খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তার ৪৪ জলকপাট, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তার ৪৪ জলকপাট, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল
রংপুর সংবাদদাতা

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং ভারী বর্ষণের প্রভাব সামাল দিতে বাংলাদেশে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট বা গেটের সবগুলোই খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশেল উত্তরাঞ্চলে তিস্তাসহ অন্যান্য নদীর পানি বেড়ে বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইতোমধ্যেই নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তিস্তা নদীর পানি কিছু পয়েন্টে বিপৎসীমার কয়েক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিকাল ৩টায় কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৫.৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমা ২৬.৫ মিটারের ৯৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি ৩০.০০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
এছাড়া পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি বিকাল ৩টায় ২৮.৮৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ২৪.৬১ মিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ২২.০২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। উভয় পয়েন্টেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনও বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে।
এদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ২৯.০০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও এটা আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে ধীরে ধীরে কমছে এবং বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বাঁধ ও ব্যারাজ খোলা হয় কেন
বাংলাদেশের ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত বা অভিন্ন নদী রয়েছে। এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ৩টি যৌথভাবে প্রবাহিত। ফলে উজানের দেশ হওয়ায় ভারত, মিয়ানমার কিংবা নেপালের নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেলে সেটি ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়ে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, তিস্তা নদীর ওপর ভারতীয় অংশের বাঁধের দুয়েকটি গেট বছরজুড়েই খোলা থাকে। তবে কোনো চুক্তি না থাকায় তারা তাদের ইচ্ছামতো পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু বর্ষার শুরুতে পানির চাপ বাড়লে তারা সবগুলো গেট খুলে দেয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানি আটকে রাখে। ফলে উত্তরাঞ্চলে খরার সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উজানে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা অববাহিকায় ভারতের গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পানির চাপ সামলাতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেটের সবগুলোই খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ। এতে তিস্তা নদীর পাশাপাশি দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশিরভাগ নদীর পানি বাড়ছে, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
অনেক এলাকায় ফসলের খেত তলিয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক বাড়ছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং ভারী বর্ষণের প্রভাব সামাল দিতে বাংলাদেশে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট বা গেটের সবগুলোই খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশেল উত্তরাঞ্চলে তিস্তাসহ অন্যান্য নদীর পানি বেড়ে বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইতোমধ্যেই নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তিস্তা নদীর পানি কিছু পয়েন্টে বিপৎসীমার কয়েক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিকাল ৩টায় কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৫.৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমা ২৬.৫ মিটারের ৯৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি ৩০.০০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
এছাড়া পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি বিকাল ৩টায় ২৮.৮৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ২৪.৬১ মিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ২২.০২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। উভয় পয়েন্টেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনও বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে।
এদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ২৯.০০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও এটা আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে ধীরে ধীরে কমছে এবং বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বাঁধ ও ব্যারাজ খোলা হয় কেন
বাংলাদেশের ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত বা অভিন্ন নদী রয়েছে। এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ৩টি যৌথভাবে প্রবাহিত। ফলে উজানের দেশ হওয়ায় ভারত, মিয়ানমার কিংবা নেপালের নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেলে সেটি ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়ে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, তিস্তা নদীর ওপর ভারতীয় অংশের বাঁধের দুয়েকটি গেট বছরজুড়েই খোলা থাকে। তবে কোনো চুক্তি না থাকায় তারা তাদের ইচ্ছামতো পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু বর্ষার শুরুতে পানির চাপ বাড়লে তারা সবগুলো গেট খুলে দেয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানি আটকে রাখে। ফলে উত্তরাঞ্চলে খরার সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উজানে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা অববাহিকায় ভারতের গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পানির চাপ সামলাতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেটের সবগুলোই খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ। এতে তিস্তা নদীর পাশাপাশি দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশিরভাগ নদীর পানি বাড়ছে, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
অনেক এলাকায় ফসলের খেত তলিয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক বাড়ছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তার ৪৪ জলকপাট, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল
রংপুর সংবাদদাতা

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং ভারী বর্ষণের প্রভাব সামাল দিতে বাংলাদেশে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট বা গেটের সবগুলোই খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশেল উত্তরাঞ্চলে তিস্তাসহ অন্যান্য নদীর পানি বেড়ে বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইতোমধ্যেই নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তিস্তা নদীর পানি কিছু পয়েন্টে বিপৎসীমার কয়েক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিকাল ৩টায় কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৫.৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমা ২৬.৫ মিটারের ৯৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি ৩০.০০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
এছাড়া পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি বিকাল ৩টায় ২৮.৮৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ২৪.৬১ মিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ২২.০২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। উভয় পয়েন্টেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনও বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে।
এদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ২৯.০০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও এটা আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে ধীরে ধীরে কমছে এবং বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বাঁধ ও ব্যারাজ খোলা হয় কেন
বাংলাদেশের ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত বা অভিন্ন নদী রয়েছে। এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ৩টি যৌথভাবে প্রবাহিত। ফলে উজানের দেশ হওয়ায় ভারত, মিয়ানমার কিংবা নেপালের নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেলে সেটি ভাটিতে থাকা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়ে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, তিস্তা নদীর ওপর ভারতীয় অংশের বাঁধের দুয়েকটি গেট বছরজুড়েই খোলা থাকে। তবে কোনো চুক্তি না থাকায় তারা তাদের ইচ্ছামতো পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু বর্ষার শুরুতে পানির চাপ বাড়লে তারা সবগুলো গেট খুলে দেয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানি আটকে রাখে। ফলে উত্তরাঞ্চলে খরার সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উজানে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা অববাহিকায় ভারতের গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পানির চাপ সামলাতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেটের সবগুলোই খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ। এতে তিস্তা নদীর পাশাপাশি দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশিরভাগ নদীর পানি বাড়ছে, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
অনেক এলাকায় ফসলের খেত তলিয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক বাড়ছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পরিকল্পিত বাঁধ-ড্রেজিংয়ে তিস্তাপাড় রক্ষা সম্ভব: পানিসম্পদ মন্ত্রী
তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী


