নিখোঁজ নয়, পাঞ্জাবি খুলে পালিয়েছিল সেই ২ ভাই

নিখোঁজ নয়, পাঞ্জাবি খুলে পালিয়েছিল সেই ২ ভাই
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়া সেই যমজ দুই ভাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। তারা অপহৃত বা নিখোঁজ হয়নি, বরং নিজেদের বেশভূষা বদলে ঢাকার উদ্দেশ্যে পালিয়েছিল বলে জানা গেছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে উদ্ধারের পর বুধবার (১ এপ্রিল) তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া দুই শিশু হলো- শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রাসেল ও রাশেদুল। তারা বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বওড়া বারেক মাওলানা কওমিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হয় রাসেল ও রাশেদুল। পথিমধ্যে তারা নিখোঁজ হয়ে যায়। এতে আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পায়নি পরিবারের লোকজন। ঘটনার দুই দিন পর ৩১ মার্চ শিশুদের বাবা নজরুল ইসলাম বেলকুচি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি হোটেল থেকে ওই দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের সুস্থ অবস্থায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হলেও দুই ভাইয়ের মাথায় ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা। পথিমধ্যে তারা তাদের মাদ্রাসার পোশাক অর্থাৎ পাঞ্জাবি খুলে ব্যাগে রেখে দেয় এবং সাধারণ গেঞ্জি পরে নেয়। যাতে কেউ তাদের মাদ্রাসাছাত্র হিসেবে চিনতে না পারে। এরপর তারা ঢাকার বাসে উঠে পড়ে।
বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর জানান, ‘যমজ দুই ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের সহপাঠীদের সাথে কথা বলি। একজন জানায়, রাসেল ও রাশেদুল ঢাকায় গিয়ে কাজ করার গল্প করেছিল। পরে সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডের একটি হোটেল থেকে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর সেখান থেকে ওই বাচ্চাদের ছবি পাঠাতে বলি। ছবি দেখে বাচ্চাদের বাবা নিশ্চিত করে এরাই তার সন্তান।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিশ্চিত হওয়ার পরে আমি গাজীপুরের কালিয়াকৈর পুলিশ ফাঁড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা ছেলেগুলোকে রেসকিউ করে। এরপর আমাদের একটি টিম গিয়ে ওই দুই মাদ্রাসাছাত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরে তাদের সুস্থ অবস্থায় বাবা নজরুল ইসলামের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়া সেই যমজ দুই ভাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। তারা অপহৃত বা নিখোঁজ হয়নি, বরং নিজেদের বেশভূষা বদলে ঢাকার উদ্দেশ্যে পালিয়েছিল বলে জানা গেছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে উদ্ধারের পর বুধবার (১ এপ্রিল) তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া দুই শিশু হলো- শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রাসেল ও রাশেদুল। তারা বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বওড়া বারেক মাওলানা কওমিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হয় রাসেল ও রাশেদুল। পথিমধ্যে তারা নিখোঁজ হয়ে যায়। এতে আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পায়নি পরিবারের লোকজন। ঘটনার দুই দিন পর ৩১ মার্চ শিশুদের বাবা নজরুল ইসলাম বেলকুচি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি হোটেল থেকে ওই দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের সুস্থ অবস্থায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হলেও দুই ভাইয়ের মাথায় ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা। পথিমধ্যে তারা তাদের মাদ্রাসার পোশাক অর্থাৎ পাঞ্জাবি খুলে ব্যাগে রেখে দেয় এবং সাধারণ গেঞ্জি পরে নেয়। যাতে কেউ তাদের মাদ্রাসাছাত্র হিসেবে চিনতে না পারে। এরপর তারা ঢাকার বাসে উঠে পড়ে।
বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর জানান, ‘যমজ দুই ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের সহপাঠীদের সাথে কথা বলি। একজন জানায়, রাসেল ও রাশেদুল ঢাকায় গিয়ে কাজ করার গল্প করেছিল। পরে সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডের একটি হোটেল থেকে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর সেখান থেকে ওই বাচ্চাদের ছবি পাঠাতে বলি। ছবি দেখে বাচ্চাদের বাবা নিশ্চিত করে এরাই তার সন্তান।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিশ্চিত হওয়ার পরে আমি গাজীপুরের কালিয়াকৈর পুলিশ ফাঁড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা ছেলেগুলোকে রেসকিউ করে। এরপর আমাদের একটি টিম গিয়ে ওই দুই মাদ্রাসাছাত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরে তাদের সুস্থ অবস্থায় বাবা নজরুল ইসলামের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

নিখোঁজ নয়, পাঞ্জাবি খুলে পালিয়েছিল সেই ২ ভাই
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়া সেই যমজ দুই ভাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। তারা অপহৃত বা নিখোঁজ হয়নি, বরং নিজেদের বেশভূষা বদলে ঢাকার উদ্দেশ্যে পালিয়েছিল বলে জানা গেছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে উদ্ধারের পর বুধবার (১ এপ্রিল) তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া দুই শিশু হলো- শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রাসেল ও রাশেদুল। তারা বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বওড়া বারেক মাওলানা কওমিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হয় রাসেল ও রাশেদুল। পথিমধ্যে তারা নিখোঁজ হয়ে যায়। এতে আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পায়নি পরিবারের লোকজন। ঘটনার দুই দিন পর ৩১ মার্চ শিশুদের বাবা নজরুল ইসলাম বেলকুচি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি হোটেল থেকে ওই দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের সুস্থ অবস্থায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বাড়ি থেকে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হলেও দুই ভাইয়ের মাথায় ছিল ভিন্ন পরিকল্পনা। পথিমধ্যে তারা তাদের মাদ্রাসার পোশাক অর্থাৎ পাঞ্জাবি খুলে ব্যাগে রেখে দেয় এবং সাধারণ গেঞ্জি পরে নেয়। যাতে কেউ তাদের মাদ্রাসাছাত্র হিসেবে চিনতে না পারে। এরপর তারা ঢাকার বাসে উঠে পড়ে।
বেলকুচি থানার ওসি ইমাম জাফর জানান, ‘যমজ দুই ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের সহপাঠীদের সাথে কথা বলি। একজন জানায়, রাসেল ও রাশেদুল ঢাকায় গিয়ে কাজ করার গল্প করেছিল। পরে সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডের একটি হোটেল থেকে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর সেখান থেকে ওই বাচ্চাদের ছবি পাঠাতে বলি। ছবি দেখে বাচ্চাদের বাবা নিশ্চিত করে এরাই তার সন্তান।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিশ্চিত হওয়ার পরে আমি গাজীপুরের কালিয়াকৈর পুলিশ ফাঁড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা ছেলেগুলোকে রেসকিউ করে। এরপর আমাদের একটি টিম গিয়ে ওই দুই মাদ্রাসাছাত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরে তাদের সুস্থ অবস্থায় বাবা নজরুল ইসলামের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’




