মসলার বাজারে ঝাঁঝ, কমেছে কেনাকাটা

মসলার বাজারে ঝাঁঝ, কমেছে কেনাকাটা
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

ঈদ মানেই আনন্দ, উৎসব আর পরিবারকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন। আর কোরবানির ঈদে সেই আয়োজনের বড় অংশজুড়ে থাকে বাহারি মসলার গন্ধে ভরা রান্না। কিন্তু এবারের ঈদে রান্নাঘরের সেই সুগন্ধ যেন অনেক পরিবারের জন্য হয়ে উঠেছে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ। বাজারে মসলার ঝাঁঝের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও।
শুক্রবার (২২ মে) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। বর্তমানে এলাচ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায়। ধনিয়া ১৮০, লবঙ্গের দাম ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা, জিরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দারুচিনি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ধনিয়ার গুঁড়া কেজি প্রতি ৩০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ঈদের রান্নায় মসলার ব্যবহার বেশি হওয়ায় বাজারে ক্রেতাদের ভিড়ও বেড়েছে। তবে দাম শুনে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনছেন বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
ক্রেতারা বলছেন, আয় না বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। ফলে উৎসবের আনন্দের আগেই সংসারের খরচ মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রতি ঈদের আগেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করে তোলে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও কঠোর নজরদারি না থাকায় সাধারণ মানুষকে বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।
রাজধানীর রায়সাহেব বাজারে মসলা কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মাহবুব আলম বলেন, প্রতিটি মসলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। আগে যেটা এক কেজি কিনতাম, এখন অর্ধেক কিনেও হিসাব মেলাতে কষ্ট হচ্ছে। ঈদের বাজার করতে এসে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছি মসলার দোকানেই।
শুধু শুকনা মসলাই নয়, বেড়েছে রান্নার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দামও। ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং মৌসুমি চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণেই বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে।
মসলা বিক্রেতা টাঙ্গাইল ট্রেডার্স এর রোকনুজ্জামান রাব্বি বলেন, ঈদের আগে মসলার চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে কোরবানির ঈদে বিভিন্ন রান্নায় মসলার ব্যবহার বেশি হওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান বলেন, ঈদ সামনে আসলেই মসলার চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। আমদানিনির্ভর অনেক পণ্যের দাম আগেই বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহন ও সরবরাহ খরচও বেশি। ফলে পাইকারি বাজারেই আগের তুলনায় বেশি দামে মসলা বিক্রি করতে হচ্ছে।

ঈদ মানেই আনন্দ, উৎসব আর পরিবারকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন। আর কোরবানির ঈদে সেই আয়োজনের বড় অংশজুড়ে থাকে বাহারি মসলার গন্ধে ভরা রান্না। কিন্তু এবারের ঈদে রান্নাঘরের সেই সুগন্ধ যেন অনেক পরিবারের জন্য হয়ে উঠেছে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ। বাজারে মসলার ঝাঁঝের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও।
শুক্রবার (২২ মে) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। বর্তমানে এলাচ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায়। ধনিয়া ১৮০, লবঙ্গের দাম ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা, জিরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দারুচিনি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ধনিয়ার গুঁড়া কেজি প্রতি ৩০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ঈদের রান্নায় মসলার ব্যবহার বেশি হওয়ায় বাজারে ক্রেতাদের ভিড়ও বেড়েছে। তবে দাম শুনে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনছেন বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
ক্রেতারা বলছেন, আয় না বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। ফলে উৎসবের আনন্দের আগেই সংসারের খরচ মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রতি ঈদের আগেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করে তোলে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও কঠোর নজরদারি না থাকায় সাধারণ মানুষকে বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।
রাজধানীর রায়সাহেব বাজারে মসলা কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মাহবুব আলম বলেন, প্রতিটি মসলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। আগে যেটা এক কেজি কিনতাম, এখন অর্ধেক কিনেও হিসাব মেলাতে কষ্ট হচ্ছে। ঈদের বাজার করতে এসে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছি মসলার দোকানেই।
শুধু শুকনা মসলাই নয়, বেড়েছে রান্নার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দামও। ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং মৌসুমি চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণেই বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে।
মসলা বিক্রেতা টাঙ্গাইল ট্রেডার্স এর রোকনুজ্জামান রাব্বি বলেন, ঈদের আগে মসলার চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে কোরবানির ঈদে বিভিন্ন রান্নায় মসলার ব্যবহার বেশি হওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান বলেন, ঈদ সামনে আসলেই মসলার চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। আমদানিনির্ভর অনেক পণ্যের দাম আগেই বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহন ও সরবরাহ খরচও বেশি। ফলে পাইকারি বাজারেই আগের তুলনায় বেশি দামে মসলা বিক্রি করতে হচ্ছে।

মসলার বাজারে ঝাঁঝ, কমেছে কেনাকাটা
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

ঈদ মানেই আনন্দ, উৎসব আর পরিবারকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন। আর কোরবানির ঈদে সেই আয়োজনের বড় অংশজুড়ে থাকে বাহারি মসলার গন্ধে ভরা রান্না। কিন্তু এবারের ঈদে রান্নাঘরের সেই সুগন্ধ যেন অনেক পরিবারের জন্য হয়ে উঠেছে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ। বাজারে মসলার ঝাঁঝের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও।
শুক্রবার (২২ মে) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে। বর্তমানে এলাচ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায়। ধনিয়া ১৮০, লবঙ্গের দাম ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা, জিরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দারুচিনি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ধনিয়ার গুঁড়া কেজি প্রতি ৩০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ঈদের রান্নায় মসলার ব্যবহার বেশি হওয়ায় বাজারে ক্রেতাদের ভিড়ও বেড়েছে। তবে দাম শুনে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনছেন বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
ক্রেতারা বলছেন, আয় না বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে। ফলে উৎসবের আনন্দের আগেই সংসারের খরচ মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রতি ঈদের আগেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করে তোলে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও কঠোর নজরদারি না থাকায় সাধারণ মানুষকে বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।
রাজধানীর রায়সাহেব বাজারে মসলা কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মাহবুব আলম বলেন, প্রতিটি মসলার দাম অনেক বেড়ে গেছে। আগে যেটা এক কেজি কিনতাম, এখন অর্ধেক কিনেও হিসাব মেলাতে কষ্ট হচ্ছে। ঈদের বাজার করতে এসে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছি মসলার দোকানেই।
শুধু শুকনা মসলাই নয়, বেড়েছে রান্নার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দামও। ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং মৌসুমি চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণেই বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে।
মসলা বিক্রেতা টাঙ্গাইল ট্রেডার্স এর রোকনুজ্জামান রাব্বি বলেন, ঈদের আগে মসলার চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে কোরবানির ঈদে বিভিন্ন রান্নায় মসলার ব্যবহার বেশি হওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান বলেন, ঈদ সামনে আসলেই মসলার চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। আমদানিনির্ভর অনেক পণ্যের দাম আগেই বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহন ও সরবরাহ খরচও বেশি। ফলে পাইকারি বাজারেই আগের তুলনায় বেশি দামে মসলা বিক্রি করতে হচ্ছে।




