কব্জি কাটা গ্রুপের এক্সেল বাবুসহ গ্রেপ্তার ৬

কব্জি কাটা গ্রুপের এক্সেল বাবুসহ গ্রেপ্তার ৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আদাবরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই ও পুলিশের দুই কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, চাপাতি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে এ তথ্য জানান র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান ।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবর থানাধীন শেখেরটেক-৭ এলাকার একটি বিকাশের দোকানে ঢুকে সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা বিকাশ এজেন্টকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় তারা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর তথ্যের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশ তুরাগ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালালে ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আদাবর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাইদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে আমির ও রুবেল নামে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়।
নাঈমুল হাসান বলেন, তাৎক্ষণিক অভিযানে আমির ও রুবেলসহ মোট ৪ জন ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশ। ঘটনার পর চক্রের মূলহোতাসহ অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে র্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এর ধারাবাহিকতায় ১৬ জুন মধ্যরাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-২ এর একটি অভিযানিক দল রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে ‘এক্সেল বাবু’, কব্জি কাটা গ্রুপের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু সাঈদ রাশেদ, খন্দকার মোহাম্মদ মিল্টন, মো. তসির ও তরিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, কব্জি কাটা গ্রুপের সঙ্গে শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুর সম্পৃক্ততা সে নিজেই স্বীকার করেছে। এক্সেল বাবু হচ্ছে কব্জি কাটা গ্রুপের প্রধান আনোয়ার ও আবু সাঈদের গুরু। এক্সেল বাবুর মতো পৃষ্ঠপোষকদের আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত আটক করতে পারব না, ততক্ষণ এই গ্যাংগুলো একটিভ হতে থাকবে। এ কারণে আমরা একটু অ্যাগ্রেসিভ পুলিশিং করতে চাই।
র্যাব-২ এই কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে একটা উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। রামিসা হত্যা মামলায় খুব দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট আদালত রামিসা হত্যায় জড়িতদের খুব দ্রুততম সময়ে আইনের এনে বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ধরনের কোনো প্রসেসে যদি ছিনতাইকারী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে দ্রুততম সময়ে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ট্রাইবুনালের মাধ্যমে যদি এটা করা যেত। তাহলে আমার মনে হয় জনগণ আরও বেশি নিরাপদ বোধ করতো। এটাতো শুধু আমরা (র্যাব) আটক করি, তদন্ত করি। পুরো প্রচেষ্টা ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের একটা অংশ আমরা। তো বাকি সিস্টেমটা যারা সংশ্লিষ্ট তারা ভেবে দেখতে পারে। আমার মনে হয় এতে করে আমরা উপকৃত হব।

রাজধানীর আদাবরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই ও পুলিশের দুই কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, চাপাতি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে এ তথ্য জানান র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান ।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবর থানাধীন শেখেরটেক-৭ এলাকার একটি বিকাশের দোকানে ঢুকে সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা বিকাশ এজেন্টকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় তারা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর তথ্যের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশ তুরাগ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালালে ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আদাবর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাইদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে আমির ও রুবেল নামে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়।
নাঈমুল হাসান বলেন, তাৎক্ষণিক অভিযানে আমির ও রুবেলসহ মোট ৪ জন ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশ। ঘটনার পর চক্রের মূলহোতাসহ অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে র্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এর ধারাবাহিকতায় ১৬ জুন মধ্যরাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-২ এর একটি অভিযানিক দল রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে ‘এক্সেল বাবু’, কব্জি কাটা গ্রুপের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু সাঈদ রাশেদ, খন্দকার মোহাম্মদ মিল্টন, মো. তসির ও তরিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, কব্জি কাটা গ্রুপের সঙ্গে শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুর সম্পৃক্ততা সে নিজেই স্বীকার করেছে। এক্সেল বাবু হচ্ছে কব্জি কাটা গ্রুপের প্রধান আনোয়ার ও আবু সাঈদের গুরু। এক্সেল বাবুর মতো পৃষ্ঠপোষকদের আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত আটক করতে পারব না, ততক্ষণ এই গ্যাংগুলো একটিভ হতে থাকবে। এ কারণে আমরা একটু অ্যাগ্রেসিভ পুলিশিং করতে চাই।
র্যাব-২ এই কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে একটা উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। রামিসা হত্যা মামলায় খুব দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট আদালত রামিসা হত্যায় জড়িতদের খুব দ্রুততম সময়ে আইনের এনে বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ধরনের কোনো প্রসেসে যদি ছিনতাইকারী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে দ্রুততম সময়ে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ট্রাইবুনালের মাধ্যমে যদি এটা করা যেত। তাহলে আমার মনে হয় জনগণ আরও বেশি নিরাপদ বোধ করতো। এটাতো শুধু আমরা (র্যাব) আটক করি, তদন্ত করি। পুরো প্রচেষ্টা ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের একটা অংশ আমরা। তো বাকি সিস্টেমটা যারা সংশ্লিষ্ট তারা ভেবে দেখতে পারে। আমার মনে হয় এতে করে আমরা উপকৃত হব।

কব্জি কাটা গ্রুপের এক্সেল বাবুসহ গ্রেপ্তার ৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আদাবরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই ও পুলিশের দুই কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, চাপাতি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে এ তথ্য জানান র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান ।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবর থানাধীন শেখেরটেক-৭ এলাকার একটি বিকাশের দোকানে ঢুকে সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা বিকাশ এজেন্টকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় তারা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর তথ্যের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশ তুরাগ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালালে ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আদাবর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাইদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে আমির ও রুবেল নামে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়।
নাঈমুল হাসান বলেন, তাৎক্ষণিক অভিযানে আমির ও রুবেলসহ মোট ৪ জন ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশ। ঘটনার পর চক্রের মূলহোতাসহ অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে র্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এর ধারাবাহিকতায় ১৬ জুন মধ্যরাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-২ এর একটি অভিযানিক দল রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে ‘এক্সেল বাবু’, কব্জি কাটা গ্রুপের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু সাঈদ রাশেদ, খন্দকার মোহাম্মদ মিল্টন, মো. তসির ও তরিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, কব্জি কাটা গ্রুপের সঙ্গে শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুর সম্পৃক্ততা সে নিজেই স্বীকার করেছে। এক্সেল বাবু হচ্ছে কব্জি কাটা গ্রুপের প্রধান আনোয়ার ও আবু সাঈদের গুরু। এক্সেল বাবুর মতো পৃষ্ঠপোষকদের আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত আটক করতে পারব না, ততক্ষণ এই গ্যাংগুলো একটিভ হতে থাকবে। এ কারণে আমরা একটু অ্যাগ্রেসিভ পুলিশিং করতে চাই।
র্যাব-২ এই কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে একটা উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। রামিসা হত্যা মামলায় খুব দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট আদালত রামিসা হত্যায় জড়িতদের খুব দ্রুততম সময়ে আইনের এনে বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ধরনের কোনো প্রসেসে যদি ছিনতাইকারী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে দ্রুততম সময়ে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ট্রাইবুনালের মাধ্যমে যদি এটা করা যেত। তাহলে আমার মনে হয় জনগণ আরও বেশি নিরাপদ বোধ করতো। এটাতো শুধু আমরা (র্যাব) আটক করি, তদন্ত করি। পুরো প্রচেষ্টা ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের একটা অংশ আমরা। তো বাকি সিস্টেমটা যারা সংশ্লিষ্ট তারা ভেবে দেখতে পারে। আমার মনে হয় এতে করে আমরা উপকৃত হব।

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজের এডমিন গ্রেপ্তার

