শিরোনাম

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১৭ জুন

আদালত প্রতিবেদক
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১৭ জুন
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৭ জুন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালত এই আদেশ দেন।

`জয় বাংলা ব্রিগেড' নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জুম মিটিংকে কেন্দ্র করে দায়ের করা ওই মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল আজ। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আগামী ১৭ জুন অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ২৫৯ জন পলাতক।

আজ ওই মামলার ৩১ জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর মধ্যে নতুন করে ৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের আইনজীবী জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত তা নামঞ্জুর করে। এই মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৭ জন বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।

মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত জুম মিটিংয়ে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ গঠন করা হয়। ওই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের কেউ কেউ গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে পলাতক শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর পদে প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার করেন। ওই জুম মিটিংয়ে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৫৭৭ জন অংশ নেন।

মামলা সূত্রে আরও জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বি আলমের হোস্টিংয়ে অনুষ্ঠিত ওই মিটিংয়ের ভয়েস রেকর্ড বিশ্লেষণে দেখা যায়, সভায় অংশগ্রহণকারীরা বৈধ সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে না দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। সভায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেন এবং সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন।

/বিবি/