বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে তিনি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তের আওতায় ছিলেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান সোমবার তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় ওই দিনই আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।
বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক। ওই আবেদনে বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাশাপাশি গুরুতর অসদাচরণ ও বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে তদন্তের জন্য কাউন্সিলে সুপারিশও করা হয়েছে।
আবেদনকারীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার শুনানিতে বিচারপতি রেজাউল হাসান চরম পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে আপিল বিভাগ বাতিল করে দেয়।
অন্য একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষভুক্ত না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার অবৈধভাবে বাতিল করে দেওয়া হয়। আবেদনকারীর মতে, এই ধরনের রায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে তিনি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তের আওতায় ছিলেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান সোমবার তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় ওই দিনই আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।
বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক। ওই আবেদনে বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাশাপাশি গুরুতর অসদাচরণ ও বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে তদন্তের জন্য কাউন্সিলে সুপারিশও করা হয়েছে।
আবেদনকারীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার শুনানিতে বিচারপতি রেজাউল হাসান চরম পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে আপিল বিভাগ বাতিল করে দেয়।
অন্য একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষভুক্ত না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার অবৈধভাবে বাতিল করে দেওয়া হয়। আবেদনকারীর মতে, এই ধরনের রায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগে তিনি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তের আওতায় ছিলেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান সোমবার তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় ওই দিনই আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।
বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক। ওই আবেদনে বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাশাপাশি গুরুতর অসদাচরণ ও বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে তদন্তের জন্য কাউন্সিলে সুপারিশও করা হয়েছে।
আবেদনকারীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার শুনানিতে বিচারপতি রেজাউল হাসান চরম পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। একটি মামলায় সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে কাল্পনিক যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে আপিল বিভাগ বাতিল করে দেয়।
অন্য একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষভুক্ত না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার অবৈধভাবে বাতিল করে দেওয়া হয়। আবেদনকারীর মতে, এই ধরনের রায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।




