'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত’ জামায়াতকে পানিসম্পদ মন্ত্রী

'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত’ জামায়াতকে পানিসম্পদ মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এবার তারা মনে করেছে ক্ষমতায় আসার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। তারা বাহ্যিকভাবে অনেকের কাছ থেকে এমনভাবে অভয়-সহযোগিতা পেয়েছিলো, তাদের মনে হয়েছিলো ক্ষমতায় আসার মতো একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, দিল্লি বহু দূর। আমাদের দেশে বলে 'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত'। এই বাস্তবতা ওনারা উপলব্ধি করতে পারেনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘আমরা বাংলাদেশী’ নামক একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। কিন্তু আজকে যারা দ্বিধা-বিভক্তি প্রশ্নে বেশি সোচ্চার, তাদের অতীত ভূমিকাও তেমন প্রশংসনীয় নয়। স্বাধীনতার সময়ের ঘটনা সবাই জানে। ৮৬ সাল, ৯১ সালের পরবর্তী ধারাবাহিকতা এবং ৯৬ সালের কথা তো আমরা ভুলে যাইনি।’
তিনি বলেন, ‘যারা বলছেন যে, আওয়ামী লীগে যারা ভালো রয়েছে, তাদেরকে সঙ্গী বানানো যাবে। এখন যদি শেখ হাসিনা ভালো হয়ে আসে, তাহলে তাকে সঙ্গী বানাবেন? এটা হতে পারে না।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে কোনো কিছু তৈরি করতে হলে একটা ভিত্তি প্রয়োজন হয়। জুলাই আন্দোলনেরও একটা ভিত্তি ছিলো, সেটি হলো ১৭ বছর। জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থী-সাধারণ মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এই আন্দোলন এককভাবে কোনো দলের ছিলো না।’
এ্যানি বলেন, ‘মানুষ বিএনপির কাছে একটা জিনিস বেশি প্রত্যাশা করে, সেটা হলো– স্বাভাবিক একটি জীবন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, দ্রব্যমূল্যের দাম কমানো এবং পারিবারিক নিরাপত্তা। এগুলো মানুষ চায়।’
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু পার্লামেন্টে তাদের সুন্দর কথা। কিন্তু, পার্লামেন্টের বাইরে গিয়ে যে আচরণ করে, তার জন্য সতর্ক এবং সজাগ হওয়ার আহবান জানাই।’
এনসিপির সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ‘আপনাদেরকে আরও গভীর চিন্তা করতে হবে। আরও বেশি আলোচনায় যেতে হবে।’
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে নিয়ে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমার দলে যদি তার মতো এভাবে কেউ কথা বলতো, তাহলে আমি সরাসরি তার বিষয়ে পার্টির চেয়ারম্যানকে জানাতাম। তাকে আমাদের পার্টি মেনে নিতো না। আমি বলতাম, সে আমাদের পার্টির ইমেজ ক্ষুণ্ণ করছে।
তিনি আরও বলেন, তিনি বিশেষ করে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যেভাবে কথা বলছে, আমরা কিন্তু এখনো ক্ষেপে যাইনি। আমরা একটু উদাত্ত আহ্বান জানাই, তাহলে আপনি (নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী) বিপদগ্রস্ত হয়ে যাবেন। আপনি এই অপরাজনীতি ত্যাগ করেন। এটা মানুষ গ্রহণ করে না।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান, ‘আমরা বাংলাদেশী'র আহবায়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা প্রমুখ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এবার তারা মনে করেছে ক্ষমতায় আসার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। তারা বাহ্যিকভাবে অনেকের কাছ থেকে এমনভাবে অভয়-সহযোগিতা পেয়েছিলো, তাদের মনে হয়েছিলো ক্ষমতায় আসার মতো একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, দিল্লি বহু দূর। আমাদের দেশে বলে 'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত'। এই বাস্তবতা ওনারা উপলব্ধি করতে পারেনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘আমরা বাংলাদেশী’ নামক একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। কিন্তু আজকে যারা দ্বিধা-বিভক্তি প্রশ্নে বেশি সোচ্চার, তাদের অতীত ভূমিকাও তেমন প্রশংসনীয় নয়। স্বাধীনতার সময়ের ঘটনা সবাই জানে। ৮৬ সাল, ৯১ সালের পরবর্তী ধারাবাহিকতা এবং ৯৬ সালের কথা তো আমরা ভুলে যাইনি।’
তিনি বলেন, ‘যারা বলছেন যে, আওয়ামী লীগে যারা ভালো রয়েছে, তাদেরকে সঙ্গী বানানো যাবে। এখন যদি শেখ হাসিনা ভালো হয়ে আসে, তাহলে তাকে সঙ্গী বানাবেন? এটা হতে পারে না।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে কোনো কিছু তৈরি করতে হলে একটা ভিত্তি প্রয়োজন হয়। জুলাই আন্দোলনেরও একটা ভিত্তি ছিলো, সেটি হলো ১৭ বছর। জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থী-সাধারণ মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এই আন্দোলন এককভাবে কোনো দলের ছিলো না।’
এ্যানি বলেন, ‘মানুষ বিএনপির কাছে একটা জিনিস বেশি প্রত্যাশা করে, সেটা হলো– স্বাভাবিক একটি জীবন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, দ্রব্যমূল্যের দাম কমানো এবং পারিবারিক নিরাপত্তা। এগুলো মানুষ চায়।’
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু পার্লামেন্টে তাদের সুন্দর কথা। কিন্তু, পার্লামেন্টের বাইরে গিয়ে যে আচরণ করে, তার জন্য সতর্ক এবং সজাগ হওয়ার আহবান জানাই।’
এনসিপির সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ‘আপনাদেরকে আরও গভীর চিন্তা করতে হবে। আরও বেশি আলোচনায় যেতে হবে।’
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে নিয়ে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমার দলে যদি তার মতো এভাবে কেউ কথা বলতো, তাহলে আমি সরাসরি তার বিষয়ে পার্টির চেয়ারম্যানকে জানাতাম। তাকে আমাদের পার্টি মেনে নিতো না। আমি বলতাম, সে আমাদের পার্টির ইমেজ ক্ষুণ্ণ করছে।
তিনি আরও বলেন, তিনি বিশেষ করে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যেভাবে কথা বলছে, আমরা কিন্তু এখনো ক্ষেপে যাইনি। আমরা একটু উদাত্ত আহ্বান জানাই, তাহলে আপনি (নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী) বিপদগ্রস্ত হয়ে যাবেন। আপনি এই অপরাজনীতি ত্যাগ করেন। এটা মানুষ গ্রহণ করে না।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান, ‘আমরা বাংলাদেশী'র আহবায়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা প্রমুখ।

'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত’ জামায়াতকে পানিসম্পদ মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এবার তারা মনে করেছে ক্ষমতায় আসার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। তারা বাহ্যিকভাবে অনেকের কাছ থেকে এমনভাবে অভয়-সহযোগিতা পেয়েছিলো, তাদের মনে হয়েছিলো ক্ষমতায় আসার মতো একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, দিল্লি বহু দূর। আমাদের দেশে বলে 'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত'। এই বাস্তবতা ওনারা উপলব্ধি করতে পারেনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘আমরা বাংলাদেশী’ নামক একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। কিন্তু আজকে যারা দ্বিধা-বিভক্তি প্রশ্নে বেশি সোচ্চার, তাদের অতীত ভূমিকাও তেমন প্রশংসনীয় নয়। স্বাধীনতার সময়ের ঘটনা সবাই জানে। ৮৬ সাল, ৯১ সালের পরবর্তী ধারাবাহিকতা এবং ৯৬ সালের কথা তো আমরা ভুলে যাইনি।’
তিনি বলেন, ‘যারা বলছেন যে, আওয়ামী লীগে যারা ভালো রয়েছে, তাদেরকে সঙ্গী বানানো যাবে। এখন যদি শেখ হাসিনা ভালো হয়ে আসে, তাহলে তাকে সঙ্গী বানাবেন? এটা হতে পারে না।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে কোনো কিছু তৈরি করতে হলে একটা ভিত্তি প্রয়োজন হয়। জুলাই আন্দোলনেরও একটা ভিত্তি ছিলো, সেটি হলো ১৭ বছর। জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থী-সাধারণ মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এই আন্দোলন এককভাবে কোনো দলের ছিলো না।’
এ্যানি বলেন, ‘মানুষ বিএনপির কাছে একটা জিনিস বেশি প্রত্যাশা করে, সেটা হলো– স্বাভাবিক একটি জীবন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, দ্রব্যমূল্যের দাম কমানো এবং পারিবারিক নিরাপত্তা। এগুলো মানুষ চায়।’
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু পার্লামেন্টে তাদের সুন্দর কথা। কিন্তু, পার্লামেন্টের বাইরে গিয়ে যে আচরণ করে, তার জন্য সতর্ক এবং সজাগ হওয়ার আহবান জানাই।’
এনসিপির সংসদ সদস্যের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ‘আপনাদেরকে আরও গভীর চিন্তা করতে হবে। আরও বেশি আলোচনায় যেতে হবে।’
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে নিয়ে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমার দলে যদি তার মতো এভাবে কেউ কথা বলতো, তাহলে আমি সরাসরি তার বিষয়ে পার্টির চেয়ারম্যানকে জানাতাম। তাকে আমাদের পার্টি মেনে নিতো না। আমি বলতাম, সে আমাদের পার্টির ইমেজ ক্ষুণ্ণ করছে।
তিনি আরও বলেন, তিনি বিশেষ করে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যেভাবে কথা বলছে, আমরা কিন্তু এখনো ক্ষেপে যাইনি। আমরা একটু উদাত্ত আহ্বান জানাই, তাহলে আপনি (নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী) বিপদগ্রস্ত হয়ে যাবেন। আপনি এই অপরাজনীতি ত্যাগ করেন। এটা মানুষ গ্রহণ করে না।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান, ‘আমরা বাংলাদেশী'র আহবায়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা প্রমুখ।









