শিরোনাম

এইচএসসি: বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা দিলেন সেই ৮ শিক্ষার্থী

নাটোর সংবাদদাতা
নাটোর সংবাদদাতা
এইচএসসি: বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা দিলেন সেই ৮ শিক্ষার্থী
আব্দুলপুর সরকারি কলেজ

নাটোরের লালপুরে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের প্রতারণার শিকার ৮ শিক্ষার্থী বিশেষ ব্যবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে তারা বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নেন।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মামদুদুর রহমান জানান, গত বুধবার শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রতারণার শিকার ৮ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে কলেজকে জানানো হয়। এরপর দ্রুত পরীক্ষার্থীদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত শিক্ষা বোর্ড নিয়েছে।

জানা গেছে, আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় সার্ভার জটিলতার মুখে পড়েন। গত ১২ মার্চ বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণের জন্য তারা কলেজে যান। এসময় গ্রন্থাগারের অফিস সহায়ক অমিত কুমার সরকার তাদের ফরম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। প্রত্যেকের কাছ থেকে তিনি সাড়ে ৩ হাজার করে টাকা নেন। পরে শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণ করা হয়নি।

প্রবেশপত্র না থাকায় ওই ৮ শিক্ষার্থী গত ৩ জুলাই শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্রে অংশ নিতে পারেননি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে তা শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের নজরে আসে। পরে তার নির্দেশনায় বিশেষ ব্যবস্থায় ফরম পূরণ করে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়।

এরপর শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিন থেকে বাকি পরীক্ষাগুলোয় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। তবে প্রথম পরীক্ষার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন। অবশেষে শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ ব্যবস্থায় সোমবার সেই পরীক্ষা দিলেন।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরিন জানান, আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জনসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা একাধিক বিষয়ের মোট ৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন কারণে বাংলা, পদার্থবিজ্ঞান, যুক্তিবিদ্যাসহ কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় বোর্ডের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। সবার সুবিধার কথা বিবেচনা করে বোর্ডের কাছাকাছি স্থানে কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা জানান, বাড়ি থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় নতুন পরিবেশে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। নিজ জেলার বাইরে কেন্দ্র হওয়ায় অন্য পরীক্ষার্থীরাও ভোগান্তিতে পড়ে।

/এফসি/