সিলেট-৬ আসন
নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানো, সংখ্যালঘু ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বহিরাগতদের দিয়ে প্রচারণা চালানোর অভিযোগ এনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন সিলেট-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমের কার্যালয়ে এ অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ- বিয়ানীবাজার) সংসদীয় আসনের মধ্যে বিয়ানীবাজার উপজেলা একটি প্রবাসী অধ্যুষিত জনবহুল এলাকা। এই এলাকায় আমরা দেখতে পাচ্ছি, বহিরাগত ক্যাডার ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির অনেক লোক বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে নির্বাচনের প্রচারণার বাহানায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
আমরা এলাকার জনসাধারণ মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র দখল ও জাল ভোট প্রদানসহ ব্যালট বাক্স ছিনতাই করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও বহিরাগতরা। তারা ভোটারদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে এনআইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) সংগ্রহ করে নগদ অর্থ দিয়ে ভোট কেনাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।’
অভিযোগপত্রে সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আরও উল্লেখ করেন, এসব আশঙ্কা ও অভিযোগ আমরা ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে দাখিল করি। সর্বশেষ গত ৮ ফেব্রুয়ারি জেলা রিটার্নিং অফিসার বরাবরে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করি। দুঃখের বিষয়, এসব বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের অনুলিপি সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সহকারী রিটানিং অফিসার বরাবরেও দাখিল করেছন এমরান আহমদ চৌধুরী।
এদিকে, সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সব প্রকার নিরাপত্তা ও সকল অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানোর আশ্বাস দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম।

নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানো, সংখ্যালঘু ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বহিরাগতদের দিয়ে প্রচারণা চালানোর অভিযোগ এনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন সিলেট-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমের কার্যালয়ে এ অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ- বিয়ানীবাজার) সংসদীয় আসনের মধ্যে বিয়ানীবাজার উপজেলা একটি প্রবাসী অধ্যুষিত জনবহুল এলাকা। এই এলাকায় আমরা দেখতে পাচ্ছি, বহিরাগত ক্যাডার ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির অনেক লোক বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে নির্বাচনের প্রচারণার বাহানায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
আমরা এলাকার জনসাধারণ মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র দখল ও জাল ভোট প্রদানসহ ব্যালট বাক্স ছিনতাই করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও বহিরাগতরা। তারা ভোটারদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে এনআইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) সংগ্রহ করে নগদ অর্থ দিয়ে ভোট কেনাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।’
অভিযোগপত্রে সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আরও উল্লেখ করেন, এসব আশঙ্কা ও অভিযোগ আমরা ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে দাখিল করি। সর্বশেষ গত ৮ ফেব্রুয়ারি জেলা রিটার্নিং অফিসার বরাবরে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করি। দুঃখের বিষয়, এসব বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের অনুলিপি সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সহকারী রিটানিং অফিসার বরাবরেও দাখিল করেছন এমরান আহমদ চৌধুরী।
এদিকে, সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সব প্রকার নিরাপত্তা ও সকল অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানোর আশ্বাস দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম।

নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানো, সংখ্যালঘু ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বহিরাগতদের দিয়ে প্রচারণা চালানোর অভিযোগ এনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন সিলেট-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমের কার্যালয়ে এ অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ- বিয়ানীবাজার) সংসদীয় আসনের মধ্যে বিয়ানীবাজার উপজেলা একটি প্রবাসী অধ্যুষিত জনবহুল এলাকা। এই এলাকায় আমরা দেখতে পাচ্ছি, বহিরাগত ক্যাডার ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির অনেক লোক বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে নির্বাচনের প্রচারণার বাহানায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
আমরা এলাকার জনসাধারণ মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র দখল ও জাল ভোট প্রদানসহ ব্যালট বাক্স ছিনতাই করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও বহিরাগতরা। তারা ভোটারদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে এনআইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) সংগ্রহ করে নগদ অর্থ দিয়ে ভোট কেনাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।’
অভিযোগপত্রে সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আরও উল্লেখ করেন, এসব আশঙ্কা ও অভিযোগ আমরা ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে দাখিল করি। সর্বশেষ গত ৮ ফেব্রুয়ারি জেলা রিটার্নিং অফিসার বরাবরে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করি। দুঃখের বিষয়, এসব বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের অনুলিপি সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সহকারী রিটানিং অফিসার বরাবরেও দাখিল করেছন এমরান আহমদ চৌধুরী।
এদিকে, সিলেট-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সব প্রকার নিরাপত্তা ও সকল অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানোর আশ্বাস দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম।



