শিরোনাম

৪৭১ শিক্ষকের সনদ জাল, মাউশিকে ডিআইএর চিঠি

সিটিজেন ডেস্ক
৪৭১ শিক্ষকের সনদ জাল, মাউশিকে ডিআইএর চিঠি
কোলাজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের সনদ যাচাইয়ে বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। সংস্থাটির প্রতিবেদনে ৪৭১ জন শিক্ষকের সনদ জাল বা ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

ডিআইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিহ্নিত ৪৭১ জনের মধ্যে ১৯৪ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল। এ ছাড়া ২২৯ জনের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ এবং ৪৮ জনের বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার বা অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ভুয়া।

তবে এসব অনিয়ম নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তালিকাসহ সুপারিশ পাঠিয়েছে ডিআইএ। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

ডিআইএর এক কর্মকর্তা বলেন, সংস্থাটি নিজে কোনো সনদ জাল ঘোষণা করে না। সন্দেহ হলে সংশ্লিষ্ট সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা হয়।

ডিআইএর তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এসব শিক্ষককে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিদর্শন কার্যক্রমের সময় শিক্ষকদের সনদের কপি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পরিদর্শনের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা হিসেবে ডিআইএ মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরীক্ষা ও পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ হয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে। ডিআইএর আগের প্রতিবেদনে ২০২৩ সালে ৬৭৮ জন শিক্ষকের বেতন বন্ধের সুপারিশও করা হয়েছিল।

ডিআইএর পরিচালক এম এম সহিদুল ইসলাম বলেন, তারা শুধু যাচাই ও সুপারিশ করে, পরবর্তী ব্যবস্থা নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এসএ/