পোশাক শ্রমিক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

পোশাক শ্রমিক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক পোশাক শ্রমিককে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিক মজলিস। একইসঙ্গে তারা শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন, পুলিশি নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধ, সার্বজনীন মজুরি বোর্ড গঠন এবং ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ ও সমাবেশ থেকে এই দাবিগুলো জানানো হয়। বিক্ষোভ ও সমাবেশ শেষে শ্রমিক মজলিসের নেতারা একটি মিছিল বের করেন।
সমাবেশে শ্রমিক মজলিসের সভাপতি প্রভাষক মুহাম্মদ আবদুল করিম বলেন, মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন চলাকালে এক পোশাক শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার বিচার করতে হবে। শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা অবশ্যই করতে হবে।
পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের দাবির সাথে আমরা একমত। কিন্তু আপনারা কারও উসকানিতে সহিংসতা চালাবেন না। আপনারা যদি গার্মেন্টসে আগুন দেন, তাহলে আপনারা নিজের পায়ে কুড়াল মারবেন। ’
বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ যা করেছে, বর্তমান সরকারও একই কাজ করছে বলে অভিযোগ তুলে শ্রমিক মজলিসের সভাপতি বলেন, ক্যাডারগিরি করতে যাবেন না। শেখ হাসিনাও ২০৪১ সাল পর্যন্ত থাকতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। দেশে প্রশাসন আছে, কিন্তু যুবদল-ছাত্রদলকে নামিয়ে শ্রমিকদেরকে প্রতিহত করার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে।’
আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘোষণা না আসলে বাংলাদেশে আন্দোলন চলতে থাকবে।
জ্বালাও-পোড়াও বাদ দিয়ে শ্রমিকদেরকে কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবদুল করিম বলেন, ‘দেশের মানুষ আপনাদের সাথে আছে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে।’
সমাবেশে শ্রমিক মজলিসের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এরশাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা আজিজুল হকসহ দলটির অনেক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৩ নভেম্বর) গাজীপুর নগরীর জয়দেবপুর থানার বাহাদুরপুর এলাকায় সংঘর্ষের দৃশ্য মুঠোফেোনের ক্যামেরায় ধারনের সময় লাঠি ও ইটের আঘাতে পোশাক শ্রমিক তৌফিক মাথায় আঘাত পান। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করার পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তৌফিক গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবিবর রহমানের ছেলে।

এক পোশাক শ্রমিককে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিক মজলিস। একইসঙ্গে তারা শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন, পুলিশি নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধ, সার্বজনীন মজুরি বোর্ড গঠন এবং ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ ও সমাবেশ থেকে এই দাবিগুলো জানানো হয়। বিক্ষোভ ও সমাবেশ শেষে শ্রমিক মজলিসের নেতারা একটি মিছিল বের করেন।
সমাবেশে শ্রমিক মজলিসের সভাপতি প্রভাষক মুহাম্মদ আবদুল করিম বলেন, মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন চলাকালে এক পোশাক শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার বিচার করতে হবে। শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা অবশ্যই করতে হবে।
পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের দাবির সাথে আমরা একমত। কিন্তু আপনারা কারও উসকানিতে সহিংসতা চালাবেন না। আপনারা যদি গার্মেন্টসে আগুন দেন, তাহলে আপনারা নিজের পায়ে কুড়াল মারবেন। ’
বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ যা করেছে, বর্তমান সরকারও একই কাজ করছে বলে অভিযোগ তুলে শ্রমিক মজলিসের সভাপতি বলেন, ক্যাডারগিরি করতে যাবেন না। শেখ হাসিনাও ২০৪১ সাল পর্যন্ত থাকতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। দেশে প্রশাসন আছে, কিন্তু যুবদল-ছাত্রদলকে নামিয়ে শ্রমিকদেরকে প্রতিহত করার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে।’
আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘোষণা না আসলে বাংলাদেশে আন্দোলন চলতে থাকবে।
জ্বালাও-পোড়াও বাদ দিয়ে শ্রমিকদেরকে কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবদুল করিম বলেন, ‘দেশের মানুষ আপনাদের সাথে আছে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে।’
সমাবেশে শ্রমিক মজলিসের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এরশাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা আজিজুল হকসহ দলটির অনেক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৩ নভেম্বর) গাজীপুর নগরীর জয়দেবপুর থানার বাহাদুরপুর এলাকায় সংঘর্ষের দৃশ্য মুঠোফেোনের ক্যামেরায় ধারনের সময় লাঠি ও ইটের আঘাতে পোশাক শ্রমিক তৌফিক মাথায় আঘাত পান। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করার পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তৌফিক গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবিবর রহমানের ছেলে।

পোশাক শ্রমিক হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক পোশাক শ্রমিককে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিক মজলিস। একইসঙ্গে তারা শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন, পুলিশি নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধ, সার্বজনীন মজুরি বোর্ড গঠন এবং ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ ও সমাবেশ থেকে এই দাবিগুলো জানানো হয়। বিক্ষোভ ও সমাবেশ শেষে শ্রমিক মজলিসের নেতারা একটি মিছিল বের করেন।
সমাবেশে শ্রমিক মজলিসের সভাপতি প্রভাষক মুহাম্মদ আবদুল করিম বলেন, মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন চলাকালে এক পোশাক শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার বিচার করতে হবে। শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা অবশ্যই করতে হবে।
পোশাক শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের দাবির সাথে আমরা একমত। কিন্তু আপনারা কারও উসকানিতে সহিংসতা চালাবেন না। আপনারা যদি গার্মেন্টসে আগুন দেন, তাহলে আপনারা নিজের পায়ে কুড়াল মারবেন। ’
বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ যা করেছে, বর্তমান সরকারও একই কাজ করছে বলে অভিযোগ তুলে শ্রমিক মজলিসের সভাপতি বলেন, ক্যাডারগিরি করতে যাবেন না। শেখ হাসিনাও ২০৪১ সাল পর্যন্ত থাকতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। দেশে প্রশাসন আছে, কিন্তু যুবদল-ছাত্রদলকে নামিয়ে শ্রমিকদেরকে প্রতিহত করার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে।’
আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘোষণা না আসলে বাংলাদেশে আন্দোলন চলতে থাকবে।
জ্বালাও-পোড়াও বাদ দিয়ে শ্রমিকদেরকে কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবদুল করিম বলেন, ‘দেশের মানুষ আপনাদের সাথে আছে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে।’
সমাবেশে শ্রমিক মজলিসের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এরশাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা আজিজুল হকসহ দলটির অনেক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৩ নভেম্বর) গাজীপুর নগরীর জয়দেবপুর থানার বাহাদুরপুর এলাকায় সংঘর্ষের দৃশ্য মুঠোফেোনের ক্যামেরায় ধারনের সময় লাঠি ও ইটের আঘাতে পোশাক শ্রমিক তৌফিক মাথায় আঘাত পান। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করার পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তৌফিক গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবিবর রহমানের ছেলে।









