শিরোনাম

ক্রুড অয়েল সংকট, ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্রুড অয়েল সংকট, ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধের শঙ্কা
ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড। ছবি: সংগৃহীত

অপরিশোধিত তেল আমদানি আটকে যাওয়ায় উৎপাদনের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির দুজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তারা জানান,
রিফাইনারির উৎপাদন বন্ধ হয়নি। এখন দিনে গড়ে ১২০ টন পেট্রল ও ১০০ টনের মতো অকটেন উৎপাদন হচ্ছে। ডিজেল ও বিটুমিনও উৎপাদন করা হচ্ছে। এই উৎপাদন সাত দিন পর্যন্ত চলতে পারবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) তথ্য মতে, দেশে প্রতি বছর ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ডিজেল ও অপরিশোধিত তেলের পরিমাণ বেশি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আসা প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল ইআরএলে পরিশোধন করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে দেশে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ রয়েছে। এতে গত কিছুদিন কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা ৫ হাজার টন এবং অপরিশোধিত তেলের চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক (মজুত ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা অপরিশোধিত তেল) তুলেও পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তার জানায়, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে। তবে ক্রুড সংকটের কারণে গত মাস থেকেই পরিশোধন কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টন করা হয়েছিল। গত ৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে।

এসব বিষয়ে জানতে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শরীফ হাসনাতের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

/এফআর/