সিলেটে জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ বিএনপির

সিলেটে জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ বিএনপির
সিলেট সংবাবদাতা

সিলেট-১ (মহানগর ও নগর) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির হাবিবুর রহমান তার হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি দাবি করেছে, শেয়ার ও ঋণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি হাবিবুর রহমান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৪টায় নগরের কাজীটুলায় সিলেট-১ আসনে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিলেট-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তিনি বলেন, হাবিবুর রহমান হলফনামায় কোম্পানি শেয়ার ও ঋণ-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। এটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও রাজনৈতিক ভণ্ডামি।
রেজাউল হাসান কয়েসের দাবি, আরজেএসসির ফর্ম-১২ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের পরিচালক এবং আল কারামা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার। তবে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া শিডিউল-১০ প্রতিবেদনে ইবনে সিনা হাসপাতালের ২৪ কোটি টাকার ঋণ অনাদায়ী আছে, যা হলফনামায় উল্লেখ নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক সিলেট শাখায় হাবিবুর রহমানের বড় অঙ্কের ঋণ রয়েছে। তবে এগুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।’ এ তথ্য যাচাইযোগ্য উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে জামায়াত প্রার্থী হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনে সাড়া দেননি।
তবে মহানগর জামায়াতের আমির ও ১১-দলীয় জোট সিলেট মহানগরের সমন্বয়কারী মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের (বিএনপি) প্রার্থীর বিষয়ে নানা তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। আমাদের মতে, তাদের প্রার্থী হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপি। এখন জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ভিন্ন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তবে শিগগিরই লিখিতভাবে এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান প্রকাশ করা হবে।’

সিলেট-১ (মহানগর ও নগর) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির হাবিবুর রহমান তার হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি দাবি করেছে, শেয়ার ও ঋণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি হাবিবুর রহমান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৪টায় নগরের কাজীটুলায় সিলেট-১ আসনে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিলেট-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তিনি বলেন, হাবিবুর রহমান হলফনামায় কোম্পানি শেয়ার ও ঋণ-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। এটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও রাজনৈতিক ভণ্ডামি।
রেজাউল হাসান কয়েসের দাবি, আরজেএসসির ফর্ম-১২ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের পরিচালক এবং আল কারামা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার। তবে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া শিডিউল-১০ প্রতিবেদনে ইবনে সিনা হাসপাতালের ২৪ কোটি টাকার ঋণ অনাদায়ী আছে, যা হলফনামায় উল্লেখ নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক সিলেট শাখায় হাবিবুর রহমানের বড় অঙ্কের ঋণ রয়েছে। তবে এগুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।’ এ তথ্য যাচাইযোগ্য উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে জামায়াত প্রার্থী হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনে সাড়া দেননি।
তবে মহানগর জামায়াতের আমির ও ১১-দলীয় জোট সিলেট মহানগরের সমন্বয়কারী মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের (বিএনপি) প্রার্থীর বিষয়ে নানা তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। আমাদের মতে, তাদের প্রার্থী হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপি। এখন জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ভিন্ন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তবে শিগগিরই লিখিতভাবে এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান প্রকাশ করা হবে।’

সিলেটে জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ বিএনপির
সিলেট সংবাবদাতা

সিলেট-১ (মহানগর ও নগর) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির হাবিবুর রহমান তার হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটি দাবি করেছে, শেয়ার ও ঋণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি হাবিবুর রহমান।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৪টায় নগরের কাজীটুলায় সিলেট-১ আসনে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিলেট-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তিনি বলেন, হাবিবুর রহমান হলফনামায় কোম্পানি শেয়ার ও ঋণ-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। এটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও রাজনৈতিক ভণ্ডামি।
রেজাউল হাসান কয়েসের দাবি, আরজেএসসির ফর্ম-১২ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের পরিচালক এবং আল কারামা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার। তবে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া শিডিউল-১০ প্রতিবেদনে ইবনে সিনা হাসপাতালের ২৪ কোটি টাকার ঋণ অনাদায়ী আছে, যা হলফনামায় উল্লেখ নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক সিলেট শাখায় হাবিবুর রহমানের বড় অঙ্কের ঋণ রয়েছে। তবে এগুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।’ এ তথ্য যাচাইযোগ্য উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে জামায়াত প্রার্থী হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনে সাড়া দেননি।
তবে মহানগর জামায়াতের আমির ও ১১-দলীয় জোট সিলেট মহানগরের সমন্বয়কারী মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের (বিএনপি) প্রার্থীর বিষয়ে নানা তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। আমাদের মতে, তাদের প্রার্থী হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপি। এখন জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ভিন্ন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তবে শিগগিরই লিখিতভাবে এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান প্রকাশ করা হবে।’




