নজর কেড়েছে আমিরুলের খামারের ৭৬ কেজির খাসি

নজর কেড়েছে আমিরুলের খামারের ৭৬ কেজির খাসি
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

কোরবানি হাটের অন্যতম আকর্ষণ আমিরুল ইসলামের তিনটি খাসি। এই খাসিগুলোর মধ্যে একটির ওজন ৭৬ কেজি। সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকায় এই খাসি দেখতে খামারে সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন। নজর কাড়ছে সাদা নামের খাসিটি।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খামারে বড় ছাগলের জন্য রয়েছে আলাদা কক্ষ। প্রতিটি কক্ষে থাকে বড় ছাগল। এক সঙ্গে রাখা হয়েছে ছোট ছাগল। তাদের পরিচর্যার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন কর্মচারী। তারা খামারের সব ছাগল দেখাশোনা করেন।
খামারের কর্মচারী ভরত বলেন, সাধারণত ছাগলগুলোকে ভুসি, সয়াবিন খৈল, কুড়া ও ঘাস খাওয়াই। তাদের একটার নাম সাদা, অন্যটার নাম লালু, আরেকটার নাম কালু। তাদের নাম ধরে ডাকলেই কাছে চলে আসে। আমরা তাদের সন্তানের মতো আদর যত্ন করি।

আরেক কর্মচারী সুনীল বলেন, আমিরুল ইসলাম ভাইয়ের খামারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাগল দেখাশোনা করি। এই তিনটি ছাগল আমরা কোরবানি জন্য প্রস্তুত করেছি।
খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করেছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই খামার বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তার খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। পাশাপাশি মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারও করেছেন।
খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম বলেন, কোরবানি ঈদে বড় ছাগলের কদর থাকে আলাদা। এবার তিনটি ছাগল প্রস্তুত করেছি। ইতোমধ্যে একটি ছাগল বিক্রি হয়ে গেছে। আরেকটির দরদাম চলছে। আমার সাদা ছাগলের ওজন ৭৬ কেজি, লালুর ওজন ৬৪ কেজি, কালুর ওজন ৫৪ কেজি। প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে তাদের দাম ধরা হয়। আমার এই তিনটা ছাগলের পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় ৩০০ টাকা। তাদের পরিচর্যা করার জন্য তিনজন কর্মচারী রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত দেখাশোনা করেন।
ছাগল ক্রয় করতে আসা ইসমাইল গাজী বলেন, এই ছাগলের মাংস খেতে খুব সুস্বাদু। কোরবানির ঈদে এই ধরনের ছাগলের চাহিদা বেশি থাকে। আমরা এই ছাগল কিনতে এসেছি। দরদাম ঠিক হলেই নিয়ে যাবো।
সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা এফ এম হান্নান কবির বলেন, এখন বেশির ভাগ খামারে ক্রস জাতের ছাগল লালন-পালন করা হচ্ছে। কারণ ওই ছাগলগুলো অনেক বড় হয়। আমি আমিরুল ভাইয়ের ছাগলের খামারে গিয়েছি। অনেক বড় বড় ছাগল। আশা করি, এবার ঈদে এই ছাগলগুলো সাতক্ষীরাকে মাতাবে। সবার নজর কাড়ছে।

কোরবানি হাটের অন্যতম আকর্ষণ আমিরুল ইসলামের তিনটি খাসি। এই খাসিগুলোর মধ্যে একটির ওজন ৭৬ কেজি। সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকায় এই খাসি দেখতে খামারে সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন। নজর কাড়ছে সাদা নামের খাসিটি।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খামারে বড় ছাগলের জন্য রয়েছে আলাদা কক্ষ। প্রতিটি কক্ষে থাকে বড় ছাগল। এক সঙ্গে রাখা হয়েছে ছোট ছাগল। তাদের পরিচর্যার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন কর্মচারী। তারা খামারের সব ছাগল দেখাশোনা করেন।
খামারের কর্মচারী ভরত বলেন, সাধারণত ছাগলগুলোকে ভুসি, সয়াবিন খৈল, কুড়া ও ঘাস খাওয়াই। তাদের একটার নাম সাদা, অন্যটার নাম লালু, আরেকটার নাম কালু। তাদের নাম ধরে ডাকলেই কাছে চলে আসে। আমরা তাদের সন্তানের মতো আদর যত্ন করি।

আরেক কর্মচারী সুনীল বলেন, আমিরুল ইসলাম ভাইয়ের খামারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাগল দেখাশোনা করি। এই তিনটি ছাগল আমরা কোরবানি জন্য প্রস্তুত করেছি।
খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করেছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই খামার বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তার খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। পাশাপাশি মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারও করেছেন।
খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম বলেন, কোরবানি ঈদে বড় ছাগলের কদর থাকে আলাদা। এবার তিনটি ছাগল প্রস্তুত করেছি। ইতোমধ্যে একটি ছাগল বিক্রি হয়ে গেছে। আরেকটির দরদাম চলছে। আমার সাদা ছাগলের ওজন ৭৬ কেজি, লালুর ওজন ৬৪ কেজি, কালুর ওজন ৫৪ কেজি। প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে তাদের দাম ধরা হয়। আমার এই তিনটা ছাগলের পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় ৩০০ টাকা। তাদের পরিচর্যা করার জন্য তিনজন কর্মচারী রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত দেখাশোনা করেন।
ছাগল ক্রয় করতে আসা ইসমাইল গাজী বলেন, এই ছাগলের মাংস খেতে খুব সুস্বাদু। কোরবানির ঈদে এই ধরনের ছাগলের চাহিদা বেশি থাকে। আমরা এই ছাগল কিনতে এসেছি। দরদাম ঠিক হলেই নিয়ে যাবো।
সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা এফ এম হান্নান কবির বলেন, এখন বেশির ভাগ খামারে ক্রস জাতের ছাগল লালন-পালন করা হচ্ছে। কারণ ওই ছাগলগুলো অনেক বড় হয়। আমি আমিরুল ভাইয়ের ছাগলের খামারে গিয়েছি। অনেক বড় বড় ছাগল। আশা করি, এবার ঈদে এই ছাগলগুলো সাতক্ষীরাকে মাতাবে। সবার নজর কাড়ছে।

নজর কেড়েছে আমিরুলের খামারের ৭৬ কেজির খাসি
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

কোরবানি হাটের অন্যতম আকর্ষণ আমিরুল ইসলামের তিনটি খাসি। এই খাসিগুলোর মধ্যে একটির ওজন ৭৬ কেজি। সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকায় এই খাসি দেখতে খামারে সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন। নজর কাড়ছে সাদা নামের খাসিটি।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খামারে বড় ছাগলের জন্য রয়েছে আলাদা কক্ষ। প্রতিটি কক্ষে থাকে বড় ছাগল। এক সঙ্গে রাখা হয়েছে ছোট ছাগল। তাদের পরিচর্যার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন কর্মচারী। তারা খামারের সব ছাগল দেখাশোনা করেন।
খামারের কর্মচারী ভরত বলেন, সাধারণত ছাগলগুলোকে ভুসি, সয়াবিন খৈল, কুড়া ও ঘাস খাওয়াই। তাদের একটার নাম সাদা, অন্যটার নাম লালু, আরেকটার নাম কালু। তাদের নাম ধরে ডাকলেই কাছে চলে আসে। আমরা তাদের সন্তানের মতো আদর যত্ন করি।

আরেক কর্মচারী সুনীল বলেন, আমিরুল ইসলাম ভাইয়ের খামারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছাগল দেখাশোনা করি। এই তিনটি ছাগল আমরা কোরবানি জন্য প্রস্তুত করেছি।
খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম পেশায় একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বিদেশি জাহাজে কাজ করেছেন। ছুটিতে দেশে এসে প্রায় ৬ বছর আগে শখের বশে ১টি পুরুষ ছাগল এবং ২টি মাদি ছাগল কিনে খামার শুরু করেন। ধীরে ধীরে সেই খামার বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তার খামারে ৩৮টি ছাগল আছে। পাশাপাশি মাছের পুকুর ও কবুতরের খামারও করেছেন।
খামারের মালিক আমিরুল ইসলাম বলেন, কোরবানি ঈদে বড় ছাগলের কদর থাকে আলাদা। এবার তিনটি ছাগল প্রস্তুত করেছি। ইতোমধ্যে একটি ছাগল বিক্রি হয়ে গেছে। আরেকটির দরদাম চলছে। আমার সাদা ছাগলের ওজন ৭৬ কেজি, লালুর ওজন ৬৪ কেজি, কালুর ওজন ৫৪ কেজি। প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে তাদের দাম ধরা হয়। আমার এই তিনটা ছাগলের পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় ৩০০ টাকা। তাদের পরিচর্যা করার জন্য তিনজন কর্মচারী রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত দেখাশোনা করেন।
ছাগল ক্রয় করতে আসা ইসমাইল গাজী বলেন, এই ছাগলের মাংস খেতে খুব সুস্বাদু। কোরবানির ঈদে এই ধরনের ছাগলের চাহিদা বেশি থাকে। আমরা এই ছাগল কিনতে এসেছি। দরদাম ঠিক হলেই নিয়ে যাবো।
সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা এফ এম হান্নান কবির বলেন, এখন বেশির ভাগ খামারে ক্রস জাতের ছাগল লালন-পালন করা হচ্ছে। কারণ ওই ছাগলগুলো অনেক বড় হয়। আমি আমিরুল ভাইয়ের ছাগলের খামারে গিয়েছি। অনেক বড় বড় ছাগল। আশা করি, এবার ঈদে এই ছাগলগুলো সাতক্ষীরাকে মাতাবে। সবার নজর কাড়ছে।




