চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনের চাঁদাবাজির কৌশল ফাঁস

চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনের চাঁদাবাজির কৌশল ফাঁস
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের আলোচিত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর তার চাঁদাবাজির কৌশল নিয়ে নানা তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ইমনের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের বিদেশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে লাখ থেকে কোটি টাকা চাঁদা দাবি করতো। নগদে সংগ্রহ করা সেই চাঁদাবাজির অর্থ হুন্ডি ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ইমনের কাছে পাঠানো হতো।
এর আগে, গত ২৯ জুলাই যশোর থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পথে ইমনকে তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জানা গেছে, ইমন পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইমনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে প্রথমে ব্যবসায়ী কিংবা প্রবাসীদের মুঠোফোনে লাখ থেকে কোটি টাকা চাঁদার জন্য হুমকি দেওয়া হতো। এরপর বাহকের মাধ্যমে নগদে সংগ্রহ করা হতো চাঁদাবাজির সেই টাকা। চাঁদার টাকা সংগ্রহের জন্য এলাকাভেদে পৃথক ব্যক্তি নিয়োগ দিতো ডেভিড ইমন চক্র। চক্রটির মূলত ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির কাছে চাঁদাবাজির সেই টাকা জমা দিত। সেই ইউসুফ এসব টাকা হুন্ডি এবং কয়েকটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিতেন ডেভিড ইমনের কাছে।
শুধু তাই নয়, চাঁদা চাওয়ার আগে কোনো ব্যক্তির আয়ের উৎস, বর্তমান সম্পদ, নির্মাণাধীন ভবনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন ইমনের লোকজন। এসব তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকাভিত্তিক সোর্স রয়েছে ইমনের। তারা টার্গেট করা ব্যক্তির কাছে চাঁদার জন্য কল দিতেন। দাবি অনুযায়ী কেউ চাঁদা না দিলে গুলি করার হুমকি দিতেন ডেভিড ইমন। নির্ধারিত সময়ে টাকা না পেলে হামলার ঘটনাও ঘটে।
সবশেষ, ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে গত ২৭ জুলাই সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বড় দিঘিরপাড় এলাকার ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে ইমনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। তবে এ ঘটনায় মামলা করার পর ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই দুই কোটি টাকা চাঁদার জন্য চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোডে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিডিএনে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে ইমনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এই দুটি ঘটনার পর মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং ইমনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
এরপর গত ২৯ জুলাই ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমনের কাছ থেকে তার চাঁদাবাজির কৌশল সম্পর্কে এসব তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, বর্তমানে চক্রের অন্যতম সদস্য ইউসুফকে ধরার চেষ্টায় রয়েছে পুলিশ। তাকে পেলে চাঁদাবাজির টাকা কোথায় যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে কৌশল হিসেবে নগদে চাঁদার টাকা নিতেন। তাদের একটি দল তথ্য সংগ্রহ করে, আরেকটি দল নগদ টাকা গ্রহণ করে, আরেকটি হামলা-ভাঙচুর কিংবা গুলিবর্ষণের মতো ঘটনা ঞটনায়। প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা দল রয়েছে।

চট্টগ্রামের আলোচিত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর তার চাঁদাবাজির কৌশল নিয়ে নানা তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ইমনের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের বিদেশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে লাখ থেকে কোটি টাকা চাঁদা দাবি করতো। নগদে সংগ্রহ করা সেই চাঁদাবাজির অর্থ হুন্ডি ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ইমনের কাছে পাঠানো হতো।
এর আগে, গত ২৯ জুলাই যশোর থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পথে ইমনকে তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জানা গেছে, ইমন পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইমনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে প্রথমে ব্যবসায়ী কিংবা প্রবাসীদের মুঠোফোনে লাখ থেকে কোটি টাকা চাঁদার জন্য হুমকি দেওয়া হতো। এরপর বাহকের মাধ্যমে নগদে সংগ্রহ করা হতো চাঁদাবাজির সেই টাকা। চাঁদার টাকা সংগ্রহের জন্য এলাকাভেদে পৃথক ব্যক্তি নিয়োগ দিতো ডেভিড ইমন চক্র। চক্রটির মূলত ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির কাছে চাঁদাবাজির সেই টাকা জমা দিত। সেই ইউসুফ এসব টাকা হুন্ডি এবং কয়েকটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিতেন ডেভিড ইমনের কাছে।
শুধু তাই নয়, চাঁদা চাওয়ার আগে কোনো ব্যক্তির আয়ের উৎস, বর্তমান সম্পদ, নির্মাণাধীন ভবনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন ইমনের লোকজন। এসব তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকাভিত্তিক সোর্স রয়েছে ইমনের। তারা টার্গেট করা ব্যক্তির কাছে চাঁদার জন্য কল দিতেন। দাবি অনুযায়ী কেউ চাঁদা না দিলে গুলি করার হুমকি দিতেন ডেভিড ইমন। নির্ধারিত সময়ে টাকা না পেলে হামলার ঘটনাও ঘটে।
সবশেষ, ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে গত ২৭ জুলাই সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বড় দিঘিরপাড় এলাকার ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে ইমনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। তবে এ ঘটনায় মামলা করার পর ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই দুই কোটি টাকা চাঁদার জন্য চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোডে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিডিএনে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে ইমনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এই দুটি ঘটনার পর মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং ইমনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
এরপর গত ২৯ জুলাই ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমনের কাছ থেকে তার চাঁদাবাজির কৌশল সম্পর্কে এসব তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, বর্তমানে চক্রের অন্যতম সদস্য ইউসুফকে ধরার চেষ্টায় রয়েছে পুলিশ। তাকে পেলে চাঁদাবাজির টাকা কোথায় যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে কৌশল হিসেবে নগদে চাঁদার টাকা নিতেন। তাদের একটি দল তথ্য সংগ্রহ করে, আরেকটি দল নগদ টাকা গ্রহণ করে, আরেকটি হামলা-ভাঙচুর কিংবা গুলিবর্ষণের মতো ঘটনা ঞটনায়। প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা দল রয়েছে।

চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনের চাঁদাবাজির কৌশল ফাঁস
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের আলোচিত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর তার চাঁদাবাজির কৌশল নিয়ে নানা তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ইমনের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের বিদেশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ফোন করে লাখ থেকে কোটি টাকা চাঁদা দাবি করতো। নগদে সংগ্রহ করা সেই চাঁদাবাজির অর্থ হুন্ডি ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ইমনের কাছে পাঠানো হতো।
এর আগে, গত ২৯ জুলাই যশোর থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পথে ইমনকে তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জানা গেছে, ইমন পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইমনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে প্রথমে ব্যবসায়ী কিংবা প্রবাসীদের মুঠোফোনে লাখ থেকে কোটি টাকা চাঁদার জন্য হুমকি দেওয়া হতো। এরপর বাহকের মাধ্যমে নগদে সংগ্রহ করা হতো চাঁদাবাজির সেই টাকা। চাঁদার টাকা সংগ্রহের জন্য এলাকাভেদে পৃথক ব্যক্তি নিয়োগ দিতো ডেভিড ইমন চক্র। চক্রটির মূলত ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির কাছে চাঁদাবাজির সেই টাকা জমা দিত। সেই ইউসুফ এসব টাকা হুন্ডি এবং কয়েকটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিতেন ডেভিড ইমনের কাছে।
শুধু তাই নয়, চাঁদা চাওয়ার আগে কোনো ব্যক্তির আয়ের উৎস, বর্তমান সম্পদ, নির্মাণাধীন ভবনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন ইমনের লোকজন। এসব তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকাভিত্তিক সোর্স রয়েছে ইমনের। তারা টার্গেট করা ব্যক্তির কাছে চাঁদার জন্য কল দিতেন। দাবি অনুযায়ী কেউ চাঁদা না দিলে গুলি করার হুমকি দিতেন ডেভিড ইমন। নির্ধারিত সময়ে টাকা না পেলে হামলার ঘটনাও ঘটে।
সবশেষ, ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে গত ২৭ জুলাই সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বড় দিঘিরপাড় এলাকার ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে ইমনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। তবে এ ঘটনায় মামলা করার পর ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই দুই কোটি টাকা চাঁদার জন্য চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোডে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিডিএনে হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে ইমনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এই দুটি ঘটনার পর মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং ইমনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
এরপর গত ২৯ জুলাই ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমনের কাছ থেকে তার চাঁদাবাজির কৌশল সম্পর্কে এসব তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, বর্তমানে চক্রের অন্যতম সদস্য ইউসুফকে ধরার চেষ্টায় রয়েছে পুলিশ। তাকে পেলে চাঁদাবাজির টাকা কোথায় যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে কৌশল হিসেবে নগদে চাঁদার টাকা নিতেন। তাদের একটি দল তথ্য সংগ্রহ করে, আরেকটি দল নগদ টাকা গ্রহণ করে, আরেকটি হামলা-ভাঙচুর কিংবা গুলিবর্ষণের মতো ঘটনা ঞটনায়। প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা দল রয়েছে।

কারাগারে চট্টগ্রামের সেই ডেভিড ইমন 







