জুলাইয়ে ২০২ কোটি টাকার পণ্য জব্দ বিজিবির

জুলাইয়ে ২০২ কোটি টাকার পণ্য জব্দ বিজিবির
বিশেষ প্রতিনিধি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত জুলাই মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২০২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও অবৈধ পণ্য জব্দের পাশাপাশি চোরাচালান ও অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে ৩০৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি জানায়, জুলাই মাসে জব্দ করা চোরাচালান পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৪ কেজি ২৫৪ গ্রাম স্বর্ণ, ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল, ৭ কেজি ৯৩০ গ্রাম রৌপ্য, ১৩ হাজার ৬৩টি শাড়ি, ২ হাজার ৭১০টি থ্রিপিস, শার্টপিস, চাদর ও কম্বল এবং ৮ হাজার ৮৮৬টি তৈরি পোশাক। এছাড়া ২ হাজার ৪১৬ মিটার থান কাপড় ও ১৫ হাজার ৫২৭টি ইমিটেশন গহনা জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে ৩ লাখ ২ হাজার ৩৯৪টি কসমেটিকস সামগ্রী, ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৬ পিস আতশবাজি, ১ হাজার ৭৫১ ঘনফুট কাঠ, ২ লাখ ২১ হাজার ৯০ কেজি কয়লা এবং ৬ হাজার ৪৪৬ কেজি চা পাতাও জব্দ করে বিজিবি।
এ ছাড়া ৬২৪টি মোবাইল ফোন, ৪ হাজার ৩৬০টি মোবাইল ডিসপ্লে ও ৩৬ হাজার ১৭০টি মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ২০ হাজার বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম, ৭১ হাজার ৪০০টি জিলেট ব্লেড, ৩ হাজার ৭০০টি চশমা, ৪৭ হাজার ৭৭৬ কেজি জিরা, ৪২ হাজার ৯৩১ কেজি রসুন, ১৩ হাজার ৩২৯ কেজি চিনি ও ১২ হাজার ৪৮৬ কেজি সার জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবির অভিযানে ১৭ হাজার ৪৭৯ কেজি কারেন্ট জাল, ৩৬৭ লিটার ভোজ্য তেল, ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও মবিল, ১ হাজার ৮১৮ প্যাকেট কীটনাশক এবং ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৭টি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি ১ কেজি ৭০ গ্রাম সাপের বিষ এবং ৯টি কষ্টি/বেলে পাথরও জব্দ করা হয়েছে।
চোরাচালানে ব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহনের মধ্যে ১২টি ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান, ৮টি পিকআপ, ৩টি প্রাইভেটকার, ৬টি ট্রলি, ৫৫টি সিএনজি, ইজিবাইক ও অটোরিকশা, ৫৯টি মোটরসাইকেল, ৪৭টি বাইসাইকেল ও ভ্যান এবং ১২৭টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ হয়েছে অস্ত্র ও বিপুল মাদক
জুলাই মাসে বিজিবির অভিযানে ৯টি দেশি-বিদেশি পিস্তল, একটি রাইফেল, ৫টি ম্যাগাজিন, ৬০ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং ৭টি অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যও জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২১ লাখ ১০ হাজার ২৫৮ পিস ইয়াবা, ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, ৭১ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ২৪৩ বোতল ফেনসিডিল এবং ৬ হাজার ৫২৬ বোতল বিদেশি মদ।
এ ছাড়া ১ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৫ লিটার বাংলা মদ, ৭৫৪ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৮০৬ কেজি গাঁজা, ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮৬টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ইনজেকশন, ১৬ হাজার ৫৮০ বোতল বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় সিরাপ, ১৮ হাজার ৬৮২ পিস বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও ট্যাবলেট এবং ১ লাখ ১৯ হাজার ১৪১ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্তে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯১ জন চোরাচালানিকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৩১ জন বাংলাদেশি, ৩ জন ভারতীয় এবং ৮১ জন মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত জুলাই মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২০২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও অবৈধ পণ্য জব্দের পাশাপাশি চোরাচালান ও অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে ৩০৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি জানায়, জুলাই মাসে জব্দ করা চোরাচালান পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৪ কেজি ২৫৪ গ্রাম স্বর্ণ, ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল, ৭ কেজি ৯৩০ গ্রাম রৌপ্য, ১৩ হাজার ৬৩টি শাড়ি, ২ হাজার ৭১০টি থ্রিপিস, শার্টপিস, চাদর ও কম্বল এবং ৮ হাজার ৮৮৬টি তৈরি পোশাক। এছাড়া ২ হাজার ৪১৬ মিটার থান কাপড় ও ১৫ হাজার ৫২৭টি ইমিটেশন গহনা জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে ৩ লাখ ২ হাজার ৩৯৪টি কসমেটিকস সামগ্রী, ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৬ পিস আতশবাজি, ১ হাজার ৭৫১ ঘনফুট কাঠ, ২ লাখ ২১ হাজার ৯০ কেজি কয়লা এবং ৬ হাজার ৪৪৬ কেজি চা পাতাও জব্দ করে বিজিবি।
এ ছাড়া ৬২৪টি মোবাইল ফোন, ৪ হাজার ৩৬০টি মোবাইল ডিসপ্লে ও ৩৬ হাজার ১৭০টি মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ২০ হাজার বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম, ৭১ হাজার ৪০০টি জিলেট ব্লেড, ৩ হাজার ৭০০টি চশমা, ৪৭ হাজার ৭৭৬ কেজি জিরা, ৪২ হাজার ৯৩১ কেজি রসুন, ১৩ হাজার ৩২৯ কেজি চিনি ও ১২ হাজার ৪৮৬ কেজি সার জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবির অভিযানে ১৭ হাজার ৪৭৯ কেজি কারেন্ট জাল, ৩৬৭ লিটার ভোজ্য তেল, ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও মবিল, ১ হাজার ৮১৮ প্যাকেট কীটনাশক এবং ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৭টি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি ১ কেজি ৭০ গ্রাম সাপের বিষ এবং ৯টি কষ্টি/বেলে পাথরও জব্দ করা হয়েছে।
চোরাচালানে ব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহনের মধ্যে ১২টি ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান, ৮টি পিকআপ, ৩টি প্রাইভেটকার, ৬টি ট্রলি, ৫৫টি সিএনজি, ইজিবাইক ও অটোরিকশা, ৫৯টি মোটরসাইকেল, ৪৭টি বাইসাইকেল ও ভ্যান এবং ১২৭টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ হয়েছে অস্ত্র ও বিপুল মাদক
জুলাই মাসে বিজিবির অভিযানে ৯টি দেশি-বিদেশি পিস্তল, একটি রাইফেল, ৫টি ম্যাগাজিন, ৬০ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং ৭টি অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যও জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২১ লাখ ১০ হাজার ২৫৮ পিস ইয়াবা, ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, ৭১ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ২৪৩ বোতল ফেনসিডিল এবং ৬ হাজার ৫২৬ বোতল বিদেশি মদ।
এ ছাড়া ১ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৫ লিটার বাংলা মদ, ৭৫৪ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৮০৬ কেজি গাঁজা, ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮৬টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ইনজেকশন, ১৬ হাজার ৫৮০ বোতল বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় সিরাপ, ১৮ হাজার ৬৮২ পিস বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও ট্যাবলেট এবং ১ লাখ ১৯ হাজার ১৪১ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্তে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯১ জন চোরাচালানিকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৩১ জন বাংলাদেশি, ৩ জন ভারতীয় এবং ৮১ জন মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

জুলাইয়ে ২০২ কোটি টাকার পণ্য জব্দ বিজিবির
বিশেষ প্রতিনিধি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত জুলাই মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২০২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও অবৈধ পণ্য জব্দের পাশাপাশি চোরাচালান ও অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে ৩০৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি জানায়, জুলাই মাসে জব্দ করা চোরাচালান পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৪ কেজি ২৫৪ গ্রাম স্বর্ণ, ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল, ৭ কেজি ৯৩০ গ্রাম রৌপ্য, ১৩ হাজার ৬৩টি শাড়ি, ২ হাজার ৭১০টি থ্রিপিস, শার্টপিস, চাদর ও কম্বল এবং ৮ হাজার ৮৮৬টি তৈরি পোশাক। এছাড়া ২ হাজার ৪১৬ মিটার থান কাপড় ও ১৫ হাজার ৫২৭টি ইমিটেশন গহনা জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে ৩ লাখ ২ হাজার ৩৯৪টি কসমেটিকস সামগ্রী, ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৬ পিস আতশবাজি, ১ হাজার ৭৫১ ঘনফুট কাঠ, ২ লাখ ২১ হাজার ৯০ কেজি কয়লা এবং ৬ হাজার ৪৪৬ কেজি চা পাতাও জব্দ করে বিজিবি।
এ ছাড়া ৬২৪টি মোবাইল ফোন, ৪ হাজার ৩৬০টি মোবাইল ডিসপ্লে ও ৩৬ হাজার ১৭০টি মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ২০ হাজার বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম, ৭১ হাজার ৪০০টি জিলেট ব্লেড, ৩ হাজার ৭০০টি চশমা, ৪৭ হাজার ৭৭৬ কেজি জিরা, ৪২ হাজার ৯৩১ কেজি রসুন, ১৩ হাজার ৩২৯ কেজি চিনি ও ১২ হাজার ৪৮৬ কেজি সার জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবির অভিযানে ১৭ হাজার ৪৭৯ কেজি কারেন্ট জাল, ৩৬৭ লিটার ভোজ্য তেল, ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও মবিল, ১ হাজার ৮১৮ প্যাকেট কীটনাশক এবং ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৭টি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি ১ কেজি ৭০ গ্রাম সাপের বিষ এবং ৯টি কষ্টি/বেলে পাথরও জব্দ করা হয়েছে।
চোরাচালানে ব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহনের মধ্যে ১২টি ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান, ৮টি পিকআপ, ৩টি প্রাইভেটকার, ৬টি ট্রলি, ৫৫টি সিএনজি, ইজিবাইক ও অটোরিকশা, ৫৯টি মোটরসাইকেল, ৪৭টি বাইসাইকেল ও ভ্যান এবং ১২৭টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ হয়েছে অস্ত্র ও বিপুল মাদক
জুলাই মাসে বিজিবির অভিযানে ৯টি দেশি-বিদেশি পিস্তল, একটি রাইফেল, ৫টি ম্যাগাজিন, ৬০ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং ৭টি অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যও জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২১ লাখ ১০ হাজার ২৫৮ পিস ইয়াবা, ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, ৭১ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ২৪৩ বোতল ফেনসিডিল এবং ৬ হাজার ৫২৬ বোতল বিদেশি মদ।
এ ছাড়া ১ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৫ লিটার বাংলা মদ, ৭৫৪ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৮০৬ কেজি গাঁজা, ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮৬টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ইনজেকশন, ১৬ হাজার ৫৮০ বোতল বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় সিরাপ, ১৮ হাজার ৬৮২ পিস বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও ট্যাবলেট এবং ১ লাখ ১৯ হাজার ১৪১ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্তে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯১ জন চোরাচালানিকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৩১ জন বাংলাদেশি, ৩ জন ভারতীয় এবং ৮১ জন মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।









