ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দ এনবিআরের, ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ

ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দ এনবিআরের, ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের কয়েক দফা সংঘর্ষ, ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিক আন্দোলনের মুখে গত রবিবার মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। এরপরও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। অন্যদিকে পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার পেছনে ইন্ধনের সন্দেহে একের পর এক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই তালিকায় যেমন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ব্যবসায়ী আছেন, তেমনি রয়েছেন রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন ব্যক্তি ও শীর্ষ ব্যবসায়ী। এ নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
গত সোমবার সচিবালয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পোশাকশিল্পের মালিকেরা যারা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারাও অস্থিরতা সৃষ্টি পেছনে কাজ করেছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো এর পেছনে কিছু শিল্পমালিক জড়িত। সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীও জড়িত আছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক এমপি-মন্ত্রীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেশের সব ব্যাংকে এই সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়েছে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তা।
ব্যাংক হিসাব জব্দ হওয়াদের তালিকায় কয়েকজন প্রভাবশালী সাবেক মন্ত্রী ও ব্যবসায়ী রয়েছেন। এর মধ্যে- সিপাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী, রেনেসাঁ গ্রুপের মালিক ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং হামিদ গ্রুপের মালিক ও সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
এই তালিকায় আরও রয়েছেন ফেবিয়ান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুস ছালাম, নিপা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরী, অ্যাক্সিস নিটওয়্যারস লিমিটেডের পরিচালক জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম মোশাররফ হোসেন এবং গিভেন্সি গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুমা খাতুন লিপা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তৈরি পোশাক, বস্ত্র, সিরামিক, আবাসনসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত শেল্টেক্ গ্রুপ এবং টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এনভয় লিগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর আহমেদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে এনবিআর। তার মা রাশিদা আহমেদের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে। এই দুজনের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং ব্যবসায়ী মহলে তাদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে। তানভীরের বাবা দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা এনভয় টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুশের্দীর মালিকানাধীন এনভয় গ্রুপের সঙ্গে একসময় ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ ও তার ছেলে। তবে সাড়ে ৪ বছর আগে ব্যবসায়িকভাবে তারা আলাদা হয়ে যায়। এর পরও সালাম মুর্শেদীর এনভয় গ্রুপের সঙ্গে আগের সূত্র ধরেই তানভীর আহমেদ ও তার মায়ের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করেছে এনবিআর।
শেল্টেক্ গ্রুপের এমডি তানভীর আহমেদ বলেন, ‘তালিকায় নাম দেওয়ার আগে যাচাই-বাছাই করা হয়নি। অভিযোগ থাকলে আমাদের সঙ্গে কথা বলা যেত। আমরা যদি সহায়তা না করতাম, তাহলে ব্যবস্থা নিত। আমাদের আজকের অবস্থানে আসতে ৪০ বছর সময় লেগেছে। আশা করি, দ্রুত যাচাই করে বিষয়টির সমাধান করা হবে।’
এনভয় গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে এনবিআর। একইসঙ্গে সালাম মুর্শেদী, তার স্ত্রী শারমিন সালাম এবং মেয়ে শেহরীন সালামের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর সালাম মুর্শেদী গ্রেপ্তার হলে তার দুই সন্তান শেহরীন সালাম ঐশী ও ইশমাম সালাম বর্তমানে ব্যবসা দেখাশুনা করছেন।
জানা গেছে, পোশাক খাতের আরেক শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের মোশাররফ হোসেন ও তার সন্তানদেরও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার নেই। অন্যদিকে তুসুকা গ্রুপের একজন উদ্যোক্তা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে সংসদ সদস্য থাকার সূত্র ধরে গ্রুপটির অন্য তিনজন উদ্যোক্তাসহ আটজনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। যদিও এই তিন উদ্যোক্তা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তাদের একজন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি আরশাদ জামাল। পোশাকের বাইরে এই গ্রুপটি এয়ারলাইন্সের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।
তালিকায় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। পোশাক খাতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপের ২৮টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মমিন মণ্ডল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আলিম মণ্ডল, পরিচালক জোবায়ের মণ্ডল, আসাদুর রহমানসহ ১৯ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। গ্রুপের চেয়ারম্যান মমিন মণ্ডল সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসন থেকে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
এছাড়া চট্টগ্রামের ওয়েল গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রুপটির চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ ১১ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। আবদুস সালাম চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।
ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, পোশাকশ্রমিকদের মজুরি আন্দোলনে সব সরকারের আমলেই বাইরে থেকে ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে। যদিও এ ধরনের অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ সামনে আনা হয় না। এবার দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, যা নজিরবিহীন। এভাবে ঢালাও পদক্ষেপ না নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিলে কেউ আপত্তি করতো না। এতে ব্যবসায়ীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও জানান তারা।
দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে। তবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিলে কারও আপত্তি থাকবে না। ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও তলবের মতো উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হতে পারে যা ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের কয়েক দফা সংঘর্ষ, ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিক আন্দোলনের মুখে গত রবিবার মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। এরপরও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। অন্যদিকে পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার পেছনে ইন্ধনের সন্দেহে একের পর এক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই তালিকায় যেমন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ব্যবসায়ী আছেন, তেমনি রয়েছেন রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন ব্যক্তি ও শীর্ষ ব্যবসায়ী। এ নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
গত সোমবার সচিবালয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পোশাকশিল্পের মালিকেরা যারা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারাও অস্থিরতা সৃষ্টি পেছনে কাজ করেছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো এর পেছনে কিছু শিল্পমালিক জড়িত। সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীও জড়িত আছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক এমপি-মন্ত্রীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেশের সব ব্যাংকে এই সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়েছে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তা।
ব্যাংক হিসাব জব্দ হওয়াদের তালিকায় কয়েকজন প্রভাবশালী সাবেক মন্ত্রী ও ব্যবসায়ী রয়েছেন। এর মধ্যে- সিপাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী, রেনেসাঁ গ্রুপের মালিক ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং হামিদ গ্রুপের মালিক ও সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
এই তালিকায় আরও রয়েছেন ফেবিয়ান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুস ছালাম, নিপা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরী, অ্যাক্সিস নিটওয়্যারস লিমিটেডের পরিচালক জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম মোশাররফ হোসেন এবং গিভেন্সি গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুমা খাতুন লিপা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তৈরি পোশাক, বস্ত্র, সিরামিক, আবাসনসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত শেল্টেক্ গ্রুপ এবং টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এনভয় লিগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর আহমেদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে এনবিআর। তার মা রাশিদা আহমেদের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে। এই দুজনের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং ব্যবসায়ী মহলে তাদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে। তানভীরের বাবা দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা এনভয় টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুশের্দীর মালিকানাধীন এনভয় গ্রুপের সঙ্গে একসময় ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ ও তার ছেলে। তবে সাড়ে ৪ বছর আগে ব্যবসায়িকভাবে তারা আলাদা হয়ে যায়। এর পরও সালাম মুর্শেদীর এনভয় গ্রুপের সঙ্গে আগের সূত্র ধরেই তানভীর আহমেদ ও তার মায়ের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করেছে এনবিআর।
শেল্টেক্ গ্রুপের এমডি তানভীর আহমেদ বলেন, ‘তালিকায় নাম দেওয়ার আগে যাচাই-বাছাই করা হয়নি। অভিযোগ থাকলে আমাদের সঙ্গে কথা বলা যেত। আমরা যদি সহায়তা না করতাম, তাহলে ব্যবস্থা নিত। আমাদের আজকের অবস্থানে আসতে ৪০ বছর সময় লেগেছে। আশা করি, দ্রুত যাচাই করে বিষয়টির সমাধান করা হবে।’
এনভয় গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে এনবিআর। একইসঙ্গে সালাম মুর্শেদী, তার স্ত্রী শারমিন সালাম এবং মেয়ে শেহরীন সালামের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর সালাম মুর্শেদী গ্রেপ্তার হলে তার দুই সন্তান শেহরীন সালাম ঐশী ও ইশমাম সালাম বর্তমানে ব্যবসা দেখাশুনা করছেন।
জানা গেছে, পোশাক খাতের আরেক শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের মোশাররফ হোসেন ও তার সন্তানদেরও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার নেই। অন্যদিকে তুসুকা গ্রুপের একজন উদ্যোক্তা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে সংসদ সদস্য থাকার সূত্র ধরে গ্রুপটির অন্য তিনজন উদ্যোক্তাসহ আটজনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। যদিও এই তিন উদ্যোক্তা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তাদের একজন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি আরশাদ জামাল। পোশাকের বাইরে এই গ্রুপটি এয়ারলাইন্সের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।
তালিকায় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। পোশাক খাতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপের ২৮টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মমিন মণ্ডল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আলিম মণ্ডল, পরিচালক জোবায়ের মণ্ডল, আসাদুর রহমানসহ ১৯ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। গ্রুপের চেয়ারম্যান মমিন মণ্ডল সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসন থেকে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
এছাড়া চট্টগ্রামের ওয়েল গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রুপটির চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ ১১ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। আবদুস সালাম চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।
ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, পোশাকশ্রমিকদের মজুরি আন্দোলনে সব সরকারের আমলেই বাইরে থেকে ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে। যদিও এ ধরনের অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ সামনে আনা হয় না। এবার দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, যা নজিরবিহীন। এভাবে ঢালাও পদক্ষেপ না নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিলে কেউ আপত্তি করতো না। এতে ব্যবসায়ীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও জানান তারা।
দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে। তবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিলে কারও আপত্তি থাকবে না। ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও তলবের মতো উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হতে পারে যা ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।

ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দ এনবিআরের, ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের কয়েক দফা সংঘর্ষ, ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিক আন্দোলনের মুখে গত রবিবার মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। এরপরও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। অন্যদিকে পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার পেছনে ইন্ধনের সন্দেহে একের পর এক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই তালিকায় যেমন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ব্যবসায়ী আছেন, তেমনি রয়েছেন রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন ব্যক্তি ও শীর্ষ ব্যবসায়ী। এ নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
গত সোমবার সচিবালয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পোশাকশিল্পের মালিকেরা যারা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারাও অস্থিরতা সৃষ্টি পেছনে কাজ করেছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো এর পেছনে কিছু শিল্পমালিক জড়িত। সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীও জড়িত আছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পর পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক এমপি-মন্ত্রীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেশের সব ব্যাংকে এই সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়েছে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তা।
ব্যাংক হিসাব জব্দ হওয়াদের তালিকায় কয়েকজন প্রভাবশালী সাবেক মন্ত্রী ও ব্যবসায়ী রয়েছেন। এর মধ্যে- সিপাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাম মুর্শেদী, রেনেসাঁ গ্রুপের মালিক ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং হামিদ গ্রুপের মালিক ও সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
এই তালিকায় আরও রয়েছেন ফেবিয়ান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুস ছালাম, নিপা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরী, অ্যাক্সিস নিটওয়্যারস লিমিটেডের পরিচালক জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম মোশাররফ হোসেন এবং গিভেন্সি গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুমা খাতুন লিপা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তৈরি পোশাক, বস্ত্র, সিরামিক, আবাসনসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত শেল্টেক্ গ্রুপ এবং টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এনভয় লিগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর আহমেদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে এনবিআর। তার মা রাশিদা আহমেদের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে। এই দুজনের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং ব্যবসায়ী মহলে তাদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে। তানভীরের বাবা দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা এনভয় টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুশের্দীর মালিকানাধীন এনভয় গ্রুপের সঙ্গে একসময় ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ ও তার ছেলে। তবে সাড়ে ৪ বছর আগে ব্যবসায়িকভাবে তারা আলাদা হয়ে যায়। এর পরও সালাম মুর্শেদীর এনভয় গ্রুপের সঙ্গে আগের সূত্র ধরেই তানভীর আহমেদ ও তার মায়ের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করেছে এনবিআর।
শেল্টেক্ গ্রুপের এমডি তানভীর আহমেদ বলেন, ‘তালিকায় নাম দেওয়ার আগে যাচাই-বাছাই করা হয়নি। অভিযোগ থাকলে আমাদের সঙ্গে কথা বলা যেত। আমরা যদি সহায়তা না করতাম, তাহলে ব্যবস্থা নিত। আমাদের আজকের অবস্থানে আসতে ৪০ বছর সময় লেগেছে। আশা করি, দ্রুত যাচাই করে বিষয়টির সমাধান করা হবে।’
এনভয় গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে এনবিআর। একইসঙ্গে সালাম মুর্শেদী, তার স্ত্রী শারমিন সালাম এবং মেয়ে শেহরীন সালামের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর সালাম মুর্শেদী গ্রেপ্তার হলে তার দুই সন্তান শেহরীন সালাম ঐশী ও ইশমাম সালাম বর্তমানে ব্যবসা দেখাশুনা করছেন।
জানা গেছে, পোশাক খাতের আরেক শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের মোশাররফ হোসেন ও তার সন্তানদেরও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার নেই। অন্যদিকে তুসুকা গ্রুপের একজন উদ্যোক্তা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে সংসদ সদস্য থাকার সূত্র ধরে গ্রুপটির অন্য তিনজন উদ্যোক্তাসহ আটজনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। যদিও এই তিন উদ্যোক্তা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তাদের একজন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি আরশাদ জামাল। পোশাকের বাইরে এই গ্রুপটি এয়ারলাইন্সের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।
তালিকায় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। পোশাক খাতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপের ২৮টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মমিন মণ্ডল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আলিম মণ্ডল, পরিচালক জোবায়ের মণ্ডল, আসাদুর রহমানসহ ১৯ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। গ্রুপের চেয়ারম্যান মমিন মণ্ডল সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসন থেকে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
এছাড়া চট্টগ্রামের ওয়েল গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রুপটির চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ ১১ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। আবদুস সালাম চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।
ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, পোশাকশ্রমিকদের মজুরি আন্দোলনে সব সরকারের আমলেই বাইরে থেকে ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে। যদিও এ ধরনের অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ সামনে আনা হয় না। এবার দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, যা নজিরবিহীন। এভাবে ঢালাও পদক্ষেপ না নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিলে কেউ আপত্তি করতো না। এতে ব্যবসায়ীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও জানান তারা।
দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে। তবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিলে কারও আপত্তি থাকবে না। ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও তলবের মতো উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হতে পারে যা ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।

পোশাকশ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: ২০৪ ব্যাংক হিসাব জব্দ, তালিকায় সাবেক ৫ মন্ত্রী-এমপি
পোশাক শ্রমিক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
দু-এক মাসের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী






