট্টিতে যেতেন। সেখানে সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। সে সময় মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন এবং দিনে একবার খাবার পেতেন। বলছিলাম ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা নানা পাটেকরের কথা।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ভারতের গোয়ায় মারা গেছেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
এক সাক্ষাৎকারে পাটেকার বলেছিলেন, স্কুল শেষে তিনি প্রায় আট কিলোমিটার হেঁটে মুম্বাইয়ের চুনাভাট্টিতে যেতেন, যেখানে তিনি সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। সে সময় তিনি মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন এবং দিনে একবার খাবার পেতেন। মৃত্যুর আগে প্রতিটি সিনেমার জন্য তিনি ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেন।
পাটেকর বলেন, বাবার সম্পত্তি হারানোর পর তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার খুব খারাপ হয়ে যায়। ক্ষুধা এবং আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার অভিজ্ঞতা বছরের পর বছর ধরে তার সঙ্গে ছিল। সেই প্রথম দিকের সংগ্রাম শেষ হয় হিন্দি ও মারাঠি সিনেমা জুড়ে বিস্তৃত ক্যারিয়ারের মাধ্যমে। বর্তমানে অভিনেতার সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি থেকে ৮০ কোটি রুপি বলে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নানা পাটেকর জানান, জীবিকার তাগিদে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি কাজ শুরু করেন। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সিনেমার পোস্টার আঁকতেন এবং মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন।
ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো যোগাযোগ না থাকা এই অভিনেতা নিছক নিজের প্রতিভার জোরে এক সাধারণ জায়গা থেকে উঠে এসেছিলেন।। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ ছবির মাধ্যমে তিনি বলিউডে প্রথম ব্রেক পান। বছরের পর বছর ধরে দুর্দান্ত সব সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যতম শ্রদ্ধেয় অভিনেতা হয়ে ওঠেন। ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নি সাক্ষী’, ‘আব তক ছাপ্পান’, ‘নটসম্রাট’ এবং ‘ওয়েলকাম’-এর মতো ছবিগুলো তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।
ক্যারিয়ারের সঙ্গে সঙ্গে তার আয়ও বেড়েছিল। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শেষ জীবনে তিনি একটি ছবির জন্য প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন। অন্যান্য উপস্থিতি এবং ব্র্যান্ড-সম্পর্কিত কাজের মাধ্যমেও তিনি আয় করতেন।
সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের জন্য পরিচিত ছিলেন পাটেকর। বছরের পর বছর ধরে তিনি মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতে একটি ৭৫০ বর্গফুটের এক বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন। সম্পত্তিটি কয়েক দশক আগে প্রায় ১.১ লাখ রুপিতে কিনেছিলেন। বর্তমানে এর মূল্য প্রায় ৩ কোটি রুপি বলে ধারণা করা হয়।
গোয়ায় তার একটি বাড়ি ছিল। পাটেকারের আরেকটি বড় সম্পত্তি ছিল পুনের খাদকওয়াসলার কাছে। এটি একটি খামারবাড়ি। যার আয়তন প্রায় ২৭ একর। এটি কৃষিকাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। সেখানে যেখানে গম এবং ধানের মতো ফসল ফলানো হতো।
অনেক বলিউড তারকার তুলনায় পাটেকারের গাড়ির সংগ্রহও তুলনামূলকভাবে কম ও সাধারণ ছিল। তার একটি মাহিন্দ্রা জিপ সিজে৪, একটি মাহিন্দ্রা স্করপিও এবং একটি অডি কিউ-সেভেন গাড়ি ছিল।
বিলাসিতা পাটেকরকে কখনই কাবু করতে পারেনি। জানা যায়, তিনি একবার একটি বিলাসবহুল গাড়ির পেছনে দেড় কোটি রুপি খরচ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। বরং ওই অর্থ কৃষকদের সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করবেন বলে জানান।
সূত্র: এনডিটিভি

৩৫ রুপি বেতনে পোস্টার আঁকতেন, পরে এক সিনেমাতেই ৩ কোটি
বিনোদন ডেস্ক

স্কুল শেষ করে প্রায় ৮ কিলোমিটার হেঁটে মুম্বাইয়ের চুনাভাট্টিতে যেতেন। সেখানে সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। সে সময় মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন এবং দিনে একবার খাবার পেতেন। বলছিলাম ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা নানা পাটেকরের কথা।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ভারতের গোয়ায় মারা গেছেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
এক সাক্ষাৎকারে পাটেকার বলেছিলেন, স্কুল শেষে তিনি প্রায় আট কিলোমিটার হেঁটে মুম্বাইয়ের চুনাভাট্টিতে যেতেন, যেখানে তিনি সিনেমার পোস্টার আঁকতেন। সে সময় তিনি মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন এবং দিনে একবার খাবার পেতেন। মৃত্যুর আগে প্রতিটি সিনেমার জন্য তিনি ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেন।
পাটেকর বলেন, বাবার সম্পত্তি হারানোর পর তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার খুব খারাপ হয়ে যায়। ক্ষুধা এবং আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার অভিজ্ঞতা বছরের পর বছর ধরে তার সঙ্গে ছিল। সেই প্রথম দিকের সংগ্রাম শেষ হয় হিন্দি ও মারাঠি সিনেমা জুড়ে বিস্তৃত ক্যারিয়ারের মাধ্যমে। বর্তমানে অভিনেতার সম্পদের পরিমাণ ৬০ কোটি থেকে ৮০ কোটি রুপি বলে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নানা পাটেকর জানান, জীবিকার তাগিদে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি কাজ শুরু করেন। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সিনেমার পোস্টার আঁকতেন এবং মাসে ৩৫ রুপি আয় করতেন।
ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো যোগাযোগ না থাকা এই অভিনেতা নিছক নিজের প্রতিভার জোরে এক সাধারণ জায়গা থেকে উঠে এসেছিলেন।। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ ছবির মাধ্যমে তিনি বলিউডে প্রথম ব্রেক পান। বছরের পর বছর ধরে দুর্দান্ত সব সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যতম শ্রদ্ধেয় অভিনেতা হয়ে ওঠেন। ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নি সাক্ষী’, ‘আব তক ছাপ্পান’, ‘নটসম্রাট’ এবং ‘ওয়েলকাম’-এর মতো ছবিগুলো তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।
ক্যারিয়ারের সঙ্গে সঙ্গে তার আয়ও বেড়েছিল। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শেষ জীবনে তিনি একটি ছবির জন্য প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন। অন্যান্য উপস্থিতি এবং ব্র্যান্ড-সম্পর্কিত কাজের মাধ্যমেও তিনি আয় করতেন।
সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের জন্য পরিচিত ছিলেন পাটেকর। বছরের পর বছর ধরে তিনি মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতে একটি ৭৫০ বর্গফুটের এক বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন। সম্পত্তিটি কয়েক দশক আগে প্রায় ১.১ লাখ রুপিতে কিনেছিলেন। বর্তমানে এর মূল্য প্রায় ৩ কোটি রুপি বলে ধারণা করা হয়।
গোয়ায় তার একটি বাড়ি ছিল। পাটেকারের আরেকটি বড় সম্পত্তি ছিল পুনের খাদকওয়াসলার কাছে। এটি একটি খামারবাড়ি। যার আয়তন প্রায় ২৭ একর। এটি কৃষিকাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। সেখানে যেখানে গম এবং ধানের মতো ফসল ফলানো হতো।
অনেক বলিউড তারকার তুলনায় পাটেকারের গাড়ির সংগ্রহও তুলনামূলকভাবে কম ও সাধারণ ছিল। তার একটি মাহিন্দ্রা জিপ সিজে৪, একটি মাহিন্দ্রা স্করপিও এবং একটি অডি কিউ-সেভেন গাড়ি ছিল।
বিলাসিতা পাটেকরকে কখনই কাবু করতে পারেনি। জানা যায়, তিনি একবার একটি বিলাসবহুল গাড়ির পেছনে দেড় কোটি রুপি খরচ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। বরং ওই অর্থ কৃষকদের সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করবেন বলে জানান।
সূত্র: এনডিটিভি

নানা পাটেকর অভিনীত শেষ দুই সিনেমা মুক্তি পাবে কবে







