বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরের জামিন
আদালত প্রতিবেদক

বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরের জামিন
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২২

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৩ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. খোরশেদ আলম জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি জানান, আসামি গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭১ দিন ধরে জেল হাজতে আটক রয়েছে। বর্তমানে শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ থাকার কারণে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে জামিনের প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত আসামির পাঁচ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মামলার আসামি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীর বাসার সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বাদীর পরিচয় হয়। ওই বাসার সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীর বাদীকে জানায়, সে যে বাসায় সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকুরি করে সে বাসায় বসবাসরত দম্পতির বাচ্চা দেখাশোনা করার জন্য ছোট মেয়ে বাচ্চা খুঁজতেছেন। পরে তাদের সঙ্গে দেখা করেন বাদী। তারা জানায়, যাকে রাখবে বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন বাদী।
সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় ১১ বছরের শিশুকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন বাবা। তবে এরপর আর ওই শিশুকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি আসামিরা। গত ৩১ জানুয়ারি বিথী শিশুটির বাবাকে ফোন করে জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। পরে মেয়েকে আনতে যান তার বাবা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাদীর কাছে তার মেয়েকে বুঝিয়ে দেন সাথী।
তখন বাদী দেখতে পান, তার মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম। মেয়েটি ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারে না। পরে তার মেয়েকে নিয়ে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার মেয়ে জানায়, গত ২ নভেম্বর তার বাবার সঙ্গে দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারপিটসহ খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্নস্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা উত্তর পশ্চিম থানায় নির্যাতনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরা ৯ নং সেক্টরের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। পরে এই মামলায় দেখিয়ে সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৩ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. খোরশেদ আলম জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি জানান, আসামি গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭১ দিন ধরে জেল হাজতে আটক রয়েছে। বর্তমানে শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ থাকার কারণে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে জামিনের প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত আসামির পাঁচ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মামলার আসামি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীর বাসার সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বাদীর পরিচয় হয়। ওই বাসার সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীর বাদীকে জানায়, সে যে বাসায় সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকুরি করে সে বাসায় বসবাসরত দম্পতির বাচ্চা দেখাশোনা করার জন্য ছোট মেয়ে বাচ্চা খুঁজতেছেন। পরে তাদের সঙ্গে দেখা করেন বাদী। তারা জানায়, যাকে রাখবে বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন বাদী।
সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় ১১ বছরের শিশুকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন বাবা। তবে এরপর আর ওই শিশুকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি আসামিরা। গত ৩১ জানুয়ারি বিথী শিশুটির বাবাকে ফোন করে জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। পরে মেয়েকে আনতে যান তার বাবা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাদীর কাছে তার মেয়েকে বুঝিয়ে দেন সাথী।
তখন বাদী দেখতে পান, তার মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম। মেয়েটি ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারে না। পরে তার মেয়েকে নিয়ে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার মেয়ে জানায়, গত ২ নভেম্বর তার বাবার সঙ্গে দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারপিটসহ খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্নস্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা উত্তর পশ্চিম থানায় নির্যাতনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরা ৯ নং সেক্টরের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। পরে এই মামলায় দেখিয়ে সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরের জামিন
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২২

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৩ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. খোরশেদ আলম জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি জানান, আসামি গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭১ দিন ধরে জেল হাজতে আটক রয়েছে। বর্তমানে শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ থাকার কারণে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে জামিনের প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত আসামির পাঁচ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মামলার আসামি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীর বাসার সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বাদীর পরিচয় হয়। ওই বাসার সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীর বাদীকে জানায়, সে যে বাসায় সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকুরি করে সে বাসায় বসবাসরত দম্পতির বাচ্চা দেখাশোনা করার জন্য ছোট মেয়ে বাচ্চা খুঁজতেছেন। পরে তাদের সঙ্গে দেখা করেন বাদী। তারা জানায়, যাকে রাখবে বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন বাদী।
সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় ১১ বছরের শিশুকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন বাবা। তবে এরপর আর ওই শিশুকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি আসামিরা। গত ৩১ জানুয়ারি বিথী শিশুটির বাবাকে ফোন করে জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। পরে মেয়েকে আনতে যান তার বাবা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাদীর কাছে তার মেয়েকে বুঝিয়ে দেন সাথী।
তখন বাদী দেখতে পান, তার মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম। মেয়েটি ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারে না। পরে তার মেয়েকে নিয়ে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার মেয়ে জানায়, গত ২ নভেম্বর তার বাবার সঙ্গে দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারপিটসহ খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্নস্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা উত্তর পশ্চিম থানায় নির্যাতনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরা ৯ নং সেক্টরের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। পরে এই মামলায় দেখিয়ে সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
/এমআর/

গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় রিমান্ড শেষে বিমানের সাবেক এমডি কারাগারে
গৃহকর্মী নির্যাতন মামলায় বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর জবানবন্দি


