পুরোনো যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আনা হলো বিলাসবহুল গাড়ি

পুরোনো যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আনা হলো বিলাসবহুল গাড়ি
নিজস্ব প্রতিবেদক

হেডলাইট, দরজা, সাসপেনশন শক অ্যাবজরভার, স্টিয়ারিং হুইল– এসব পুরোনো যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি। এর মধ্যে রয়েছে– বিএমডব্লিউ, লেক্সাস, রেঞ্জ রোভার ও টয়োটার ক্রাউন অ্যাথলেট। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা এসব গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনা ঘটেছে মোংলা বন্দরে।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। গাড়িগুলো আমদানি করেছে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস।
এনবিআর জানায়, ওই চারটি গাড়ির মডেল হলো– রেঞ্জ রোভার ভোগ, বিএমডব্লিউ ৬৫আই, লেক্সাস এলএক্স৫৭০ ও টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট। এসব গাড়ির সম্ভাব্য মোট বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি থেকে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তদন্ত অনুসারে, যুক্তরাজ্যের তৈরি রেঞ্জ রোভার ভোগ গাড়িটি ২০১৭ সালের মডেল। বাংলাদেশে এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
জাপানে তৈরি লেক্সাস এলএক্স৫৭০ গাড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। এটি ২০১৬ সালের মডেল।
জার্মানির তৈরি বিএমডব্লিউ ৬৫আই গাড়িটি ২০১০ সালের মডেল। বাংলাদেশে এর মূল্য ৬০ লাখ থেকে ৯০ লাখ টাকা। টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট গাড়িটি তৈরি হয়েছে জাপানে। এর দাম ৩০-৪০ লাখ টাকা।
যেভাবে ধরা পড়ে
গত জুলাই মাসে গোয়েন্দা সূত্র থেকে খবর পেয়ে ওই চারটি গাড়ির চালান স্থগিত করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়। ১৯ জুলাই চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। বিআরটিএ ও কুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিমের কারিগরি সহায়তা, পণ্যের বিভিন্ন স্থানে লাগানো বা খোদাই করা স্টিকার, লেবেল, চিহ্ন ও নম্বর বিশ্লেষণ এবং এআইয়ের সহায়তায় গাড়িগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, এসব চালানে পুরোনো গাড়ির সাধারণ যন্ত্রাংশ আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যেমন হেডলাইট, ব্যবহৃত দরজা, সাসপেনশন শক অ্যাবজরভার, টেইল লাইট, এয়ার ক্লিনার বক্স, রাবার চ্যানেল, স্টিয়ারিং হুইল ইত্যাদি।
কিন্তু সাধারণ খুচরা যন্ত্রাংশ হিসেবে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করার পরিবর্তে পুরো গাড়িকে মাত্র তিন-চারটি বড় অংশে ভাগ করে সেমি নকড ডাউন (সিকেডি) অবস্থায় আমদানি করা হয়েছে। শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৭ টাকা।
গাড়ির ওপর আমদানি শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, অগ্রিম কর, ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক– এসব নানা ধরনের শুল্ক-কর বসে। তবে দামি ও বেশি সিসির ইঞ্জিনক্ষমতাবিশিষ্ট গাড়ির ওপর সম্পূরক শুল্ক বেশি বসে। সিসিভেদে গাড়ির ওপর ৩০ থেকে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পূরক শুল্ক বসে। এই শুল্ক ফাঁকি দিতেই নানা কৌশল ব্যবহার করেন আমদানিকারকেরা।
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানান, গাড়িগুলোর শুল্কায়নযোগ্য দাম কত, তা নির্ধারণ করে শুল্ক আরোপ করা হবে। এরপর আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হেডলাইট, দরজা, সাসপেনশন শক অ্যাবজরভার, স্টিয়ারিং হুইল– এসব পুরোনো যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি। এর মধ্যে রয়েছে– বিএমডব্লিউ, লেক্সাস, রেঞ্জ রোভার ও টয়োটার ক্রাউন অ্যাথলেট। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা এসব গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনা ঘটেছে মোংলা বন্দরে।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। গাড়িগুলো আমদানি করেছে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস।
এনবিআর জানায়, ওই চারটি গাড়ির মডেল হলো– রেঞ্জ রোভার ভোগ, বিএমডব্লিউ ৬৫আই, লেক্সাস এলএক্স৫৭০ ও টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট। এসব গাড়ির সম্ভাব্য মোট বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি থেকে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তদন্ত অনুসারে, যুক্তরাজ্যের তৈরি রেঞ্জ রোভার ভোগ গাড়িটি ২০১৭ সালের মডেল। বাংলাদেশে এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
জাপানে তৈরি লেক্সাস এলএক্স৫৭০ গাড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। এটি ২০১৬ সালের মডেল।
জার্মানির তৈরি বিএমডব্লিউ ৬৫আই গাড়িটি ২০১০ সালের মডেল। বাংলাদেশে এর মূল্য ৬০ লাখ থেকে ৯০ লাখ টাকা। টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট গাড়িটি তৈরি হয়েছে জাপানে। এর দাম ৩০-৪০ লাখ টাকা।
যেভাবে ধরা পড়ে
গত জুলাই মাসে গোয়েন্দা সূত্র থেকে খবর পেয়ে ওই চারটি গাড়ির চালান স্থগিত করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়। ১৯ জুলাই চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। বিআরটিএ ও কুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিমের কারিগরি সহায়তা, পণ্যের বিভিন্ন স্থানে লাগানো বা খোদাই করা স্টিকার, লেবেল, চিহ্ন ও নম্বর বিশ্লেষণ এবং এআইয়ের সহায়তায় গাড়িগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, এসব চালানে পুরোনো গাড়ির সাধারণ যন্ত্রাংশ আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যেমন হেডলাইট, ব্যবহৃত দরজা, সাসপেনশন শক অ্যাবজরভার, টেইল লাইট, এয়ার ক্লিনার বক্স, রাবার চ্যানেল, স্টিয়ারিং হুইল ইত্যাদি।
কিন্তু সাধারণ খুচরা যন্ত্রাংশ হিসেবে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করার পরিবর্তে পুরো গাড়িকে মাত্র তিন-চারটি বড় অংশে ভাগ করে সেমি নকড ডাউন (সিকেডি) অবস্থায় আমদানি করা হয়েছে। শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৭ টাকা।
গাড়ির ওপর আমদানি শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, অগ্রিম কর, ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক– এসব নানা ধরনের শুল্ক-কর বসে। তবে দামি ও বেশি সিসির ইঞ্জিনক্ষমতাবিশিষ্ট গাড়ির ওপর সম্পূরক শুল্ক বেশি বসে। সিসিভেদে গাড়ির ওপর ৩০ থেকে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পূরক শুল্ক বসে। এই শুল্ক ফাঁকি দিতেই নানা কৌশল ব্যবহার করেন আমদানিকারকেরা।
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানান, গাড়িগুলোর শুল্কায়নযোগ্য দাম কত, তা নির্ধারণ করে শুল্ক আরোপ করা হবে। এরপর আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুরোনো যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আনা হলো বিলাসবহুল গাড়ি
নিজস্ব প্রতিবেদক

হেডলাইট, দরজা, সাসপেনশন শক অ্যাবজরভার, স্টিয়ারিং হুইল– এসব পুরোনো যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা হয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি। এর মধ্যে রয়েছে– বিএমডব্লিউ, লেক্সাস, রেঞ্জ রোভার ও টয়োটার ক্রাউন অ্যাথলেট। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা এসব গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনা ঘটেছে মোংলা বন্দরে।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। গাড়িগুলো আমদানি করেছে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস।
এনবিআর জানায়, ওই চারটি গাড়ির মডেল হলো– রেঞ্জ রোভার ভোগ, বিএমডব্লিউ ৬৫আই, লেক্সাস এলএক্স৫৭০ ও টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট। এসব গাড়ির সম্ভাব্য মোট বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি থেকে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তদন্ত অনুসারে, যুক্তরাজ্যের তৈরি রেঞ্জ রোভার ভোগ গাড়িটি ২০১৭ সালের মডেল। বাংলাদেশে এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
জাপানে তৈরি লেক্সাস এলএক্স৫৭০ গাড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা। এটি ২০১৬ সালের মডেল।
জার্মানির তৈরি বিএমডব্লিউ ৬৫আই গাড়িটি ২০১০ সালের মডেল। বাংলাদেশে এর মূল্য ৬০ লাখ থেকে ৯০ লাখ টাকা। টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট গাড়িটি তৈরি হয়েছে জাপানে। এর দাম ৩০-৪০ লাখ টাকা।
যেভাবে ধরা পড়ে
গত জুলাই মাসে গোয়েন্দা সূত্র থেকে খবর পেয়ে ওই চারটি গাড়ির চালান স্থগিত করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়। ১৯ জুলাই চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। বিআরটিএ ও কুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিমের কারিগরি সহায়তা, পণ্যের বিভিন্ন স্থানে লাগানো বা খোদাই করা স্টিকার, লেবেল, চিহ্ন ও নম্বর বিশ্লেষণ এবং এআইয়ের সহায়তায় গাড়িগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, এসব চালানে পুরোনো গাড়ির সাধারণ যন্ত্রাংশ আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যেমন হেডলাইট, ব্যবহৃত দরজা, সাসপেনশন শক অ্যাবজরভার, টেইল লাইট, এয়ার ক্লিনার বক্স, রাবার চ্যানেল, স্টিয়ারিং হুইল ইত্যাদি।
কিন্তু সাধারণ খুচরা যন্ত্রাংশ হিসেবে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করার পরিবর্তে পুরো গাড়িকে মাত্র তিন-চারটি বড় অংশে ভাগ করে সেমি নকড ডাউন (সিকেডি) অবস্থায় আমদানি করা হয়েছে। শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৭ টাকা।
গাড়ির ওপর আমদানি শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, অগ্রিম কর, ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক– এসব নানা ধরনের শুল্ক-কর বসে। তবে দামি ও বেশি সিসির ইঞ্জিনক্ষমতাবিশিষ্ট গাড়ির ওপর সম্পূরক শুল্ক বেশি বসে। সিসিভেদে গাড়ির ওপর ৩০ থেকে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পূরক শুল্ক বসে। এই শুল্ক ফাঁকি দিতেই নানা কৌশল ব্যবহার করেন আমদানিকারকেরা।
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানান, গাড়িগুলোর শুল্কায়নযোগ্য দাম কত, তা নির্ধারণ করে শুল্ক আরোপ করা হবে। এরপর আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম ১১ মাসে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড


-CznNewsLab-32b76c-256x144.webp)



