আবারও বাড়ল ফার্নেস তেলের দাম, বাড়তে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়
সিটিজেন ডেস্ক

আবারও বাড়ল ফার্নেস তেলের দাম, বাড়তে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ০১: ৪৯

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে লিটারপ্রতি দাম ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সায়।
সোমবার (১৮ মে) রাত ১২টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। এর আগে গত মাসেও লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বিইআরসি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত সময়ে আমদানি করা ফার্নেস তেলের মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফার্নেস তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।
এর আগে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির কাছে হস্তান্তর করার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার তৃতীয় দফায় দাম সমন্বয় করা হলো।
বিপিসির অধীন চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড—নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে।
এই তেলের প্রধান ক্রেতা হলো সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
সবশেষ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিপিসি বিইআরসির কাছে দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব পাঠায়। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও পৃথক প্রস্তাব জমা দেয়। দীর্ঘ এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি।
সোমবার (১৮ মে) রাত ১২টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। এর আগে গত মাসেও লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বিইআরসি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত সময়ে আমদানি করা ফার্নেস তেলের মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফার্নেস তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।
এর আগে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির কাছে হস্তান্তর করার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার তৃতীয় দফায় দাম সমন্বয় করা হলো।
বিপিসির অধীন চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড—নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে।
এই তেলের প্রধান ক্রেতা হলো সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
সবশেষ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিপিসি বিইআরসির কাছে দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব পাঠায়। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও পৃথক প্রস্তাব জমা দেয়। দীর্ঘ এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে লিটারপ্রতি দাম ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সায়।
সোমবার (১৮ মে) রাত ১২টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। এর আগে গত মাসেও লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বিইআরসি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত সময়ে আমদানি করা ফার্নেস তেলের মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফার্নেস তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।
এর আগে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির কাছে হস্তান্তর করার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার তৃতীয় দফায় দাম সমন্বয় করা হলো।
বিপিসির অধীন চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড—নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে।
এই তেলের প্রধান ক্রেতা হলো সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
সবশেষ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিপিসি বিইআরসির কাছে দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব পাঠায়। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও পৃথক প্রস্তাব জমা দেয়। দীর্ঘ এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি।
সোমবার (১৮ মে) রাত ১২টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। এর আগে গত মাসেও লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বিইআরসি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত সময়ে আমদানি করা ফার্নেস তেলের মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফার্নেস তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।
এর আগে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির কাছে হস্তান্তর করার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার তৃতীয় দফায় দাম সমন্বয় করা হলো।
বিপিসির অধীন চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড—নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে।
এই তেলের প্রধান ক্রেতা হলো সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
সবশেষ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিপিসি বিইআরসির কাছে দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব পাঠায়। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও পৃথক প্রস্তাব জমা দেয়। দীর্ঘ এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি।

আবারও বাড়ল ফার্নেস তেলের দাম, বাড়তে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ০১: ৪৯

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের দাম ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে লিটারপ্রতি দাম ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সায়।
সোমবার (১৮ মে) রাত ১২টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। এর আগে গত মাসেও লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বিইআরসি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত সময়ে আমদানি করা ফার্নেস তেলের মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফার্নেস তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।
এর আগে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির কাছে হস্তান্তর করার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার তৃতীয় দফায় দাম সমন্বয় করা হলো।
বিপিসির অধীন চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড—নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে।
এই তেলের প্রধান ক্রেতা হলো সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
সবশেষ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিপিসি বিইআরসির কাছে দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব পাঠায়। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও পৃথক প্রস্তাব জমা দেয়। দীর্ঘ এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি।
সোমবার (১৮ মে) রাত ১২টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। এর আগে গত মাসেও লিটারপ্রতি ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল।
বিইআরসি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত সময়ে আমদানি করা ফার্নেস তেলের মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফার্নেস তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।
এর আগে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির কাছে হস্তান্তর করার পর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার তৃতীয় দফায় দাম সমন্বয় করা হলো।
বিপিসির অধীন চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড—নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে।
এই তেলের প্রধান ক্রেতা হলো সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
সবশেষ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিপিসি বিইআরসির কাছে দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব পাঠায়। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও পৃথক প্রস্তাব জমা দেয়। দীর্ঘ এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি।
/এমআর/




