নতুন ঋণের প্রস্তাব নিয়ে আইএমএফের আলোচনা শুরু

নতুন ঋণের প্রস্তাব নিয়ে আইএমএফের আলোচনা শুরু
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করতে বাংলাদেশে এসেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল।
রবিবার (১২ জুলাই) বেলা ১০টায় আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ ব্যাংকে যায়। প্রথম দিন আলোচনার সূচনা করে ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান ও কবির আহাম্মদের সঙ্গে সভার মাধ্যমে। ত্রিশ মিনিটের মতো সভা করে তারা চলে যান অর্থ মন্ত্রণালয়ে।
পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসে আইএমএফের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি। এরপর বেলা দেড়টায় ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানকে সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা ফেরত আসেন বাংলাদেশ ব্যাংকে।
বিষয়টি নিশ্চত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘আজ (রবিবার) সকালে শুধু পরিচিতিমূলক সভা করেছে আইএমএফ। পরে বিভাগভিত্তিক মিটিং করবে তারা।’
এবারের সফরে অর্থ বিভাগ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করবে আইএমএফের প্রতিনিধিদল। আর্থিক খাত সংস্কার ছাড়াও এবারের আলোচনায় থাকবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট। যেখানে করছাড়ের যৌক্তিকতা, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের কৌশল, নতুন সংস্কারের রূপরেখা ও কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আলোচনায় আছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর বিষয়টিও।
সরকার নতুন কর্মসূচির আওতায় তিন বছরের জন্য ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৩ জুন আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে বলে, বাংলাদেশ নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আবেদন করেছে। তবে ঋণের অঙ্ক কত তা নিয়ে কোনো তথ্য দেয়নি আইএমএফ।
আবেদন করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী একাধিকবার বলেছিলেন, আগের ঋণ কর্মসূচি নেওয়ার সময়ের অর্থনৈতিক ও নীতিগত বাস্তবতা বদলে গেছে। রাজনৈতিক পারাবদল, অর্থনীতির নীতিগত কাঠামো পরিবর্তন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও নতুন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কিছু সংস্কার নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। যা নতুন করে বাস্তবায়নের কথা ভাবছে সরকার। ঢাকা সফর শেষে প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে।
প্রতিবেদন ইতিবাচক হলে, আগামী অক্টোবরের বার্ষিক সভার পর চূড়ান্ত আলোচনার জন্য আরেকটি দল আসবে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে এই নতুন ঋণ ছাড় শুরু হতে পারে।

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করতে বাংলাদেশে এসেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল।
রবিবার (১২ জুলাই) বেলা ১০টায় আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ ব্যাংকে যায়। প্রথম দিন আলোচনার সূচনা করে ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান ও কবির আহাম্মদের সঙ্গে সভার মাধ্যমে। ত্রিশ মিনিটের মতো সভা করে তারা চলে যান অর্থ মন্ত্রণালয়ে।
পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসে আইএমএফের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি। এরপর বেলা দেড়টায় ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানকে সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা ফেরত আসেন বাংলাদেশ ব্যাংকে।
বিষয়টি নিশ্চত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘আজ (রবিবার) সকালে শুধু পরিচিতিমূলক সভা করেছে আইএমএফ। পরে বিভাগভিত্তিক মিটিং করবে তারা।’
এবারের সফরে অর্থ বিভাগ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করবে আইএমএফের প্রতিনিধিদল। আর্থিক খাত সংস্কার ছাড়াও এবারের আলোচনায় থাকবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট। যেখানে করছাড়ের যৌক্তিকতা, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের কৌশল, নতুন সংস্কারের রূপরেখা ও কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আলোচনায় আছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর বিষয়টিও।
সরকার নতুন কর্মসূচির আওতায় তিন বছরের জন্য ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৩ জুন আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে বলে, বাংলাদেশ নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আবেদন করেছে। তবে ঋণের অঙ্ক কত তা নিয়ে কোনো তথ্য দেয়নি আইএমএফ।
আবেদন করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী একাধিকবার বলেছিলেন, আগের ঋণ কর্মসূচি নেওয়ার সময়ের অর্থনৈতিক ও নীতিগত বাস্তবতা বদলে গেছে। রাজনৈতিক পারাবদল, অর্থনীতির নীতিগত কাঠামো পরিবর্তন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও নতুন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কিছু সংস্কার নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। যা নতুন করে বাস্তবায়নের কথা ভাবছে সরকার। ঢাকা সফর শেষে প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে।
প্রতিবেদন ইতিবাচক হলে, আগামী অক্টোবরের বার্ষিক সভার পর চূড়ান্ত আলোচনার জন্য আরেকটি দল আসবে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে এই নতুন ঋণ ছাড় শুরু হতে পারে।

নতুন ঋণের প্রস্তাব নিয়ে আইএমএফের আলোচনা শুরু
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করতে বাংলাদেশে এসেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল।
রবিবার (১২ জুলাই) বেলা ১০টায় আইএমএফের প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ ব্যাংকে যায়। প্রথম দিন আলোচনার সূচনা করে ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান ও কবির আহাম্মদের সঙ্গে সভার মাধ্যমে। ত্রিশ মিনিটের মতো সভা করে তারা চলে যান অর্থ মন্ত্রণালয়ে।
পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসে আইএমএফের ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি। এরপর বেলা দেড়টায় ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানকে সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা ফেরত আসেন বাংলাদেশ ব্যাংকে।
বিষয়টি নিশ্চত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘আজ (রবিবার) সকালে শুধু পরিচিতিমূলক সভা করেছে আইএমএফ। পরে বিভাগভিত্তিক মিটিং করবে তারা।’
এবারের সফরে অর্থ বিভাগ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করবে আইএমএফের প্রতিনিধিদল। আর্থিক খাত সংস্কার ছাড়াও এবারের আলোচনায় থাকবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট। যেখানে করছাড়ের যৌক্তিকতা, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের কৌশল, নতুন সংস্কারের রূপরেখা ও কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আলোচনায় আছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর বিষয়টিও।
সরকার নতুন কর্মসূচির আওতায় তিন বছরের জন্য ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৩ জুন আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে বলে, বাংলাদেশ নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আবেদন করেছে। তবে ঋণের অঙ্ক কত তা নিয়ে কোনো তথ্য দেয়নি আইএমএফ।
আবেদন করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী একাধিকবার বলেছিলেন, আগের ঋণ কর্মসূচি নেওয়ার সময়ের অর্থনৈতিক ও নীতিগত বাস্তবতা বদলে গেছে। রাজনৈতিক পারাবদল, অর্থনীতির নীতিগত কাঠামো পরিবর্তন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও নতুন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কিছু সংস্কার নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। যা নতুন করে বাস্তবায়নের কথা ভাবছে সরকার। ঢাকা সফর শেষে প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে।
প্রতিবেদন ইতিবাচক হলে, আগামী অক্টোবরের বার্ষিক সভার পর চূড়ান্ত আলোচনার জন্য আরেকটি দল আসবে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে এই নতুন ঋণ ছাড় শুরু হতে পারে।

ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল, নবম পে-স্কেল নিয়ে আলোচনা 


