পিলখানা হত্যাকাণ্ড: প্রথমবার আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: প্রথমবার আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা
আদালত সংবাদদাতা

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় শেখ হাসিনাসহ তৎকালীন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও এমপিদের আসামি করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন এ তথ্য জানান।
প্রসিকিউশন জানায়, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এই মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে এসেছে।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয় পিলখানা। এদিন তৎকালীন বিডিআরের বিদ্রোহী জওয়ানদের হাতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হয়। এ ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মামলায় বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় দেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৮৩ জন। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। মামলায় আসামি প্রায় সাড়ে ৮শ জন। মামলায় ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে তিনশ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি জামিন পেয়েছেন।

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় শেখ হাসিনাসহ তৎকালীন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও এমপিদের আসামি করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন এ তথ্য জানান।
প্রসিকিউশন জানায়, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এই মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে এসেছে।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয় পিলখানা। এদিন তৎকালীন বিডিআরের বিদ্রোহী জওয়ানদের হাতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হয়। এ ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মামলায় বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় দেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৮৩ জন। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। মামলায় আসামি প্রায় সাড়ে ৮শ জন। মামলায় ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে তিনশ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি জামিন পেয়েছেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: প্রথমবার আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা
আদালত সংবাদদাতা

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় শেখ হাসিনাসহ তৎকালীন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও এমপিদের আসামি করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন এ তথ্য জানান।
প্রসিকিউশন জানায়, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এই মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে এসেছে।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয় পিলখানা। এদিন তৎকালীন বিডিআরের বিদ্রোহী জওয়ানদের হাতে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হয়। এ ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মামলায় বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় দেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৮৩ জন। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। মামলায় আসামি প্রায় সাড়ে ৮শ জন। মামলায় ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে তিনশ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি জামিন পেয়েছেন।




