কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড
কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের লেম্বুর বন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মহিবুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন (এস্কাভেটর) জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক এ অভিযান পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতিসাধনের অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী এ দণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক পাকা করার কাজ চলছে। প্রকল্পের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কাজ শেষ হলেও মাঝিবাড়ি থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশের কাজ বালুর সংকটে বন্ধ ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, কম খরচে বালু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটির একটি অংশ সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে অন্যের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর কয়েকদিন ধরে লেম্বুর বন সংলগ্ন সৈকত এলাকা থেকে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হয়।
এ ঘটনায় বালু কাটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলন আইনত নিষিদ্ধ হলেও এ ঘটনায় জড়িত মূল নির্দেশদাতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র শ্রমিক পর্যায়ের একজনকে শাস্তি দেওয়ায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মহিবুল্লাহ নামে একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ।
তিনি জানান, পরিবেশ বিধ্বংসী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের লেম্বুর বন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মহিবুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন (এস্কাভেটর) জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক এ অভিযান পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতিসাধনের অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী এ দণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক পাকা করার কাজ চলছে। প্রকল্পের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কাজ শেষ হলেও মাঝিবাড়ি থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশের কাজ বালুর সংকটে বন্ধ ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, কম খরচে বালু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটির একটি অংশ সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে অন্যের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর কয়েকদিন ধরে লেম্বুর বন সংলগ্ন সৈকত এলাকা থেকে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হয়।
এ ঘটনায় বালু কাটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলন আইনত নিষিদ্ধ হলেও এ ঘটনায় জড়িত মূল নির্দেশদাতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র শ্রমিক পর্যায়ের একজনকে শাস্তি দেওয়ায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মহিবুল্লাহ নামে একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ।
তিনি জানান, পরিবেশ বিধ্বংসী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড
কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের লেম্বুর বন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মহিবুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন (এস্কাভেটর) জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক এ অভিযান পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতিসাধনের অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী এ দণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক পাকা করার কাজ চলছে। প্রকল্পের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কাজ শেষ হলেও মাঝিবাড়ি থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশের কাজ বালুর সংকটে বন্ধ ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, কম খরচে বালু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটির একটি অংশ সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে অন্যের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর কয়েকদিন ধরে লেম্বুর বন সংলগ্ন সৈকত এলাকা থেকে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হয়।
এ ঘটনায় বালু কাটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলন আইনত নিষিদ্ধ হলেও এ ঘটনায় জড়িত মূল নির্দেশদাতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। ফলে শুধুমাত্র শ্রমিক পর্যায়ের একজনকে শাস্তি দেওয়ায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মহিবুল্লাহ নামে একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ।
তিনি জানান, পরিবেশ বিধ্বংসী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাঙ্গু নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন, বাঁশখালীতে দুই ড্রেজার জব্দ


