নতুন পে স্কেলে কার বেতন কত

নতুন পে স্কেলে কার বেতন কত
সিজেডএন ডেস্ক

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে স্কেল অনুমোদনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। আগামী সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব উঠতে পারে। ওই দিন অনুমোদন হলে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকারের ভেতরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতিও রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সবকিছু চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো এজেন্ডাভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য তোলার প্রস্তুতি চলছে। অনুমোদন হলে বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।’
তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত করা খসড়ায় বেতন-ভাতা কত শতাংশ বাড়ছে, সে বিষয়ে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে।
গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশনের কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
দুই ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ
সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরির জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ইতিমধ্যে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের ভাষ্য, প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব রয়েছে। প্রথম বছরে মূল বেতন এবং পরের বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর হতে পারে।
সম্ভাব্য বেতন কত
চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে নিচের তালিকাকে চূড়ান্ত বেতন কাঠামো হিসেবে নয়, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রস্তাব ও প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য বেতন কাঠামো হিসেবে দেখতে হবে।
গ্রেড| সম্ভাব্য মূল বেতন
১ম গ্রেড| ১,৬০,০০০ টাকা (নির্ধারিত)
২য় গ্রেড| ১,৩২,০০০–১,৫৩,০০০ টাকা
৩য় গ্রেড| ১,১৩,০০০–১,৪৮,৮০০ টাকা
৪র্থ গ্রেড| ১,০০,০০০–১,৪২,৪০০ টাকা
৫ম গ্রেড| ৮৬,০০০–১,৩৯,৭০০ টাকা
৬ষ্ঠ গ্রেড| ৭১,০০০–১,৩৪,০০০ টাকা
৭ম গ্রেড| ৫৮,০০০–১,২৬,৮০০ টাকা
৮ম গ্রেড| ৪৭,২০০–১,১৩,৭০০ টাকা
৯ম গ্রেড| ৪৫,১০০–১,০৮,৮০০ টাকা
১০ম গ্রেড| ৩২,০০০–৭৭,৩০০ টাকা
১১তম গ্রেড| ২৫,০০০–৬০,৫০০ টাকা
১২তম গ্রেড| ২৪,৩০০–৫৮,৭০০ টাকা
১৩তম গ্রেড| ২৪,০০০–৫৮,০০০ টাকা
১৪তম গ্রেড| ২৩,৫০০–৫৬,৮০০ টাকা
১৫তম গ্রেড| ২২,৮০০–৫৫,২০০ টাকা
১৬তম গ্রেড| ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা
১৭তম গ্রেড| ২১,৪০০–৫১,৯০০ টাকা
১৮তম গ্রেড| ২১,০০০–৫০,৯০০ টাকা
১৯তম গ্রেড| ২০,৫০০–৪৯,৬০০ টাকা
২০তম গ্রেড| ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা
এই তালিকা আগের কমিশন ও সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের প্রস্তাবিত কাঠামোর ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। তাই সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এসব বেতনকে চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
বাজেটে বড় বরাদ্দ
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকেও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
‘নবম পে-স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর’ শিরোনামের অংশে বলা হয়েছে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট বরাদ্দ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।
তবে নতুন পে স্কেলের চূড়ান্ত বেতন, ভাতা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি মন্ত্রিসভার অনুমোদন এবং পরবর্তী সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে স্কেল অনুমোদনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। আগামী সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব উঠতে পারে। ওই দিন অনুমোদন হলে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকারের ভেতরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতিও রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সবকিছু চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো এজেন্ডাভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য তোলার প্রস্তুতি চলছে। অনুমোদন হলে বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।’
তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত করা খসড়ায় বেতন-ভাতা কত শতাংশ বাড়ছে, সে বিষয়ে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে।
গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশনের কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
দুই ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ
সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরির জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ইতিমধ্যে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের ভাষ্য, প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব রয়েছে। প্রথম বছরে মূল বেতন এবং পরের বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর হতে পারে।
সম্ভাব্য বেতন কত
চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে নিচের তালিকাকে চূড়ান্ত বেতন কাঠামো হিসেবে নয়, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রস্তাব ও প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য বেতন কাঠামো হিসেবে দেখতে হবে।
গ্রেড| সম্ভাব্য মূল বেতন
১ম গ্রেড| ১,৬০,০০০ টাকা (নির্ধারিত)
২য় গ্রেড| ১,৩২,০০০–১,৫৩,০০০ টাকা
৩য় গ্রেড| ১,১৩,০০০–১,৪৮,৮০০ টাকা
৪র্থ গ্রেড| ১,০০,০০০–১,৪২,৪০০ টাকা
৫ম গ্রেড| ৮৬,০০০–১,৩৯,৭০০ টাকা
৬ষ্ঠ গ্রেড| ৭১,০০০–১,৩৪,০০০ টাকা
৭ম গ্রেড| ৫৮,০০০–১,২৬,৮০০ টাকা
৮ম গ্রেড| ৪৭,২০০–১,১৩,৭০০ টাকা
৯ম গ্রেড| ৪৫,১০০–১,০৮,৮০০ টাকা
১০ম গ্রেড| ৩২,০০০–৭৭,৩০০ টাকা
১১তম গ্রেড| ২৫,০০০–৬০,৫০০ টাকা
১২তম গ্রেড| ২৪,৩০০–৫৮,৭০০ টাকা
১৩তম গ্রেড| ২৪,০০০–৫৮,০০০ টাকা
১৪তম গ্রেড| ২৩,৫০০–৫৬,৮০০ টাকা
১৫তম গ্রেড| ২২,৮০০–৫৫,২০০ টাকা
১৬তম গ্রেড| ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা
১৭তম গ্রেড| ২১,৪০০–৫১,৯০০ টাকা
১৮তম গ্রেড| ২১,০০০–৫০,৯০০ টাকা
১৯তম গ্রেড| ২০,৫০০–৪৯,৬০০ টাকা
২০তম গ্রেড| ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা
এই তালিকা আগের কমিশন ও সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের প্রস্তাবিত কাঠামোর ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। তাই সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এসব বেতনকে চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
বাজেটে বড় বরাদ্দ
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকেও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
‘নবম পে-স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর’ শিরোনামের অংশে বলা হয়েছে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট বরাদ্দ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।
তবে নতুন পে স্কেলের চূড়ান্ত বেতন, ভাতা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি মন্ত্রিসভার অনুমোদন এবং পরবর্তী সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নতুন পে স্কেলে কার বেতন কত
সিজেডএন ডেস্ক

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে স্কেল অনুমোদনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। আগামী সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব উঠতে পারে। ওই দিন অনুমোদন হলে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকারের ভেতরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতিও রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সবকিছু চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো এজেন্ডাভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য তোলার প্রস্তুতি চলছে। অনুমোদন হলে বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।’
তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত করা খসড়ায় বেতন-ভাতা কত শতাংশ বাড়ছে, সে বিষয়ে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে।
গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানিয়েছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশনের কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
দুই ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ
সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরির জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ইতিমধ্যে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের ভাষ্য, প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব রয়েছে। প্রথম বছরে মূল বেতন এবং পরের বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর হতে পারে।
সম্ভাব্য বেতন কত
চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে নিচের তালিকাকে চূড়ান্ত বেতন কাঠামো হিসেবে নয়, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রস্তাব ও প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য বেতন কাঠামো হিসেবে দেখতে হবে।
গ্রেড| সম্ভাব্য মূল বেতন
১ম গ্রেড| ১,৬০,০০০ টাকা (নির্ধারিত)
২য় গ্রেড| ১,৩২,০০০–১,৫৩,০০০ টাকা
৩য় গ্রেড| ১,১৩,০০০–১,৪৮,৮০০ টাকা
৪র্থ গ্রেড| ১,০০,০০০–১,৪২,৪০০ টাকা
৫ম গ্রেড| ৮৬,০০০–১,৩৯,৭০০ টাকা
৬ষ্ঠ গ্রেড| ৭১,০০০–১,৩৪,০০০ টাকা
৭ম গ্রেড| ৫৮,০০০–১,২৬,৮০০ টাকা
৮ম গ্রেড| ৪৭,২০০–১,১৩,৭০০ টাকা
৯ম গ্রেড| ৪৫,১০০–১,০৮,৮০০ টাকা
১০ম গ্রেড| ৩২,০০০–৭৭,৩০০ টাকা
১১তম গ্রেড| ২৫,০০০–৬০,৫০০ টাকা
১২তম গ্রেড| ২৪,৩০০–৫৮,৭০০ টাকা
১৩তম গ্রেড| ২৪,০০০–৫৮,০০০ টাকা
১৪তম গ্রেড| ২৩,৫০০–৫৬,৮০০ টাকা
১৫তম গ্রেড| ২২,৮০০–৫৫,২০০ টাকা
১৬তম গ্রেড| ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা
১৭তম গ্রেড| ২১,৪০০–৫১,৯০০ টাকা
১৮তম গ্রেড| ২১,০০০–৫০,৯০০ টাকা
১৯তম গ্রেড| ২০,৫০০–৪৯,৬০০ টাকা
২০তম গ্রেড| ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা
এই তালিকা আগের কমিশন ও সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের প্রস্তাবিত কাঠামোর ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। তাই সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এসব বেতনকে চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
বাজেটে বড় বরাদ্দ
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকেও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
‘নবম পে-স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর’ শিরোনামের অংশে বলা হয়েছে, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট বরাদ্দ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।
তবে নতুন পে স্কেলের চূড়ান্ত বেতন, ভাতা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি মন্ত্রিসভার অনুমোদন এবং পরবর্তী সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।







