এসবিএসি ব্যাংকের ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলার সুপারিশ

এসবিএসি ব্যাংকের ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলার সুপারিশ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক পিএলসির নরসিংদী বাবুরাহাট শাখার গ্রাহকদের ১ কোটি ২৬ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তারা মামলার আবেদন করেছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকের এফডিআর ভেঙে এবং ভুয়া হিসাব খুলে এই বিশাল অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি। অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন– সাবেক ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. নাজমুল হক খান (ইউজার কোড- ৪২৫) এবং সিনিয়র অফিসার ও অথরাইজার মো. মাসুদুল হক (অথরাইজার কোড- ৯৩০)।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সলিউশন (সিবিএস) ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করেছেন।
সম্মতি ছাড়াই এফডিআরের টাকা ছাড়
২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর ‘নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১’ এর নামে থাকা একটি এফডিআর গ্রাহকের কোনো আবেদন বা সম্মতি ছাড়াই মেয়াদপূর্তির আগে ভেঙে ফেলা হয়। সুদসহ মোট ১ কোটি ২৬ লাখ ২৩ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যাংকের সাধারণ লেজারে স্থানান্তর করা হয়। এই টাকা সরানোর জন্য 'মো. হুমায়ুন আল মুমিন' ও 'মো. মোজাম্মেল হক' নামে দুটি ভুয়া এফডিআর হিসাব খোলা হয়।
সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা জানিয়েছেন, তারা ব্যাংকে এ ধরনের কোনো হিসাব খোলেননি এবং ফরমে থাকা স্বাক্ষরও তাদের নয়।
পরবর্তী সময়ে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন চেকে ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে এই টাকা অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হকের ব্যক্তিগত ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কর্মকর্তারা দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ‘জনসেবক’ হওয়া সত্ত্বেও গ্রাহকের আমানত রক্ষা না করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। মো. নাজমুল হক খানের ইউজার আইডি এবং মো. মাসুদুল হকের অথরাইজেশন কোড ব্যবহার করে প্রতিটি অবৈধ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এমনকী শাখার ভাউচার বা ট্র্যান্সফার রেজিস্টারেও এই লেনদেনের কোনো তথ্য রাখা হয়নি, যা স্পষ্ট জালিয়াতির প্রমাণ।
দুদক কর্মকর্তাদের মতে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দণ্ডবিধির ৪০৯ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪৬৮ (জালিয়াতি) ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক পিএলসির নরসিংদী বাবুরাহাট শাখার গ্রাহকদের ১ কোটি ২৬ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তারা মামলার আবেদন করেছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকের এফডিআর ভেঙে এবং ভুয়া হিসাব খুলে এই বিশাল অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি। অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন– সাবেক ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. নাজমুল হক খান (ইউজার কোড- ৪২৫) এবং সিনিয়র অফিসার ও অথরাইজার মো. মাসুদুল হক (অথরাইজার কোড- ৯৩০)।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সলিউশন (সিবিএস) ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করেছেন।
সম্মতি ছাড়াই এফডিআরের টাকা ছাড়
২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর ‘নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১’ এর নামে থাকা একটি এফডিআর গ্রাহকের কোনো আবেদন বা সম্মতি ছাড়াই মেয়াদপূর্তির আগে ভেঙে ফেলা হয়। সুদসহ মোট ১ কোটি ২৬ লাখ ২৩ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যাংকের সাধারণ লেজারে স্থানান্তর করা হয়। এই টাকা সরানোর জন্য 'মো. হুমায়ুন আল মুমিন' ও 'মো. মোজাম্মেল হক' নামে দুটি ভুয়া এফডিআর হিসাব খোলা হয়।
সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা জানিয়েছেন, তারা ব্যাংকে এ ধরনের কোনো হিসাব খোলেননি এবং ফরমে থাকা স্বাক্ষরও তাদের নয়।
পরবর্তী সময়ে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন চেকে ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে এই টাকা অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হকের ব্যক্তিগত ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কর্মকর্তারা দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ‘জনসেবক’ হওয়া সত্ত্বেও গ্রাহকের আমানত রক্ষা না করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। মো. নাজমুল হক খানের ইউজার আইডি এবং মো. মাসুদুল হকের অথরাইজেশন কোড ব্যবহার করে প্রতিটি অবৈধ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এমনকী শাখার ভাউচার বা ট্র্যান্সফার রেজিস্টারেও এই লেনদেনের কোনো তথ্য রাখা হয়নি, যা স্পষ্ট জালিয়াতির প্রমাণ।
দুদক কর্মকর্তাদের মতে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দণ্ডবিধির ৪০৯ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪৬৮ (জালিয়াতি) ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

এসবিএসি ব্যাংকের ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলার সুপারিশ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক পিএলসির নরসিংদী বাবুরাহাট শাখার গ্রাহকদের ১ কোটি ২৬ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তারা মামলার আবেদন করেছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকের এফডিআর ভেঙে এবং ভুয়া হিসাব খুলে এই বিশাল অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি। অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন– সাবেক ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. নাজমুল হক খান (ইউজার কোড- ৪২৫) এবং সিনিয়র অফিসার ও অথরাইজার মো. মাসুদুল হক (অথরাইজার কোড- ৯৩০)।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সলিউশন (সিবিএস) ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করেছেন।
সম্মতি ছাড়াই এফডিআরের টাকা ছাড়
২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর ‘নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১’ এর নামে থাকা একটি এফডিআর গ্রাহকের কোনো আবেদন বা সম্মতি ছাড়াই মেয়াদপূর্তির আগে ভেঙে ফেলা হয়। সুদসহ মোট ১ কোটি ২৬ লাখ ২৩ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যাংকের সাধারণ লেজারে স্থানান্তর করা হয়। এই টাকা সরানোর জন্য 'মো. হুমায়ুন আল মুমিন' ও 'মো. মোজাম্মেল হক' নামে দুটি ভুয়া এফডিআর হিসাব খোলা হয়।
সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা জানিয়েছেন, তারা ব্যাংকে এ ধরনের কোনো হিসাব খোলেননি এবং ফরমে থাকা স্বাক্ষরও তাদের নয়।
পরবর্তী সময়ে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন চেকে ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে এই টাকা অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হকের ব্যক্তিগত ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কর্মকর্তারা দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ‘জনসেবক’ হওয়া সত্ত্বেও গ্রাহকের আমানত রক্ষা না করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। মো. নাজমুল হক খানের ইউজার আইডি এবং মো. মাসুদুল হকের অথরাইজেশন কোড ব্যবহার করে প্রতিটি অবৈধ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এমনকী শাখার ভাউচার বা ট্র্যান্সফার রেজিস্টারেও এই লেনদেনের কোনো তথ্য রাখা হয়নি, যা স্পষ্ট জালিয়াতির প্রমাণ।
দুদক কর্মকর্তাদের মতে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দণ্ডবিধির ৪০৯ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪৬৮ (জালিয়াতি) ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।




