শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা করতে চায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা করতে চায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় যুক্ত হতে চায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিকিউরিপোর্ট। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ একজন কর্মকর্তা এ সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসবেন বলে কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা শুরু করে সিকিউরিপোর্ট। ওই সময় একটি ধারণাপত্রও উপস্থাপন করে তারা।
আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই টার্মিনাল চালু করতে চায় সরকার। এখনও টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়নি। তবে জাপানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
জানা গেছে, সিকিউরিপোর্টের শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যান্ডরিক সিকিউরার এ সপ্তাহে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।
সিকিউরিপোর্ট মূলত সফটওয়্যারসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে। ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বলছে, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত সিকিউরিপোর্টের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারকে তারা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযুক্তি ও সেবা দিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো– স্মার্ট সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধান দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশকে সক্ষম করে তোলা। অবৈধ অভিবাসন, মানব পাচার, মাদক পাচার এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতেও তারা কাজ করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সিকিউরিপোর্ট আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে সীমান্ত ও বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করে। বাংলাদেশে তারা মূলত শাহজালালের নতুন টার্মিনালের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের তথ্য সংরক্ষণসহ প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।
প্রায় ২৫ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকার থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটির ৯০ ভাগ কাজ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেষ হয়। এর বেশির ভাগ অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। সংস্থাটি সহজ শর্তে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। বাকি অর্থ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এসেছে।
থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটি অর্থায়নে থাকায় জাপানি কোম্পানির কাছে এটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার কথা শুরু থেকেই হচ্ছিল। জাপানি এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, সোজিৎজ করপোরেশন ও নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন। মার্চ ও এপ্রিলে জাপানি কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসেছিলেন সরকারের একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এক উপদেষ্টা।
সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বরেই টার্মিনালটি উদ্বোধনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩১ জুলাই দরপত্র জমা দেবে জাপানি কনসোর্টিয়াম। এরপর সিদ্ধান্ত।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডানাটা। বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে তারা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, পণ্য পরিবহন, খাদ্য সরবরাহ ও ভ্রমণসেবাসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।
নতুন এই টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজের জন্য সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশের বিমান পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও আগ্রহ দেখিয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ জাপানি একটি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। এর ফলে প্রায় দেড় বছর টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া থমকে যায়। পরে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজটি দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
থার্ড টার্মিনাল চালু না হলেও গত জুন থেকে এর জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু করেছে বাংলাদেশ। ২০৫৬ সাল পর্যন্ত তা পরিশোধ করতে হবে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় যুক্ত হতে চায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিকিউরিপোর্ট। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ একজন কর্মকর্তা এ সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসবেন বলে কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা শুরু করে সিকিউরিপোর্ট। ওই সময় একটি ধারণাপত্রও উপস্থাপন করে তারা।
আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই টার্মিনাল চালু করতে চায় সরকার। এখনও টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়নি। তবে জাপানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
জানা গেছে, সিকিউরিপোর্টের শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যান্ডরিক সিকিউরার এ সপ্তাহে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।
সিকিউরিপোর্ট মূলত সফটওয়্যারসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে। ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বলছে, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত সিকিউরিপোর্টের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারকে তারা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযুক্তি ও সেবা দিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো– স্মার্ট সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধান দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশকে সক্ষম করে তোলা। অবৈধ অভিবাসন, মানব পাচার, মাদক পাচার এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতেও তারা কাজ করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সিকিউরিপোর্ট আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে সীমান্ত ও বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করে। বাংলাদেশে তারা মূলত শাহজালালের নতুন টার্মিনালের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের তথ্য সংরক্ষণসহ প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।
প্রায় ২৫ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকার থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটির ৯০ ভাগ কাজ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেষ হয়। এর বেশির ভাগ অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। সংস্থাটি সহজ শর্তে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। বাকি অর্থ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এসেছে।
থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটি অর্থায়নে থাকায় জাপানি কোম্পানির কাছে এটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার কথা শুরু থেকেই হচ্ছিল। জাপানি এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, সোজিৎজ করপোরেশন ও নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন। মার্চ ও এপ্রিলে জাপানি কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসেছিলেন সরকারের একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এক উপদেষ্টা।
সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বরেই টার্মিনালটি উদ্বোধনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩১ জুলাই দরপত্র জমা দেবে জাপানি কনসোর্টিয়াম। এরপর সিদ্ধান্ত।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডানাটা। বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে তারা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, পণ্য পরিবহন, খাদ্য সরবরাহ ও ভ্রমণসেবাসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।
নতুন এই টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজের জন্য সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশের বিমান পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও আগ্রহ দেখিয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ জাপানি একটি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। এর ফলে প্রায় দেড় বছর টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া থমকে যায়। পরে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজটি দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
থার্ড টার্মিনাল চালু না হলেও গত জুন থেকে এর জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু করেছে বাংলাদেশ। ২০৫৬ সাল পর্যন্ত তা পরিশোধ করতে হবে।

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা করতে চায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় যুক্ত হতে চায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিকিউরিপোর্ট। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ একজন কর্মকর্তা এ সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসবেন বলে কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা শুরু করে সিকিউরিপোর্ট। ওই সময় একটি ধারণাপত্রও উপস্থাপন করে তারা।
আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই টার্মিনাল চালু করতে চায় সরকার। এখনও টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়নি। তবে জাপানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
জানা গেছে, সিকিউরিপোর্টের শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যান্ডরিক সিকিউরার এ সপ্তাহে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।
সিকিউরিপোর্ট মূলত সফটওয়্যারসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে। ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বলছে, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত সিকিউরিপোর্টের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারকে তারা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযুক্তি ও সেবা দিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো– স্মার্ট সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধান দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশকে সক্ষম করে তোলা। অবৈধ অভিবাসন, মানব পাচার, মাদক পাচার এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতেও তারা কাজ করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সিকিউরিপোর্ট আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে সীমান্ত ও বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করে। বাংলাদেশে তারা মূলত শাহজালালের নতুন টার্মিনালের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের তথ্য সংরক্ষণসহ প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।
প্রায় ২৫ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকার থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটির ৯০ ভাগ কাজ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেষ হয়। এর বেশির ভাগ অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। সংস্থাটি সহজ শর্তে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। বাকি অর্থ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এসেছে।
থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটি অর্থায়নে থাকায় জাপানি কোম্পানির কাছে এটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার কথা শুরু থেকেই হচ্ছিল। জাপানি এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, সোজিৎজ করপোরেশন ও নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন। মার্চ ও এপ্রিলে জাপানি কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসেছিলেন সরকারের একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও এক উপদেষ্টা।
সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বরেই টার্মিনালটি উদ্বোধনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩১ জুলাই দরপত্র জমা দেবে জাপানি কনসোর্টিয়াম। এরপর সিদ্ধান্ত।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডানাটা। বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে তারা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, পণ্য পরিবহন, খাদ্য সরবরাহ ও ভ্রমণসেবাসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।
নতুন এই টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজের জন্য সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশের বিমান পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও আগ্রহ দেখিয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ জাপানি একটি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। এর ফলে প্রায় দেড় বছর টার্মিনাল চালুর প্রক্রিয়া থমকে যায়। পরে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজটি দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
থার্ড টার্মিনাল চালু না হলেও গত জুন থেকে এর জন্য নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু করেছে বাংলাদেশ। ২০৫৬ সাল পর্যন্ত তা পরিশোধ করতে হবে।

এবার সিঙ্গাপুরের ‘স্যাটস’ চাইছে থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং






