বিয়ের প্রলোভনে অর্থ-স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ, আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিয়ের প্রলোভনে অর্থ-স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ, আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুরের পীরগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক গড়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনেছেন এক নারী। পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার সুমী।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শারমিন আক্তার সুমী অভিযোগ করেন, তার স্বামীর মৃত্যুর পর একাকী জীবনযাপনের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়া তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন।
সুমী দাবি করেন, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে নগদ ২২ লাখ টাকা এবং ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নেন জিয়াউর রহমান জিয়া। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাইবান্ধা জজ কোর্টে নিয়ে অ্যাফিডেভিট করলেও বিয়ে নিবন্ধন বা সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়ে টালবাহানা করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের সামাজিক স্বীকৃতির জন্য চাপ দিলে একপর্যায়ে চতরাহাটে জিয়ার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘সুমাইয়া বস্ত্র বিতান’-এ স্থানীয় কওমি মাদ্রাসার হাফেজ শরিফুল ইসলামকে দিয়ে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে গভীর রাতে বিয়ে পড়ানো হয়। এভাবে মৌলভি দিয়ে বিয়ে পড়ানো হলেও সুমীকে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা কাবিননামা দেওয়া হয়নি।
পরবর্তীতে সংসারে তুলে নেওয়ার দাবি জানালে অভিযুক্ত জিয়া তার সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকেন। সুমী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িয়ে গিয়ে উঠলে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয় এবং জোরপূর্বক কিছু সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর ও টিপসই নেন।
শারমিন আক্তার সুমী বলেন, গত ২ জুন এই ঘটনায় তিনি পীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সুমীর নামে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যা করতে যান। তবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভতি করেন। হাসপাতাল থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে সুমী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

রংপুরের পীরগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক গড়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনেছেন এক নারী। পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার সুমী।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শারমিন আক্তার সুমী অভিযোগ করেন, তার স্বামীর মৃত্যুর পর একাকী জীবনযাপনের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়া তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন।
সুমী দাবি করেন, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে নগদ ২২ লাখ টাকা এবং ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নেন জিয়াউর রহমান জিয়া। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাইবান্ধা জজ কোর্টে নিয়ে অ্যাফিডেভিট করলেও বিয়ে নিবন্ধন বা সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়ে টালবাহানা করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের সামাজিক স্বীকৃতির জন্য চাপ দিলে একপর্যায়ে চতরাহাটে জিয়ার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘সুমাইয়া বস্ত্র বিতান’-এ স্থানীয় কওমি মাদ্রাসার হাফেজ শরিফুল ইসলামকে দিয়ে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে গভীর রাতে বিয়ে পড়ানো হয়। এভাবে মৌলভি দিয়ে বিয়ে পড়ানো হলেও সুমীকে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা কাবিননামা দেওয়া হয়নি।
পরবর্তীতে সংসারে তুলে নেওয়ার দাবি জানালে অভিযুক্ত জিয়া তার সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকেন। সুমী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িয়ে গিয়ে উঠলে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয় এবং জোরপূর্বক কিছু সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর ও টিপসই নেন।
শারমিন আক্তার সুমী বলেন, গত ২ জুন এই ঘটনায় তিনি পীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সুমীর নামে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যা করতে যান। তবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভতি করেন। হাসপাতাল থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে সুমী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

বিয়ের প্রলোভনে অর্থ-স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ, আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুরের পীরগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক গড়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনেছেন এক নারী। পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার সুমী।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শারমিন আক্তার সুমী অভিযোগ করেন, তার স্বামীর মৃত্যুর পর একাকী জীবনযাপনের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়া তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন।
সুমী দাবি করেন, ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে নগদ ২২ লাখ টাকা এবং ৪ ভরি স্বর্ণালংকার নেন জিয়াউর রহমান জিয়া। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাইবান্ধা জজ কোর্টে নিয়ে অ্যাফিডেভিট করলেও বিয়ে নিবন্ধন বা সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়ে টালবাহানা করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের সামাজিক স্বীকৃতির জন্য চাপ দিলে একপর্যায়ে চতরাহাটে জিয়ার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘সুমাইয়া বস্ত্র বিতান’-এ স্থানীয় কওমি মাদ্রাসার হাফেজ শরিফুল ইসলামকে দিয়ে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে গভীর রাতে বিয়ে পড়ানো হয়। এভাবে মৌলভি দিয়ে বিয়ে পড়ানো হলেও সুমীকে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা কাবিননামা দেওয়া হয়নি।
পরবর্তীতে সংসারে তুলে নেওয়ার দাবি জানালে অভিযুক্ত জিয়া তার সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকেন। সুমী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িয়ে গিয়ে উঠলে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয় এবং জোরপূর্বক কিছু সাদা কাগজ ও স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর ও টিপসই নেন।
শারমিন আক্তার সুমী বলেন, গত ২ জুন এই ঘটনায় তিনি পীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সুমীর নামে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যা করতে যান। তবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভতি করেন। হাসপাতাল থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে সুমী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

গণভবনের সামনে যুবলীগের মিছিল


