জুলুমকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির

জুলুমকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষদের পরিবার ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের জুলুমের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফলে স্থানীয় পাবলিক মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, বরিশালবাসীর কাছে অনুরোধ জানাব–আপনাদের যত বঞ্চনা আছে, নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারানোর যে হাহাকার আছে, যদি আমাদের সুযোগ দেন, আমরা কথা দিচ্ছি–আপনাদের অধিকারের জন্য আর দাবি তুলতে হবে না। আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি–আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন। সমগ্র বাংলাদেশ আমার বাড়ি।
শফিকুর রহমান বলেন, যদি কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে–আপনার কোন জেলা? আমি বলি, সাধারণ পরিবহন– সমগ্র বাংলাদেশ। তখন বলে, এটা তো ট্রাকের পেছনে লেখা থাকে। আমি বলি, যে রাস্তায় যখন প্রয়োজন, সেখানে আমি পৌঁছে যাই।
উন্নয়নে সমতার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের যেসব এলাকা সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত, নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকা থেকেই উন্নয়নের যাত্রা শুরু হবে। উন্নয়নে কোনো আত্মীয়তা বা প্রভাব খাটবে না। এখানে মামু-খালুর কোনো টেলিফোন চলবে না। প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের বাড়ি কোথায়– সেটাও দেখা হবে না। ন্যায্যতার ভিত্তিতেই জনগণের পাওনা নির্ধারণ করা হবে।
গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াতের আমির বলেন, জুলাইয়ে যারা সংগ্রাম করে, রক্ত দিয়ে, পঙ্গু হয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করে আমাদের বাংলাদেশ এনে দিয়েছে–তাদের কারো মরদেহ, কারো রক্ত আমাদের হাতের মুঠোয়, কাঁধের ওপর। এই ভার আমাদের বহন করতে হবে, এই আমানত আমাদের আদায় করতে হবে। তারা যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই হক আমাদের আদায় করতে হবে।
দেশের টাকা বিদেশে পাচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই দেশ থেকে আর কাউকে ব্যাংক লুট করতে দেওয়া হবে না। শেয়ারবাজার লুণ্ঠন কিংবা উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার– এগুলো আর চলবে না।
এসময় তিনি পটুয়াখালীর চারটি আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষদের পরিবার ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের জুলুমের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফলে স্থানীয় পাবলিক মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, বরিশালবাসীর কাছে অনুরোধ জানাব–আপনাদের যত বঞ্চনা আছে, নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারানোর যে হাহাকার আছে, যদি আমাদের সুযোগ দেন, আমরা কথা দিচ্ছি–আপনাদের অধিকারের জন্য আর দাবি তুলতে হবে না। আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি–আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন। সমগ্র বাংলাদেশ আমার বাড়ি।
শফিকুর রহমান বলেন, যদি কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে–আপনার কোন জেলা? আমি বলি, সাধারণ পরিবহন– সমগ্র বাংলাদেশ। তখন বলে, এটা তো ট্রাকের পেছনে লেখা থাকে। আমি বলি, যে রাস্তায় যখন প্রয়োজন, সেখানে আমি পৌঁছে যাই।
উন্নয়নে সমতার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের যেসব এলাকা সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত, নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকা থেকেই উন্নয়নের যাত্রা শুরু হবে। উন্নয়নে কোনো আত্মীয়তা বা প্রভাব খাটবে না। এখানে মামু-খালুর কোনো টেলিফোন চলবে না। প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের বাড়ি কোথায়– সেটাও দেখা হবে না। ন্যায্যতার ভিত্তিতেই জনগণের পাওনা নির্ধারণ করা হবে।
গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াতের আমির বলেন, জুলাইয়ে যারা সংগ্রাম করে, রক্ত দিয়ে, পঙ্গু হয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করে আমাদের বাংলাদেশ এনে দিয়েছে–তাদের কারো মরদেহ, কারো রক্ত আমাদের হাতের মুঠোয়, কাঁধের ওপর। এই ভার আমাদের বহন করতে হবে, এই আমানত আমাদের আদায় করতে হবে। তারা যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই হক আমাদের আদায় করতে হবে।
দেশের টাকা বিদেশে পাচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই দেশ থেকে আর কাউকে ব্যাংক লুট করতে দেওয়া হবে না। শেয়ারবাজার লুণ্ঠন কিংবা উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার– এগুলো আর চলবে না।
এসময় তিনি পটুয়াখালীর চারটি আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

জুলুমকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষদের পরিবার ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের জুলুমের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফলে স্থানীয় পাবলিক মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, বরিশালবাসীর কাছে অনুরোধ জানাব–আপনাদের যত বঞ্চনা আছে, নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারানোর যে হাহাকার আছে, যদি আমাদের সুযোগ দেন, আমরা কথা দিচ্ছি–আপনাদের অধিকারের জন্য আর দাবি তুলতে হবে না। আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি–আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন। সমগ্র বাংলাদেশ আমার বাড়ি।
শফিকুর রহমান বলেন, যদি কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে–আপনার কোন জেলা? আমি বলি, সাধারণ পরিবহন– সমগ্র বাংলাদেশ। তখন বলে, এটা তো ট্রাকের পেছনে লেখা থাকে। আমি বলি, যে রাস্তায় যখন প্রয়োজন, সেখানে আমি পৌঁছে যাই।
উন্নয়নে সমতার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের যেসব এলাকা সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত, নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকা থেকেই উন্নয়নের যাত্রা শুরু হবে। উন্নয়নে কোনো আত্মীয়তা বা প্রভাব খাটবে না। এখানে মামু-খালুর কোনো টেলিফোন চলবে না। প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের বাড়ি কোথায়– সেটাও দেখা হবে না। ন্যায্যতার ভিত্তিতেই জনগণের পাওনা নির্ধারণ করা হবে।
গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াতের আমির বলেন, জুলাইয়ে যারা সংগ্রাম করে, রক্ত দিয়ে, পঙ্গু হয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করে আমাদের বাংলাদেশ এনে দিয়েছে–তাদের কারো মরদেহ, কারো রক্ত আমাদের হাতের মুঠোয়, কাঁধের ওপর। এই ভার আমাদের বহন করতে হবে, এই আমানত আমাদের আদায় করতে হবে। তারা যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই হক আমাদের আদায় করতে হবে।
দেশের টাকা বিদেশে পাচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই দেশ থেকে আর কাউকে ব্যাংক লুট করতে দেওয়া হবে না। শেয়ারবাজার লুণ্ঠন কিংবা উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার– এগুলো আর চলবে না।
এসময় তিনি পটুয়াখালীর চারটি আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।



