রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুর নগরীর মাসুয়াপাড়া মহল্লায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ ৪ জনকে হত্যা মামলার আসামি সিদ্বার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশ তাদের বাসা থেকে গত শনিবার রাতে আটক করে মহানগর ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে এসে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে।
রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য জানান।
ডিবি পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট রাতে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের ৪ জনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার দুই বন্ধু মুগ্ধ ও সিদ্ধর্থ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তারা ৪ খুনের সঙ্গে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা শিকার করে। এরপর সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে তাদের কার্যালয়ে ডেকে পাঠালেও তারা আসেনি। ফলে শনিবার রাতে তাদের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে আসা হয়।
এ ব্যাপারে রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সিদ্ধর্থের বাবা ও বড় ভাইয়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেই সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। আপাতত তাদের মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আবারও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ডিবি পুলিশের হাতে আটক আসামি সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস ছাড়া পেয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তারা যতটুকু জানেন তাই বলেছেন।

রংপুর নগরীর মাসুয়াপাড়া মহল্লায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ ৪ জনকে হত্যা মামলার আসামি সিদ্বার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশ তাদের বাসা থেকে গত শনিবার রাতে আটক করে মহানগর ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে এসে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে।
রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য জানান।
ডিবি পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট রাতে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের ৪ জনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার দুই বন্ধু মুগ্ধ ও সিদ্ধর্থ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তারা ৪ খুনের সঙ্গে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা শিকার করে। এরপর সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে তাদের কার্যালয়ে ডেকে পাঠালেও তারা আসেনি। ফলে শনিবার রাতে তাদের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে আসা হয়।
এ ব্যাপারে রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সিদ্ধর্থের বাবা ও বড় ভাইয়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেই সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। আপাতত তাদের মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আবারও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ডিবি পুলিশের হাতে আটক আসামি সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস ছাড়া পেয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তারা যতটুকু জানেন তাই বলেছেন।

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুর নগরীর মাসুয়াপাড়া মহল্লায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ ৪ জনকে হত্যা মামলার আসামি সিদ্বার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশ তাদের বাসা থেকে গত শনিবার রাতে আটক করে মহানগর ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে এসে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে।
রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য জানান।
ডিবি পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট রাতে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের ৪ জনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার দুই বন্ধু মুগ্ধ ও সিদ্ধর্থ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তারা ৪ খুনের সঙ্গে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা শিকার করে। এরপর সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে তাদের কার্যালয়ে ডেকে পাঠালেও তারা আসেনি। ফলে শনিবার রাতে তাদের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে আসা হয়।
এ ব্যাপারে রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সিদ্ধর্থের বাবা ও বড় ভাইয়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেই সব তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। আপাতত তাদের মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আবারও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ডিবি পুলিশের হাতে আটক আসামি সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস ছাড়া পেয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তারা যতটুকু জানেন তাই বলেছেন।









