ঈদের বাজার মন্দা, ফ্রিজ-টিভির বিক্রি কম

ঈদের বাজার মন্দা, ফ্রিজ-টিভির বিক্রি কম
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে প্রত্যাশিত বিক্রি নেই। বিশেষ করে এই ঈদে ফ্রিজ ও চলতি বছরের ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে টেলিভিশন বিক্রিও আশানুরূপ নয়। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় ফ্রিজ ও টেলিভিশন বিক্রি কমে গেছে।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মার্কেট, মগবাজার ও মালিবাগের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিকস পণ্যের শোরুম ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে অন্যান্য বছর বিপণিবিতান এবং ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় থাকে। এবার গত বছরের তুলনায় ভিড় অনেক কম। সামনে ফুটবল বিশ্বকাপ। সেই কারণে টেলিভিশন বিক্রি ভালো হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ২০২২ সালে বিশ্বকাপের আগে যতসংখ্যক টেলিভিশন বিক্রি হয়েছে এবার ঠিক সেই পরিমাণ টেলিভিশন বিক্রি হচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ ক্রেতা হাতে বেশি টাকা না থাকায় কম দামের পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। সংসারের বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে অনেকেই বিলাসী পণ্য কেনাকাটা সীমিত করে ফেলেছেন।
বায়তুল মোকাররমের ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুমের বিক্রয়কর্মী অলক ঘোষ বলেন, গত ১৬ বছরের চাকরি জীবনে এত কম বিক্রি তিনি দেখেননি। তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ সামনে থাকলেও আগের মতো ক্রেতা নেই। তবে ঈদের শেষ সময়ে বিক্রি কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশা করছি।’
একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন বায়তুল মোকাররমের ট্রান্সকম ডিজিটালের শোরুমের ব্যবস্থাপক শাওন চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় চলতি বছরের ঈদ মৌসুমে বিক্রি প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে।
অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব সাধারণ ক্রেতাদের ওপরও পড়েছে। এ বিষয়ে কয়েকজন ক্রেতা বলেন, সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর পর অতিরিক্ত কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও বাধ্য হয়ে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে একটি ডিপ ফ্রিজ কিনেছি। আরও একটি বড় ফ্রিজ কেনার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাজেট কম থাকায় সেটি কেনা সম্ভব হয়নি। কাওছার আহমেদ, চাকরিজীবী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কাওছার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও বাধ্য হয়ে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে একটি ডিপ ফ্রিজ কিনেছি। আরও একটি বড় ফ্রিজ কেনার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাজেট কম থাকায় সেটি কেনা সম্ভব হয়নি।’
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিই ঈদের বাজার মন্দার হওয়ার বড় কারণ হিসেবে দেখছেন এক ব্যবসায়ী । তার ভাষ্য, ‘৫টি ব্যাংকে মানুষের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে। তার ওপর চারদিকে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার প্রভাব পড়ছে বাজারে। আগে ফ্রিজ বিক্রি করতে করতে দুপুরে খাওয়ার সময় পেতাম না, এখন দিনে মাত্র দুই-তিনটি বিক্রি হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ক্রেতা বলেন, ‘আমার বাজেট ৩০ হাজার, ভালো একটি ফ্রিজ কেনার চেষ্টা করছি। তবে এই টাকায় পছন্দের ফ্রিজ পাওয়াটা দুষ্কর।’
এমন পরিস্থিতিতে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙা করতে শনিবার (২৩মে) বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, যে পরিকল্পনা মাথায় রেখে এই তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাজারে অর্থনৈতিক গতি অনেকটাই ফিরে আসতে পারে।
তবে এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, দেশের অর্থনীতি অনেক চাপে আছে। সেই কারণেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে আসছে। এর সঙ্গে মুল্যস্ফীতি যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়েছে। সেই চাপ কাটিয়ে উঠতে অর্থমন্ত্রী দুই বছরের একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুব দ্রুত এই মন্দা কাটবে না, সময় দিতে হবে।

ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে প্রত্যাশিত বিক্রি নেই। বিশেষ করে এই ঈদে ফ্রিজ ও চলতি বছরের ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে টেলিভিশন বিক্রিও আশানুরূপ নয়। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় ফ্রিজ ও টেলিভিশন বিক্রি কমে গেছে।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মার্কেট, মগবাজার ও মালিবাগের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিকস পণ্যের শোরুম ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে অন্যান্য বছর বিপণিবিতান এবং ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় থাকে। এবার গত বছরের তুলনায় ভিড় অনেক কম। সামনে ফুটবল বিশ্বকাপ। সেই কারণে টেলিভিশন বিক্রি ভালো হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ২০২২ সালে বিশ্বকাপের আগে যতসংখ্যক টেলিভিশন বিক্রি হয়েছে এবার ঠিক সেই পরিমাণ টেলিভিশন বিক্রি হচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ ক্রেতা হাতে বেশি টাকা না থাকায় কম দামের পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। সংসারের বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে অনেকেই বিলাসী পণ্য কেনাকাটা সীমিত করে ফেলেছেন।
বায়তুল মোকাররমের ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুমের বিক্রয়কর্মী অলক ঘোষ বলেন, গত ১৬ বছরের চাকরি জীবনে এত কম বিক্রি তিনি দেখেননি। তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ সামনে থাকলেও আগের মতো ক্রেতা নেই। তবে ঈদের শেষ সময়ে বিক্রি কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশা করছি।’
একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন বায়তুল মোকাররমের ট্রান্সকম ডিজিটালের শোরুমের ব্যবস্থাপক শাওন চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় চলতি বছরের ঈদ মৌসুমে বিক্রি প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে।
অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব সাধারণ ক্রেতাদের ওপরও পড়েছে। এ বিষয়ে কয়েকজন ক্রেতা বলেন, সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর পর অতিরিক্ত কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও বাধ্য হয়ে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে একটি ডিপ ফ্রিজ কিনেছি। আরও একটি বড় ফ্রিজ কেনার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাজেট কম থাকায় সেটি কেনা সম্ভব হয়নি। কাওছার আহমেদ, চাকরিজীবী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কাওছার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও বাধ্য হয়ে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে একটি ডিপ ফ্রিজ কিনেছি। আরও একটি বড় ফ্রিজ কেনার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাজেট কম থাকায় সেটি কেনা সম্ভব হয়নি।’
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিই ঈদের বাজার মন্দার হওয়ার বড় কারণ হিসেবে দেখছেন এক ব্যবসায়ী । তার ভাষ্য, ‘৫টি ব্যাংকে মানুষের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে। তার ওপর চারদিকে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার প্রভাব পড়ছে বাজারে। আগে ফ্রিজ বিক্রি করতে করতে দুপুরে খাওয়ার সময় পেতাম না, এখন দিনে মাত্র দুই-তিনটি বিক্রি হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ক্রেতা বলেন, ‘আমার বাজেট ৩০ হাজার, ভালো একটি ফ্রিজ কেনার চেষ্টা করছি। তবে এই টাকায় পছন্দের ফ্রিজ পাওয়াটা দুষ্কর।’
এমন পরিস্থিতিতে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙা করতে শনিবার (২৩মে) বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, যে পরিকল্পনা মাথায় রেখে এই তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাজারে অর্থনৈতিক গতি অনেকটাই ফিরে আসতে পারে।
তবে এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, দেশের অর্থনীতি অনেক চাপে আছে। সেই কারণেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে আসছে। এর সঙ্গে মুল্যস্ফীতি যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়েছে। সেই চাপ কাটিয়ে উঠতে অর্থমন্ত্রী দুই বছরের একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুব দ্রুত এই মন্দা কাটবে না, সময় দিতে হবে।

ঈদের বাজার মন্দা, ফ্রিজ-টিভির বিক্রি কম
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে প্রত্যাশিত বিক্রি নেই। বিশেষ করে এই ঈদে ফ্রিজ ও চলতি বছরের ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে টেলিভিশন বিক্রিও আশানুরূপ নয়। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় ফ্রিজ ও টেলিভিশন বিক্রি কমে গেছে।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মার্কেট, মগবাজার ও মালিবাগের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিকস পণ্যের শোরুম ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে অন্যান্য বছর বিপণিবিতান এবং ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় থাকে। এবার গত বছরের তুলনায় ভিড় অনেক কম। সামনে ফুটবল বিশ্বকাপ। সেই কারণে টেলিভিশন বিক্রি ভালো হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ২০২২ সালে বিশ্বকাপের আগে যতসংখ্যক টেলিভিশন বিক্রি হয়েছে এবার ঠিক সেই পরিমাণ টেলিভিশন বিক্রি হচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ ক্রেতা হাতে বেশি টাকা না থাকায় কম দামের পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। সংসারের বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে অনেকেই বিলাসী পণ্য কেনাকাটা সীমিত করে ফেলেছেন।
বায়তুল মোকাররমের ওয়ালটন এক্সক্লুসিভ শোরুমের বিক্রয়কর্মী অলক ঘোষ বলেন, গত ১৬ বছরের চাকরি জীবনে এত কম বিক্রি তিনি দেখেননি। তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ সামনে থাকলেও আগের মতো ক্রেতা নেই। তবে ঈদের শেষ সময়ে বিক্রি কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশা করছি।’
একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন বায়তুল মোকাররমের ট্রান্সকম ডিজিটালের শোরুমের ব্যবস্থাপক শাওন চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় চলতি বছরের ঈদ মৌসুমে বিক্রি প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে।
অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব সাধারণ ক্রেতাদের ওপরও পড়েছে। এ বিষয়ে কয়েকজন ক্রেতা বলেন, সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর পর অতিরিক্ত কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও বাধ্য হয়ে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে একটি ডিপ ফ্রিজ কিনেছি। আরও একটি বড় ফ্রিজ কেনার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাজেট কম থাকায় সেটি কেনা সম্ভব হয়নি। কাওছার আহমেদ, চাকরিজীবী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কাওছার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও বাধ্য হয়ে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে একটি ডিপ ফ্রিজ কিনেছি। আরও একটি বড় ফ্রিজ কেনার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাজেট কম থাকায় সেটি কেনা সম্ভব হয়নি।’
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিই ঈদের বাজার মন্দার হওয়ার বড় কারণ হিসেবে দেখছেন এক ব্যবসায়ী । তার ভাষ্য, ‘৫টি ব্যাংকে মানুষের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে আছে। তার ওপর চারদিকে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার প্রভাব পড়ছে বাজারে। আগে ফ্রিজ বিক্রি করতে করতে দুপুরে খাওয়ার সময় পেতাম না, এখন দিনে মাত্র দুই-তিনটি বিক্রি হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ক্রেতা বলেন, ‘আমার বাজেট ৩০ হাজার, ভালো একটি ফ্রিজ কেনার চেষ্টা করছি। তবে এই টাকায় পছন্দের ফ্রিজ পাওয়াটা দুষ্কর।’
এমন পরিস্থিতিতে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙা করতে শনিবার (২৩মে) বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, যে পরিকল্পনা মাথায় রেখে এই তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাজারে অর্থনৈতিক গতি অনেকটাই ফিরে আসতে পারে।
তবে এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, দেশের অর্থনীতি অনেক চাপে আছে। সেই কারণেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে আসছে। এর সঙ্গে মুল্যস্ফীতি যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়েছে। সেই চাপ কাটিয়ে উঠতে অর্থমন্ত্রী দুই বছরের একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুব দ্রুত এই মন্দা কাটবে না, সময় দিতে হবে।




